লিসবনের অদূরে পর্যটকপ্রিয় সমুদ্র সৈকত ‘কোস্তা দা কাপারিকা’

আবু সাঈদ
আবু সাঈদ আবু সাঈদ , পর্তুগাল সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ১১:৩৩ এএম, ১৭ মে ২০২২
ছবি- জাগো নিউজ

‘কোস্তা দা কাপারিকা’ আটলান্টিক মহাসাগরের শক্তিশালী তরঙ্গ ও প্রাকৃতিক দৃশ্যের অত্যাশ্চর্য ২৬ কিলোমিটার উপকূলরেখার বালুকাময় সমুদ্র সৈকত, যা সেতুবাল উপদ্বীপের পশ্চিম দিকে অবস্থান করছে। পর্যটন এলাকাখ্যাত কোস্তা দা কাপারিকার দূরত্ব রাজধানী লিসবন থেকে প্রায় ১৭ কিলোমিটার।

সমুদ্র সৈকতটির নামকরণ করা হয়েছে এই অঞ্চলের বৃহত্তম শহর কোস্তা দা ক্যাপারিকার নামে যা একটি আধুনিক ও প্রাণবন্ত উপকূলীয় শহর। এই উপকূলের নিম্নতম স্থানে রয়েছে ‘ফন্টে দ্য তেলহার’ ঐতিহ্যবাহী মাছ ধরার গ্রাম ও ‘লাগোয়া দে’ নামের আলবুফেইরার সুন্দর উপহ্রদ এবং আদিম সৈকতের বিশাল বিস্তৃতি। লিসবন বিমানবন্দরে অবতরণের উদ্দেশ্যে উড়ে আসা বেশিরভাগ বিমানেরই বাক নেওয়া শুরু হয় এই সমুদ্র সৈকতের ওপর দিয়ে।

jagonews24

কোস্তা দে ক্যাপারিকা উপকূলের শক্তিশালী ঢেউ সার্ফিং ও কাইটসার্ফিংয়ের জন্য আদর্শ সমুদ্র সৈকত হিসেবে পরিচিত। এই সৈকতেই পর্তুগিজ জেলেরা ঐতিহ্যবাহী জাভেগা মাছ ধরার কৌশল (সৈকতে জাল ফেলে) ব্যবহার করে। গ্রীষ্মের সময় বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে আসা পর্যটকদের পাশাপাশি পর্তুগিজরাও এই অঞ্চলের সবচেয়ে সুন্দর সৈকতটিতে ঝাঁকে ঝাঁকে ভিড় জমান।

jagonews24

ব্যবসা-বাণিজ্য ও চাকরির সুবাদে এখানে বসবাস করেন সীমিত সংখ্যক বাংলাদেশি। সীমিত সংখ্যক হলেও বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের সহযোগিতায় ছোট্ট একটি বাঙালি কমিউনিটি গড়ে ওঠেছে।

এমআরএম/এএসএম

প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা, ভ্রমণ, গল্প-আড্ডা, আনন্দ-বেদনা, অনুভূতি, স্বদেশের স্মৃতিচারণ, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক লেখা পাঠাতে পারেন। ছবিসহ লেখা পাঠানোর ঠিকানা - [email protected]