বঙ্গবন্ধুর ‘স্বপ্নের সোনার বাংলা’ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে

হাবিবুল্লাহ আল বাহার
হাবিবুল্লাহ আল বাহার হাবিবুল্লাহ আল বাহার জার্মানি
প্রকাশিত: ০৮:২২ এএম, ১৬ আগস্ট ২০২২

জার্মানির বার্লিনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, স্বাধীনতার মহান স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালন করেছে।

স্থানীয় একটি হোটেলের বলরুমে এই অনুষ্ঠানে দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির নেতারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের সভাপতি ছিলেন জার্মানিতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া এনডিসি।

সকালে দূতাবাস প্রাঙ্গণে আনুষ্ঠানিকভাবে রাষ্ট্রদূত মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর উপস্থিতিতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করেন এবং জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

Gwemany3

পরে হোটেল ওয়ার্লডর্ফ এস্টোরিয়ার বলরুমে আলোচনা অনুষ্ঠানের শুরুতে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ১৫ই আগস্টের অন্যান্য শহিদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন শেষে দু’দেশের জাতীয় সংগীত বাজিয়ে আলোচনা পর্বের সূচনা করা হয়।

১৫ আগস্টের নির্মম ঘটনাবলী, প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা ও নিষ্ঠুর এই হত্যাকাণ্ডের পর বিশ্বের বরেণ্য ব্যক্তিদের অনুভূতির ওপর নির্মিত কয়েকটি ভিডিওচিত্র প্রদর্শন করা হয় আলোচনা সভায়। আলোচনা সভায় বক্তারা জাতির পিতার মহীয়ান জীবন ও বাংলাদেশের জন্য তার অবদান শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।

Gwemany3

সভাপতির বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত জাতির পিতাসহ ১৫ আগস্ট শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, এ মহান নেতা বাংলার মানুষের স্বাধিকার আদায় ও আমাদের একটি মানচিত্র এবং পতাকা দেওয়ার জন্য তার সারা জীবন উৎসর্গ করে গেছেন। স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু ও তার আত্মীয় পরিজনের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনাবহুল ১৫ আগস্টের মতো মর্মান্তিক অধ্যায় স্বাভাবিক মানবিকবোধসম্পন্ন যে কোনো মানুষকে ব্যথাতুর করে তোলে।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ‘সোনার বাংলা’ প্রতিষ্ঠায় স্ব-স্ব অবস্থান থেকে অবদান রাখার জন্যে তিনি সবাইকে আহ্বান জানান। পরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ১৫ আগস্টের শহিদ ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে জীবন উৎসর্গকারী সকল শহিদের রূহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।

এমআরএম/এমএস

প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা, ভ্রমণ, গল্প-আড্ডা, আনন্দ-বেদনা, অনুভূতি, স্বদেশের স্মৃতিচারণ, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক লেখা পাঠাতে পারেন। ছবিসহ লেখা পাঠানোর ঠিকানা - [email protected]