মালয়েশিয়ায় অভিবাসী কর্মীদের ভিসা নবায়ন করবে ইমিগ্রেশন

আহমাদুল কবির
আহমাদুল কবির আহমাদুল কবির , মালয়েশিয়া প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ০৬:৫৬ পিএম, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১

মালয়েশিয়ায় ঝুলে থাকা অভিবাসী কর্মীদের মেয়াদোত্তীর্ণ ভিসা নবায়ন করবে ইমিগ্রেশন। সম্প্রতি অভিবাসন বিভাগ এক নোটিশে এ তথ্য জানায়।

চলমান করোনা সংক্রমণরোধে প্রায় ১ বছরেরও বেশি সময় কয়েক ধাপে লকডাউনে ছিল দেশটি। এ সময়ে লাখ লাখ প্রবাসী শ্রমিক তাদের কর্ম হারিয়েছেন। পাশাপাশি লকডাউন চলাকালীন ইমিগ্রেশন বিভাগের যাবতীয় কর্মকাণ্ডে ছিল স্লথ গতি। তখন প্রবাসীরা তাদের ভিসা ও পারমিট নবায়ন হয়নি। এ অবস্থায় বিপাকে পড়েন লাখ লাখ অভিবাসী শ্রমিক।

এরই মধ্যে একটি মহল গুজব রটিয়েছেন ‘রি-হায়ারিং ৬নং ভিসা আর নবায়ন হবে না’। বিষয়টি সরকারের উচ্চ মহলে নজরে আসার পর (১৫ সেপ্টেম্বর) দেশটির অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক খায়রুল দাযাইমি দাউদ এক বিজ্ঞপ্তিতে বলেছেন, রি-হায়ারিং প্রকল্পের ভিসার মেয়াদ যাদের লকডাউন চলাকালীন শেষ হয়ে গেছে তাদের ভিসা নবায়নের ব্যাপারে কাজ করছে ইমিগ্রেশন বিভাগ এবং বিষয়টি স্বরাষ্ট্র ও মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে, অনুমোদন পেয়েই সব অভিবাসীদের ভিসা নবায়ন করা হবে।

তিনি পরামর্শ দিয়ে বলেছেন, নিয়োগকর্তার মাধ্যমে অভিবাসীরা পাসপোর্ট ও লেভি ইমিগ্রেশনে জমা দিয়ে একটি স্পেশাল পাস নেওয়ার জন্য। তবে এই ভিসা নবায়ন যারা বর্তমানে মালয়েশিয়ার ভেতরে আছেন তাদের জন্য। যারা ছুটিতে নিজ নিজ দেশে যাওয়ার পর ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে তাদের ভিসা কখন এবং কিভাবে নবায়ন করা হবে সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো নির্দেশনা আসেনি।

jagonews24

তবে সম্প্রতি বলা হয়েছিল যারা ছুটিতে আছেন তারা নিজ নিজ মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ করে মাই ট্রাভেল পাসের (এমটিপি) মাধ্যমে আবেদন করার জন্য। এদিকে নতুন করে চলমান শ্রমিকদের বৈধকরণ প্রক্রিয়া রিক্যালিব্রেশনের কার্যক্রম দ্রুত ও বেগবান করার কথা বলা হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যারা রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করেছেন তাদের পরবর্তী ধাপগুলো দ্রুত শেষ করার কিছু ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

যেমন নিয়োগকর্তার মাধ্যমে বৈধপ্রার্থীদের ফিঙ্গার প্রিন্টের জন্য ইমিগ্রেশনে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। সেক্ষেত্রে নিয়োগ কর্তার অফিসেই ফিঙ্গার প্রিন্ট করতে পারবেন। নতুন করে বৈধ হতে রিক্যালিব্রেশনের আওতায় ১ লাখ ৭৮ হাজার ৬৮ জন অভিবাসী আবেদন করেছেন। এই আবেদন প্রক্রিয়া চলবে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

এমআরএম/জেআইএম

প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা, ভ্রমণ, গল্প-আড্ডা, আনন্দ-বেদনা, অনুভূতি, স্বদেশের স্মৃতিচারণ, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক লেখা পাঠাতে পারেন। ছবিসহ লেখা পাঠানোর ঠিকানা - [email protected]