জাপানে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ পালিত

ফখরুল ইসলাম
ফখরুল ইসলাম ফখরুল ইসলাম , জাপান প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ০৩:২১ পিএম, ০৭ মার্চ ২০২০

বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে ৭ই মার্চ অনন্য এক দিন। ১৯৭১ সালে এই তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে মুক্তিকামী লাখো জনতার সামনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন। তার সেই আহ্বানে সাড়া দিয়ে বীর বাঙালি পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধ করে বিজয় ছিনিয়ে আনে।

বাংলাদেশ দূতাবাস, টোকিও যথাযথ মর্যাদায় ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উদযাপন করেছে। আজ সকালে দূতাবাসের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। পরে বঙ্গবন্ধুসহ তার পরিবারের সদস্য এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদের আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

jagonews24

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত বাণী পাঠ করেন যথাক্রমে দূতাবাসের কাউন্সেলর ড. জিয়াউল আবেদিন ও ড. আরিফুল হক। পরে দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফ্যায়েরস ড. শাহিদা আকতার সকলের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন প্রথম সচিব আরিফ মোহাম্মদ।

এ সময় তিনি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন স্বাধীন বাংলাদেশের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। তিনি ১৯৭১ সালে ৭ মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে মুক্তিকামী লাখো জনতার সামনে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণের বিষয়ে আলোচনা করে বলেন, ৭ই মার্চে বঙ্গবন্ধুর সেই অগ্নিঝরা ভাষণ, পুরো বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতা যুদ্ধে অনুপ্রাণিত করেছিল, এই ভাষণ ছিল স্বাধীনতার অমর কবিতা।

jagonews24

অনুষ্ঠানের পরবরতী অংশে উন্মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন জাপান প্রবাসী বাংলাদেশ কমিউনিটির সদস্যরা। জাতিসংঘের শিক্ষা বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো কর্তৃক বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বজ্রকণ্ঠে ৭ই মার্চের ভাষণের উপর একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এ সময় দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

এমআরএম/এমকেএইচ

প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা, ভ্রমণ, গল্প-আড্ডা, আনন্দ-বেদনা, অনুভূতি, স্বদেশের স্মৃতিচারণ, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক লেখা পাঠাতে পারেন। ছবিসহ লেখা পাঠানোর ঠিকানা - [email protected]