মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিসহ ৪৫ অভিবাসী রিমান্ডে

আহমাদুল কবির
আহমাদুল কবির আহমাদুল কবির , মালয়েশিয়া প্রতিনিধি মালয়েশিয়া
প্রকাশিত: ০২:৪৩ পিএম, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিসহ ৪৫ অভিবাসীকে ১৪ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে দেশটির পুলিশ। শনিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে অভিবাসন বিভাগের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

দেশটিতে অবৈধভাবে গার্মেন্টস কারখানা পরিচালনা ও শ্রমিক খাটানোর অভিযোগে বাংলাদেশ, মায়ানমার, ইন্দোনেশিয়ার নাগরিকসহ ৪৫ অভিবাসী কর্মীকে গ্রেফতার করে ১৪ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। এর মধ্যে কারখানার মালিক ৪৫ বছর বয়সী এক বাংলাদেশি রয়েছেন। তবে তার বিস্তারিত পরিচয় জানা যায়নি। রিমান্ডে যাওয়া ৪৫ জনের মধ্যে কতজন বাংলাদেশি রয়েছেন তাও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

দেশটির অভিবাসন পুলিশ ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (এমএসিসি) যৌথ অভিযানে সেলেঙ্গরের আমপাং এলাকা থেকে মালামাল ও যন্ত্রপাতিসহ তাদের আটক করা হয়। এসময় অবৈধ কারখানা স্থাপনে সহযোগিতার অভিযোগে স্থানীয় মালয়েশিয়ান এক নারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে পুলিশ। তিনি ওই কারখানার সহযোগী পরিচালক ছিলেন। আটক অভিবাসীদের বয়স ১৭ থেকে ৫৫ বছরের মধ্যে।

malai2

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত বাংলাদেশি আমপাং এলাকার একটি বাণিজ্যিক অ্যাপার্টমেন্ট ভাড়া নিয়ে একটিতে কারখানা এবং অন্যটিকে শো-রুম হিসেবে ব্যবহার করে আসছিলেন। তার কাছে কারখানা পরিচালনার কোনো লাইসেন্স ছিল না। এই কোম্পানির নাম ব্যবহার করে একাধিক ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও গাড়ি ক্রয় করে ব্যবহার করা হচ্ছিল। প্রতিষ্ঠানটি প্রতিমাসে ১৩০,০০০ রিংগিত থেকে শুরু করে ১৫০,০০০ রিংগিত পর্যন্ত উৎপাদন এবং বিপণন করতো।

শ্রমিকদের দিয়ে কারখানায় স্থাপিত মেশিনে কাপড় কাটা, সেলাই ও প্রিন্টিংয়ের কাজ করানো হতো। এর মধ্যে অনেক শ্রমিকের ভিসা নেই। নিয়োগকৃত শ্রমিকদের ১৬০০ রিংগিত অর্থাৎ বাংলাদেশি টাকায় ৩২ হাজার টাকা বেতন দেওয়া হতো।

গ্রেফতার আসামিদের দেশটির অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩ এর ৫ম ধারার ২ উপধারায় অভিযোগ গঠন করে ১৪ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।

এদিকে ওই মালয়েশিয়ান নারী অবৈধ শ্রমিক নিয়োগ দেওয়ায় ১৯৫৯/৬৩ ধারা এবং মানি লন্ডারিংসহ অন্যন্য অপরাধের জন্য ২০০১ এর ৬১৩ ধারায় অভিযোগ গঠন করেছে পুলিশ।

ইউএইচ/এমএস

প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা, ভ্রমণ, গল্প-আড্ডা, আনন্দ-বেদনা, অনুভূতি, স্বদেশের স্মৃতিচারণ, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক লেখা পাঠাতে পারেন। ছবিসহ লেখা পাঠানোর ঠিকানা - [email protected]