বিশ্বের দীর্ঘতম সেতু নজর কেড়েছে কুয়েত প্রবাসীদের

সাদেক রিপন
সাদেক রিপন সাদেক রিপন , কুয়েত প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ০৩:২৪ পিএম, ০৯ নভেম্বর ২০১৯

প্রতি বছরের মতো এবারও বাংলাদেশ কুরআন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র রোমেইছিয়া শাখার উদ্যোগের প্রবাসী বাংলাদেশিরা কুয়েতে দীর্ঘতম সেতু ভ্রমণ করেছে। ৮ নভেম্বর আরব সাগরের উপর নির্মিত বিশ্বের দীর্ঘতম সেতু শেখ জাবের আল কসওয়ে ভ্রমণ করে পরবাসীরা।

সেতুটির দৈঘ্য ৪৮.৫৩ কিমি। চলতি বছর ১ মে এর উদ্বোধন করা হয়। এটি কিনডাওয়ে হাইওয়ান ব্রিজ থেকে ৭ কিমি দীর্ঘ। বিশ্বের দীর্ঘতম এই সেতু নির্মাণে খরচ হয়েছে ২.৬ বিলিয়ন ডলার। সেতুর দু’পাশে দুই বন্দর, প্রশাসন ভবন, পর্যটনকেন্দ্র সবমিলে ১৫ লাখ বর্গমিটার জমির উপর নির্মিত।

Kuwait2

প্রতিদিন কুয়েতি নাগরিকদের পাশাপাশি দেশটিতে অবস্থানরত বিভিন্ন দেশের নাগরিকরাও তাদের পরিবার ও বন্ধু-বান্ধব মিলে সেতুটি এক নজর দেখতে আসেন। এখনো প্রতিদিন কয়েক শতাধিক লোকের সমাগত হয়। ধীরে ধীরে শীতের ভাব বাড়তে থাকলে পর্যটকের সংখ্যা আরও বাড়বে।

জলরাশির খেলা হিমেল ঠাণ্ডা হাওয়া ধেয়ে আসে দুই পাশ থেকে। ব্রিজ থেকে কুয়েত সিটি দেখলে মনে হয় আরব সাগরে ছোট দ্বীপের মাঝে কুয়েত সিটি। দিনের আলো সৌন্দর্য এক রম্য ও সন্ধ্যার পর আলোকসজ্জায় ব্রিজের সৌন্দর্য দ্বিগুণ বৃদ্ধি পায়। পর্যটকরা চলার পথে গাড়ি থামিয়ে স্মৃতি হিসেবে ধরে রাখতে ছবি ও সেলফি তুলে ব্যস্ত থাকে কেউ বা আবার ভিডিও কল ও ফেসবুকে লাইভ নিয়ে ব্যস্ত থাকে।

Kuwait2

বিশ্বের দীর্ঘতম এই সেতুটি কুয়েত সিটি থেকে আরব সাগরের উপর দিয়ে যুক্ত হয়েছে বুবিয়ান ও সুবিয়া দ্বীপের সঙ্গে। প্রবাসীরা বছরজুড়ে কর্ম ব্যস্ততার মাঝে ছুটির এই দিনটিকে মাতিয়ে তুলতে গল্প, কৌতুক, গান, খেলাধুলায়। প্রবাসীরা ফিরে যান শৈশবের ফেলে আসা সেই দিনগুলোতে।

ভ্রমণে আসা প্রবাসীরা বলেন, খুবই সুন্দর ও দৃষ্টিনন্দন একটি জায়গা, বিশ্বে দীর্ঘতম সেতু। সমুদ্রের মাঝে দ্বীপ, বিশাল মুরুভূমি, সবকিছু মিলিয়ে অসাধারণ। কুয়েতের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে পর্যটকদের নজরকাড়ার মতো।

Kuwait2

বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সংযুক্ত সমুদ্র বন্দর দ্বীপের মাঝে তৈরি হচ্ছে রেস্ট হাউস, সুপার মার্কেট ও পার্ক। ধীরে ধীরে বিনোদনের জন্য পর্যটকদের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠবে সাথে কুয়েতের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে দেশটির শেখ জাবের আল কসওয়ে সেতু ও বুবিয়ান ও সুবিয়া দ্বীপ।

এমআরএম/এমকেএইচ

প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা, ভ্রমণ, গল্প-আড্ডা, আনন্দ-বেদনা, অনুভূতি, স্বদেশের স্মৃতিচারণ, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক লেখা পাঠাতে পারেন। ছবিসহ লেখা পাঠানোর ঠিকানা - jagofeature@gmail.com