চায়না-সাউথ এশিয়া এক্সপোতে থিম কান্ট্রি বাংলাদেশ

প্রবাস ডেস্ক
প্রবাস ডেস্ক প্রবাস ডেস্ক চীন প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১১:০৭ এএম, ২৪ নভেম্বর ২০২২

বাংলাদেশের অংগ্রহণে ষষ্ঠ চায়না-সাউথ এশিয়া এক্সপোজিশন এবং ২৬তম চায়না কুনমিং আমদানি রপ্তানি মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৯-২২ নভেম্বর দক্ষিণ-পশ্চিম চীনের ইউনান প্রদেশের রাজধানী কুনমিংয়ে দিয়ানচি ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন অ্যান্ড এক্সিবিশন সেন্টারে আয়োজন করা হয়।

এবারের চায়না-সাউথ এশিয়া আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় থিম কান্ট্রি হিসেবে অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ। এক্সপোজিশনে বাংলাদেশের একটি প্যাভিলিয়ন ছিল সেখানে রপ্তানি পণ্য, ইতিহাস ও সংস্কতি তুলে ধরা হয়। বাংলাদেশসহ, ৮০টিরও বেশি দেশ, অঞ্চল এবং আন্তর্জাতিক সংস্থা অনলাইন এবং অফলাইন উভয় চ্যানেলের মাধ্যমে এক্সপোতে অংশ নিয়েছে।

‘নব উন্নয়নের জন্য নতুন সুযোগ’ থিমে চার দিনব্যাপী এই মেগা ইভেন্টটি চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং ইউনান প্রাদেশিক জনগণের সরকার যৌথভাবে আয়োজন করে। এক্সপোজিশনে চীন-দক্ষিণ এশিয়া সহযোগিতা ফোরামে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ.কে. আব্দুল মোমেন এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লি চিমিং বক্তব্য দিয়েছেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ.কে. আব্দুল মোমেন বলেন, চীনের সহায়তায় বাংলাদেশ রেলপথ, নদীর তলদেশে টানেল, এক্সপ্রেসওয়ে এবং বিদ্যুৎ অবকাঠামোসহ বেশ কয়েকটি অবকাঠামো প্রকল্প চালু হয়েছে যা আঞ্চলিক যোগাযোগ ও বাণিজ্যকে আরও উন্নত করবে। বর্তমানে, বাংলাদেশ ও চীন যৌথভাবে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়ে একটি সম্ভাব্যতা সমীক্ষা করেছে যা আমাদের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরও জোরদার করবে। চীন আমাদের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন সহযোগী।

বাংলাদেশে চীনের রাষ্ট্রদূত লি চিমিং বলেন, এই সেপ্টেম্বর মাসে, চীন বাংলাদেশ থেকে ৯৮ শতাংশ করযোগ্য আইটেমকে শূন্য-শুল্ক দিয়েছে, যেন বাংলাদেশ চীনে তার রপ্তানি প্রসারিত করতে পারে।

লিচিমিং মন্তব্য করেন, এখন চীনারা বাংলাদেশের জাতীয় মাছ ইলিশের মতো সুস্বাদু খাবারের স্বাদ নিতে পারে।

মেলায় অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য সহযোগিতা প্রকল্পের স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে, ইউননান প্রদেশের ১২টি মূল শিল্পের সাথে জড়িত মোট ১৬৯টি চুক্তিবদ্ধ বিনিয়োগ প্রকল্পে স্বাক্ষর করা হয়েছে, যার সম্মিলিত মূল্য ৪০০ বিলিয়ন ইউয়ান (প্রায় ৫৫.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার) ছাড়িয়ে গেছে।

এমআরএম/এএসএম

প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা, ভ্রমণ, গল্প-আড্ডা, আনন্দ-বেদনা, অনুভূতি, স্বদেশের স্মৃতিচারণ, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক লেখা পাঠাতে পারেন। ছবিসহ লেখা পাঠানোর ঠিকানা - [email protected]