মিয়ানমারে বাংলাদেশ দূতাবাসে জাতীয় শোক দিবস পালিত

জমির হোসেন
জমির হোসেন জমির হোসেন , ইতালি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ০৩:০৬ পিএম, ১৬ আগস্ট ২০১৯

মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুনে বাংলাদেশ দূতাবাসে জাতীয় শোক দিবস ও জতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদাতবার্ষিকী পালিত হয়েছে।

দিবসটি উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) দূতাবাসে আয়োজিত দুই পর্বে অনুষ্ঠিত কর্মসূচির মধ্যে ছিল জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ, বঙ্গবন্ধু প্রতিকৃতিতে পুস্পার্ঘ্য অর্পণ, বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্মের ওপর প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন, আলোচনাসভা, কোরআনখানি এবং বিশেষ দোয়া মাহফিল।

মিয়ানমারে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মঞ্জুরুল করিম খান চৌধুরী সকালে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করে দিনের কর্মসূচির সূচনা করেন। রাষ্ট্রদূত, দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ এবং ইয়াঙ্গুন প্রবাসী বাংলাদেশের নাগরিকগণ বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পার্ঘ্য অর্পণের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু ও ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শাহাদাত বরণকারী সবার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রদর্শন করেন।

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রদত্ত বাণীসমূহ পাঠ করেন দূতাবাসের কর্মকর্তাবৃন্দ। এরপর বঙ্গবন্ধুসহ ১৫ আগস্ট নিহত সকল শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে কোরানখানি ও বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

Mayanmar-1.jpg

বিকেলে অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন ও কর্মের ওপর আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। দূতাবাসের কর্মকর্তাসহ সভায় উপস্থিত প্রবাসী বাংলাদেশীগণ আলোচনায় স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। আলোচনায় অংশগ্রহণকারীগণ বঙ্গবন্ধুর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং স্বাধীন বাংলাদেশের রূপকার হিসেবে বঙ্গবন্ধুর অবদান কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন।

রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যে স্বাধীন বাংলাদেশের রূপকার ও স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি বঙ্গবন্ধুর দীর্ঘ কর্মময় জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন এবং স্বাধীন বাংলাদেশের সৃষ্টিতে বঙ্গবন্ধুর অনন্যসাধারণ নেতৃত্বের ওপর আলোকপাত করেন।

তিনি উল্লেখ করেন, বাঙালির জীবনে বঙ্গবন্ধুর স্থান চিরস্থায়ী। বঙ্গবন্ধুর ত্যাগ ও আদর্শ বাঙালি জাতির চিরপ্রেরণার উৎস। বাংলাদেশের চলমান আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের কয়েকটি দিক তুলে ধরে রাষ্ট্রদূত উল্লেখ করেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে তার প্রদর্শিত পথে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্মের উপর একটি বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এছাড়া দূতাবাসের পক্ষ থেকে স্থানীয় দুটি এতিমখানায় শিশুদের জন্য বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা করা হয়।

এমএসএইচ/এমএস

প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা, ভ্রমণ, গল্প-আড্ডা, আনন্দ-বেদনা, অনুভূতি, স্বদেশের স্মৃতিচারণ, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক লেখা পাঠাতে পারেন। ছবিসহ লেখা পাঠানোর ঠিকানা - [email protected]

আপনার মতামত লিখুন :