‘শান্তিতে নোবেল পুরস্কার শেখ হাসিনারই প্রাপ্য’

প্রবাস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৪:২৭ পিএম, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭
‘শান্তিতে নোবেল পুরস্কার শেখ হাসিনারই প্রাপ্য’

‘রোহিঙ্গা শরণার্থী সমস্যা দক্ষতার সঙ্গে সামাল দেয়ার জন্যে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার শেখ হাসিনারই প্রাপ্য’ এমন মন্তব্য করেছেন নিউইয়র্ক আওয়ামী লীগের নেতারা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জাতিসংঘে আগমন উপলক্ষে নিউইয়র্কে বিভিন্ন কর্মসূচির সমর্থনে সম্প্রতি জ্যাকসন হাইটসে পালকি পার্টি সেন্টারে এক সমাবেশ আয়োজিত হয়।

১৭ সেপ্টেম্বর অপরাহ্নে শেখ হাসিনাকে জেএফকে এয়ারপোর্টে অভ্যর্থনা জানানো হবে। ১৯ সেপ্টেম্বর অপরাহ্নে টাইমস স্কোয়ারে নাগরিক সংবর্ধনা দেয়া হবে। জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে ভাষণ দেবেন ২১ সেপ্টেম্বর অপরাহ্নে। সে সময় জাতিসংঘের সামনে শান্তি সমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে।

কর্মসূচিকে বাস্তবায়ন করতে গত সপ্তাহ থেকেই প্রতিদিনই জনসংযোগ-প্রস্তুতি সমাবেশ হচ্ছে নিউইয়র্ক, নিউজার্সি, ফিলাডেলফিয়া, ওয়াশিংটন মেট্র, বস্টন, মিশিগান, লসএঞ্জেলেসসহ বিভিন্ন সিটিতে।

‘গত ৮ বছরই জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে এসেছেন শেখ হাসিনা। কিন্তু এবারের মতো এত আলোড়ন সৃষ্টি হয়নি কখনও। এর কারণ হচ্ছে রোহিঙ্গা শরণার্থী সমস্যা অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে সামাল দেয়া। গোটাবিশ্ব অবলোকন করছে শেখ হাসিনার এমন বিচক্ষণতাপূর্ণ নেতৃত্বকে’। এ অভিমত পোষণ করেন এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের চেয়ারম্যান এবং যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সম্পাদক নিজাম চৌধুরী।

New-york-2

নিজাম চৌধুরী বলেন, ‘মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন এবং আর্ত-পীরিতদের মধ্যে স্বস্তি সঞ্চারে যে দক্ষতাপূর্ণ নেতৃত্ব প্রদর্শন করে চলেছেন, তার যথাযথ মূল্যায়ন করা হলে শান্তিতে শেখ হাসিনারই নোবেল পুরস্কার প্রাপ্য।’

একই ধরনের প্রত্যাশা উচ্চারিত হয় সমাবেশের প্রধান অতিথি যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান সিদ্দিকের বক্তব্যেও। ড. সিদ্দিক বলেন, ‘নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাংলাদেশের মানুষের সার্বিক কল্যাণে কাজ করছেন শেখ হাসিনা। তার এ কর্মের পরিধি অনেক আগেই বিস্তৃত হয়েছে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে।

এবার রোহিঙ্গা সমস্যাকে সঠিকভাবে হ্যান্ডেল করার মধ্য দিয়ে নিজের নেতৃত্বকে আরও মহিমান্বিত করেছেন। মানবতার জন্যে এমন নিবেদিতপ্রাণ মানুষেরই নোবেল পাওয়ার কথা।’

ড. সিদ্দিক আরও বলেন, ‘শেখ হাসিনার সংবর্ধনা সমাবেশকে এযাবতকালের সেরা সমাবেশে পরিণত করতে সবার আন্তরিকতাপূর্ণ সহায়তার বিকল্প নেই। প্রবাসীদের মধ্যে যে আমেজ তৈরি হয়েছে, তাকে অটুট রাখতে হবে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এই জাগরণকে বিস্তৃত করতে হবে মূলধারার লোকজনের মধ্যেও। বাংলাদেশ যে সঠিকভাবে এগুচ্ছে, তা অবহিত করতে হবে আন্তর্জাতিক বন্ধুদের।’

সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদ সদস্য নাসিমা ফেরদৌস, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ চৌধুরী, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আকতার হোসেন, মাহবুবুর রহমান, সৈয়দ বসারত আলী, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ, যুগ্ম সম্পাদক আইরিন পারভিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ ফারুক আহমেদ, মহিউদ্দিন দেওয়ান, প্রচার সম্পাদক হাজী এনাম।

এমআরএম/জেআইএম

প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা, ভ্রমণ, গল্প-আড্ডা, আনন্দ-বেদনা, অনুভূতি, স্বদেশের স্মৃতিচারণ, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক লেখা পাঠাতে পারেন। ছবিসহ লেখা পাঠানোর ঠিকানা - jagofeature@gmail.com