করোনাকালে ইউরোপে এক অন্যরকম ঈদ

রাকিব হাসান রাফি
রাকিব হাসান রাফি রাকিব হাসান রাফি , স্লোভেনিয়া প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১০:১৩ এএম, ০১ আগস্ট ২০২০

ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে খুশি। দিনটি মুসল্লিমদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব হিসেবে পরিচিত। একই সঙ্গে ঈদ আমাদের দেশের অন্যতম প্রধান সামাজিক উৎসব হিসেবেও আয়োজিত হয়ে আসছে। বছরে দুটি ঈদ, একটি ঈদুল ফিতর অন্যটি ঈদুল-আজহা।

বছর ঘুরে আবারও পবিত্র ঈদুল আজহা আমাদের দুয়ারে সমাগত। হিজরি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী প্রত্যেক বছরের জিলহজ মাসের দশ তারিখে ঈদুল আজহা অনুষ্ঠিত হয়। মূলত আল্লাহর নির্দেশে হযরত ইব্রাহিম (আ) ও তার শিশুপুত্র হযরত ইসমাইল (আ) এর আত্মত্যাগের স্মৃতিকে স্মরণ করে প্রত্যেক বছর বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মুসলমানেরা দিবসটি উদযাপন করে থাকেন।

মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোতে অত্যন্ত জাঁকজমকভাবে ঈদ উদযাপিত হলেও ইউরোপের বেশিরভাগ দেশগুলোতে ঈদ সে অর্থে প্রাণবন্ত রূপের পসরা সাজাতে পারে না। এখানে ঈদ আসে বছরের আর আট-দশটি সাধারণ দিনের মতো। ঈদ উপলক্ষে থাকে না বিশেষ কোনো ছুটি, তাই বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই কর্মব্যস্ততার মাঝে ঈদের দিনটি অতিবাহিত হয়।

উৎসবের পুরো আমেজ এখানে সকালের ঈদ নামাজকে ঘিরে, নামাজ শেষে যে যার মতো ছুটে যান তার নিজের কাজে। আমরা যারা শিক্ষার্থী, ছুটির দিন না হলে এদিনও আমাদেরকে দৌড়াতে হয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অভিমুখে। আর যারা কর্মজীবী, অন্যান্য সাধারণ দিনের মতো ঈদের দিনও তাদের জন্য এক কর্মব্যস্ত দিন। ঈদ আনন্দ অনেকক্ষেত্রে তাই এখানে নিছক এক কল্পনা মাত্র।

বাংলাদেশে ঈদুল আজহাকে ঘিরে দেশের বিভিন্ন স্থানে পশুর হাট বসতে দেখা যায়। ঈদে সবার মাঝে এক বিশেষ ধরনের উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়, বিশেষ করে পরিবারের বাচ্চাদের মাঝে অন্যরকম এক উৎসাহ দেখা যায়। বাড়ির বয়োজ্যেষ্ঠদের সাথে কোরবানির পশুর হাট ভ্রমণ করা এবং কোরবানির জন্য পছন্দের পশুটিকে বাছাই করা নিয়ে তাদের মাঝে একধরনের উত্তেজনার লক্ষ্য করা যায়।

ইউরোপের বেশিরভাগ দেশে বাংলাদেশের মতো এভাবে পশুর হাটের রীতি নেই। পাশাপাশি আমাদের দেশের মতো ইউরোপের বেশিরভাগ দেশগুলোতে জনসম্মুখে পশু জবাই করা নিষিদ্ধ। যারা সামর্থ্যবান বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তারা নিকটস্থ কোনও মসজিদের কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে অথবা কোনও মাংসের দোকানের সাথে যোগাযোগ করে কোরবানির ব্যবস্থা করে।

নিজের পছন্দ অনুযায়ী পশু নির্বাচনের সুযোগ এখানে অত্যন্ত সীমিত। তবে মুষ্টিমেয় কিছু দেশে যেমন- তুরস্ক কিংবা আলবেনিয়াতে দেখেছি সেখানকার স্থানীয় অনেক অধিবাসী খামারিদের সাথে যোগাযোগ করে তাদের পছন্দসই পশু বাছাই করতে পারে।

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে মহামারি আকারে ছড়িয়েপড়া করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে এ বছর গোটা বিশ্বে ঈদ আনন্দ অনেকটা ম্লান। ইউরোপও এর ব্যতিক্রম নয় তবে সম্প্রতি ইউরোপের বিভিন্ন দেশে নতুন করে আবার করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেকে আশঙ্কা করছেন সেকেন্ড ওয়েভে আবারও করোনা বিপর্যয়ের সম্মুখীন হতে চলেছে ইউরোপ।

বিশেষজ্ঞদের দাবি করছেন লকডাউন শিথিল পরবর্তী ইউরোপের বিভিন্ন দেশের মাঝে আন্তঃসীমান্ত সংযোগ পুনরায় চালু করার পাশাপাশি মানুষের অবাধ যাতায়াত বৃদ্ধি এবং আগের মতো স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার প্রবণতা থেকে সরে আসার কারণে মূলত ইউরোপের বিভিন্ন দেশে নতুন করে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ দেখা দিয়েছে।

গ্রিস, স্লোভেনিয়া, সুইজারল্যান্ড, জার্মানি, ক্রোয়েশিয়া, অস্ট্রিয়া ইউরোপের এ সকল প্রথম ধাপে করোনা মোকাবিলায় অত্যন্ত সফলতার পরিচয় দিলেও দ্বিতীয় ধাপে নতুন করে করোনার সংক্রমণ দেশটির সাধারণ মানুষের মাঝে কপালে ভাঁজের পড়েছে। প্রাকৃতিক বিপর্যয় কাঁটিয়ে গোটা ইউরোপ যেখানে পুনরায় অর্থনৈতিক পুনর্জীবনের পথে পা বাড়াচ্ছিল, ঠিক এমন সময় ইউরোপের বিভিন্ন দেশে নতুন করে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব আবারও যেনো মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

বিশেষত এখন ইউরোপে গ্রীষ্মকাল এবং বছরের অন্যান্য সময়ের তুলনায় এ সময়টিতে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে পর্যটন শিল্প সবচেয়ে বেশি প্রসারিত থাকে। ইউরোপের অর্থনীতির একটা বড় অংশ এ পর্যটন শিল্পের ওপর নির্ভরশীল কিন্তু উদ্ভূত করোনা পরিস্থিতিতে আশানুরূপভাবে ইউরোপের বেশিরভাগ দেশগুলোতে পর্যটকদের আনাগোনা না থাকায় আর্থিকভাবে এক বিশাল বিপর্যয়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে গোটা ইউরোপ।

ইউরোপে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের সিংহভাগই রেস্টুরেন্ট ব্যবসার সাথে জড়িত। রেস্টুরেন্টগুলোতে বিভিন্ন ধরনের কাজের মাধ্যমে ইউরোপের বেশিরভাগ দেশে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন। লকডাউন পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘদিন সরকারি নির্দেশ মোতাবেক এ সকল রেস্টুরেন্ট বন্ধ রাখতে হয়েছিল, অন্যদিকে এখনও পুরোপুরিভাবে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব চলে না যাওয়ায় আশানুরূপভাবে খদ্দের সমাগম হচ্ছে না এ সকল রেস্টুরেন্টগুলোতে।

ফলে এ সকল রেস্টুরেন্টের সাথে সংশ্লিষ্ট সবাইকে লোকসানের সম্মুখীন হতে হচ্ছে। পাশাপাশি যোগ হয়েছে বেকারত্ব। করোনা পরিস্থিতির কারণে অনেক প্রতিষ্ঠান কর্মী ছাঁটাই করতে বাধ্য হয়েছে যার প্রেক্ষিতে অনেকে বেকার হয়ে পড়েছেন। চরম হতাশার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে তাদের জীবন। এমন পরিস্থিতিতে তাই ঈদ আনন্দ একটি দুঃস্বপ্নের নাম, এছাড়াও এবারের ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে মুসল্লিরা জামায়াতবদ্ধভাবে ঈদের নামাজে শরিক হতে পারবেন কিনা সেটা নিয়েও সংশয় তৈরি হয়।

সবধরনের সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনা এবং প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির হিসেবকে বুকে চাপা দিয়ে এগিয়ে চলে প্রত্যেক প্রবাসীর জীবন। একটাই লক্ষ্য শুধু এ জীবনের আর সেটা পরিবারের প্রিয় মানুষগুলোর মুখে হাসি ফোঁটানো। বাংলাদেশে থাকতে বাবার সাথে প্রত্যেক বছর হাটে যাওয়ার সৌভাগ্য হত পছন্দের পশুটি কেনার জন্য। পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সাথে ঈদ জামায়াতে শরিক হতাম। নামাজ শেষে পশু কোরবানি করতাম এবং নিজ হাতে কোরবানি গোশত তিন ভাগ করে পাড়া-প্রতিবেশী ও আত্মীয়-স্বজনসহ সমাজের সুবিধা বঞ্চিত মানুষের মাঝে বণ্টন করতাম।

এ দিনগুলো এখন আমার কাছে কল্পনা বৈ আর কিছুই নয়। মস্তিষ্কের স্মৃতিপটে সে দিনগুলো এখন কেবল নিছক স্মৃতি। বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাস যেন এসব হাহাকারকে আরও এক ধাপ গভীরে নিয়ে গেছে। জানি না কবে এ পৃথিবী কবে এ পরিস্থিতি থেকে নিষ্কৃতি লাভ করবে এবং সবকিছু আগের ছন্দে ফিরে আসবে।

সবাইকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা। ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর হয়ে উঠুক দিনটি। ঈদ সকলের জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল প্রশান্তি এবং সমৃদ্ধি। সমাজের মানুষের মাঝে বিদ্যমান সকল বৈষম্য দূরীভূত হয়ে যাক।

এমআরএম/এমএস

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

২,০৮,৮৩,৮০২
আক্রান্ত

৭,৪৮,৫৪৫
মৃত

১,৩৭,৭২,০৫৬
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ২,৬৯,১১৫ ৩,৫৫৭ ১,৫৪,৮৭১
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৫৩,৬৭,০৩০ ১,৬৯,২৬৩ ২৮,১৩,৮৪৫
ব্রাজিল ৩১,৭০,৪৭৪ ১,০৪,২৬৩ ২৩,০৯,৪৭৭
ভারত ২৪,৩১,৫৫৮ ৪৭,৫২৭ ১৭,২৫,৮৩৪
রাশিয়া ৯,০৭,৭৫৮ ১৫,৩৮৪ ৭,১৬,৩৯৬
দক্ষিণ আফ্রিকা ৫,৬৮,৯১৯ ১১,০১০ ৪,৩২,০২৯
পেরু ৪,৯৮,৫৫৫ ২১,৭১৩ ৩,৪১,৯৩৮
মেক্সিকো ৪,৯৮,৩৮০ ৫৪,৬৬৬ ৩,৩৬,৬৩৫
কলম্বিয়া ৪,২২,৫১৯ ১৩,৮৩৭ ২,৩৯,৭৮৫
১০ চিলি ৩,৭৮,১৬৮ ১০,২০৫ ৩,৫১,৪১৯
১১ স্পেন ৩,৭৬,৮৬৪ ২৮,৭৫২ ১,৯৬,৯৫৮
১২ ইরান ৩,৩৬,৩২৪ ১৯,১৬২ ২,৯২,০৫৮
১৩ যুক্তরাজ্য ৩,১৩,৭৯৮ ৪৬,৭০৬ ৩৪৪
১৪ সৌদি আরব ২,৯৪,৫১৯ ৩,৩০৩ ২,৬০,৩৯৩
১৫ পাকিস্তান ২,৮৬,৬৭৪ ৬,১৩৯ ২,৬৪,০৬০
১৬ আর্জেন্টিনা ২,৬৮,৫৭৪ ৫,২৪৬ ১,৯২,৪৩৪
১৭ ইতালি ২,৫২,২৩৫ ৩৫,২৩১ ২,০২,৯২৩
১৮ তুরস্ক ২,৪৪,৩৯২ ৫,৮৯১ ২,২৭,০৮৯
১৯ জার্মানি ২,২১,৪১৩ ৯,২৭৬ ২,০০,৮০০
২০ ফ্রান্স ২,০৬,৬৯৬ ৩১,০১৭ ৮৩,৪৭২
২১ ইরাক ১,৬০,৪৩৬ ৫,৫৮৮ ১,১৪,৫৪১
২২ ফিলিপাইন ১,৪৭,৫২৬ ২,৪২৬ ৭০,৩৮৭
২৩ ইন্দোনেশিয়া ১,৩২,৮১৬ ৫,৯৬৮ ৮৭,৫৫৮
২৪ কানাডা ১,২০,৮৪৪ ৯,০০৬ ১,০৭,১৪৮
২৫ কাতার ১,১৩,৯৩৮ ১৯০ ১,১০,৬২৭
২৬ কাজাখস্তান ১,০১,৩৭২ ১,২৬৯ ৭৬,৭৫৬
২৭ ইকুয়েডর ৯৭,১১০ ৫,৯৮৪ ৭৮,৮৮৭
২৮ মিসর ৯৫,৯৬৩ ৫,০৮৫ ৫৫,৯০১
২৯ বলিভিয়া ৯৫,০৭১ ৩,৮২৭ ৩২,৮৩০
৩০ ইসরায়েল ৮৮,৭৩৩ ৬৪৩ ৬৪,৬৭৪
৩১ ইউক্রেন ৮৬,১৪০ ১,৯৯২ ৪৬,২১৬
৩২ চীন ৮৪,৭৫৬ ৪,৬৩৪ ৭৯,৩৯৮
৩৩ সুইডেন ৮৩,৮৫২ ৫,৭৭৪ ৪,৯৭১
৩৪ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ৮৩,১৩৪ ১,৩৯৩ ৪৭,৯৪৬
৩৫ ওমান ৮২,৫৩১ ৫৫১ ৭৭,২৭৮
৩৬ পানামা ৭৭,৩৭৭ ১,৭০৩ ৫১,৫৯৭
৩৭ বেলজিয়াম ৭৫,৬৪৭ ৯,৯০০ ১৭,৮৮৩
৩৮ কুয়েত ৭৪,৪৮৬ ৪৮৯ ৬৬,০৯৯
৩৯ বেলারুশ ৬৯,২০৩ ৫৯৯ ৬৬,১৭৮
৪০ রোমানিয়া ৬৬,৬৩১ ২,৮৬০ ৩১,৫৪৭
৪১ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৬৩,৪৮৯ ৩৫৮ ৫৭,৩৭২
৪২ নেদারল্যান্ডস ৬১,২০৪ ৬,১৬৫ ২৫০
৪৩ গুয়াতেমালা ৫৯,০৮৯ ২,২৬৭ ৪৭,৩৯৪
৪৪ সিঙ্গাপুর ৫৫,৪৯৭ ২৭ ৫০,৭৩৬
৪৫ পোল্যান্ড ৫৪,৪৮৭ ১,৮৪৪ ৩৭,৯৬১
৪৬ পর্তুগাল ৫৩,৫৪৮ ১,৭৭০ ৩৮,৯৪০
৪৭ জাপান ৫০,২১০ ১,০৫৯ ৩৪,৮৮৮
৪৮ হন্ডুরাস ৪৮,৬৫৭ ১,৫৩৩ ৬,৯৪৫
৪৯ নাইজেরিয়া ৪৭,৭৪৩ ৯৫৬ ৩৩,৯৪৩
৫০ বাহরাইন ৪৫,২৬৪ ১৬৭ ৪১,৮৩৬
৫১ ঘানা ৪১,৭২৫ ২২৩ ৩৯,৪৯৫
৫২ কিরগিজস্তান ৪১,০৬৯ ১,৪৮৭ ৩৩,২৮৮
৫৩ আর্মেনিয়া ৪১,০২৩ ৮০৯ ৩৩,৮৯৭
৫৪ আফগানিস্তান ৩৭,৪২৪ ১,৩৬৩ ২৬,৭১৪
৫৫ সুইজারল্যান্ড ৩৭,৪০৩ ১,৯৯১ ৩২,৭০০
৫৬ আলজেরিয়া ৩৬,৬৯৯ ১,৩৩৩ ২৫,৬২৭
৫৭ মরক্কো ৩৬,৬৯৪ ৫৫৬ ২৫,৬৭৭
৫৮ আজারবাইজান ৩৩,৯১৫ ৫০০ ৩১,২৬৯
৫৯ উজবেকিস্তান ৩৩,০৯৩ ২১৫ ২৬,২৭০
৬০ ভেনেজুয়েলা ২৯,০৮৮ ২৪৭ ২১,০৪২
৬১ মলদোভা ২৯,০৮৭ ৮৭৮ ২০,২৭৬
৬২ সার্বিয়া ২৮,৯৯৮ ৬৬১ ১৮,৯৬৫
৬৩ কেনিয়া ২৮,৭৫৪ ৪৬০ ১৫,১০০
৬৪ আয়ারল্যান্ড ২৬,৮৩৮ ১,৭৭৪ ২৩,৩৬৪
৬৫ ইথিওপিয়া ২৫,১১৮ ৪৬৩ ১১,০৩৪
৬৬ কোস্টারিকা ২৫,০৫৭ ২৬৩ ৮,১৮৯
৬৭ নেপাল ২৪,৯৫৭ ৯৫ ১৬,৮৩৭
৬৮ অস্ট্রিয়া ২২,৫৯৪ ৭২৫ ২০,৩৪৬
৬৯ অস্ট্রেলিয়া ২২,৪১৭ ৩৬১ ১৩,০০১
৭০ এল সালভাদর ২১,৯৯৩ ৫৮৪ ১০,২৫৪
৭১ চেক প্রজাতন্ত্র ১৯,০৭৫ ৩৯১ ১৩,৪০৭
৭২ ক্যামেরুন ১৮,২৬৩ ৪০১ ১৫,৩২০
৭৩ আইভরি কোস্ট ১৬,৮৪৭ ১০৫ ১৩,৩২১
৭৪ ফিলিস্তিন ১৫,৪৯১ ১০৫ ৯,১৮৬
৭৫ ডেনমার্ক ১৫,২১৪ ৬২১ ১৩,১৩১
৭৬ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ১৫,১৮৪ ৪৫৮ ৯,১৫৬
৭৭ দক্ষিণ কোরিয়া ১৪,৭৭০ ৩০৫ ১৩,৮১৭
৭৮ বুলগেরিয়া ১৩,৮৯৩ ৪৮২ ৮,৪৭৯
৭৯ মাদাগাস্কার ১৩,৫২২ ১৬২ ১১,৭৮০
৮০ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ১২,৩৫৭ ৫৩২ ৮,৬৬২
৮১ সুদান ১২,১১৫ ৭৯২ ৬,৩০৫
৮২ সেনেগাল ১১,৭৪০ ২৪৪ ৭,৫৭২
৮৩ নরওয়ে ৯,৮১৭ ২৫৭ ৮,৮৫৭
৮৪ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ৯,৫৮৯ ২৩৪ ৮,৪৮০
৮৫ মালয়েশিয়া ৯,১২৯ ১২৫ ৮,৮২১
৮৬ জাম্বিয়া ৮,৬৬৩ ২৪৬ ৭,৪০১
৮৭ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৮,৪২৩ ৫০ ৭,৭১৩
৮৮ গিনি ৮,১১৬ ৫০ ৭,০৬০
৮৯ গ্যাবন ৮,০৭৭ ৫১ ৫,৯২০
৯০ প্যারাগুয়ে ৮,০১৮ ৯৩ ৫,৩৮৪
৯১ তাজিকিস্তান ৭,৯৫০ ৬৩ ৭,২৩৫
৯২ হাইতি ৭,৭৮১ ১৯২ ৫,১২৩
৯৩ ফিনল্যাণ্ড ৭,৬৮৩ ৩৩৩ ৭,০৫০
৯৪ লেবানন ৭,৪১৩ ৮৯ ২,৪০৭
৯৫ লুক্সেমবার্গ ৭,৩০০ ১২২ ৬,২৬২
৯৬ আলবেনিয়া ৬,৯৭১ ২১৩ ৩,৬১৬
৯৭ মৌরিতানিয়া ৬,৬২২ ১৫৭ ৫,৭৪১
৯৮ লিবিয়া ৬,৬১১ ১৩২ ৭৭৮
৯৯ গ্রীস ৬,১৭৭ ২১৬ ৩,৮০৪
১০০ ক্রোয়েশিয়া ৬,০৫০ ১৬১ ৫,০৭৮
১০১ মালদ্বীপ ৫,৩৬৬ ২১ ২,৮৮৪
১০২ জিবুতি ৫,৩৫৮ ৫৯ ৫,১৬৭
১০৩ জিম্বাবুয়ে ৪,৮৯৩ ১২২ ১,৬২০
১০৪ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৪,৮২১ ৮৩ ২,১৮২
১০৫ হাঙ্গেরি ৪,৮১৩ ৬০৭ ৩,৫৬১
১০৬ মালাউই ৪,৭৫২ ১৫২ ২,৫২৯
১০৭ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৪,৬৫২ ৬১ ১,৭২৮
১০৮ হংকং ৪,৩১৩ ৬৫ ৩,২৯৫
১০৯ নিকারাগুয়া ৪,১১৫ ১২৮ ২,৯১৩
১১০ মন্টিনিগ্রো ৩,৮১৩ ৭৩ ২,৬৩৮
১১১ কঙ্গো ৩,৭৪৫ ৬০ ১,৬২৫
১১২ ইসওয়াতিনি ৩,৫২৫ ৬৩ ১,৯১০
১১৩ নামিবিয়া ৩,৪০৬ ২২ ৮৩৫
১১৪ থাইল্যান্ড ৩,৩৫৯ ৫৮ ৩,১৬৯
১১৫ সোমালিয়া ৩,২২৭ ৯৩ ১,৭২৮
১১৬ কিউবা ৩,১২৮ ৮৮ ২,৫০৪
১১৭ মায়োত্তে ৩,১১৯ ৩৯ ২,৯৪০
১১৮ কেপ ভার্দে ৩,০০০ ৩৩ ২,১৭২
১১৯ শ্রীলংকা ২,৮৮২ ১১ ২,৬৪৬
১২০ স্লোভাকিয়া ২,৭৩৯ ৩১ ১,৯৩৯
১২১ সুরিনাম ২,৬৫৩ ৩৯ ১,৭৮৯
১২২ মালি ২,৫৮২ ১২৫ ১,৯৭৭
১২৩ মোজাম্বিক ২,৫৫৯ ১৯ ৯৫১
১২৪ দক্ষিণ সুদান ২,৪৭৭ ৪৭ ১,১৭৫
১২৫ স্লোভেনিয়া ২,৩৩২ ১২৯ ১,৯৬০
১২৬ লিথুনিয়া ২,৩৩০ ৮১ ১,৬৮৯
১২৭ রুয়ান্ডা ২,১৮৯ ১,৫২৪
১২৮ এস্তোনিয়া ২,১৭৪ ৬৯ ১,৯৭৫
১২৯ গিনি বিসাউ ২,০৮৮ ২৯ ১,০১৫
১৩০ বেনিন ২,০১৪ ৩৮ ১,৬৮১
১৩১ আইসল্যান্ড ১,৯৭৬ ১০ ১,৯০৭
১৩২ সিয়েরা লিওন ১,৯৩৭ ৬৯ ১,৪৮৩
১৩৩ ইয়েমেন ১,৮৪১ ৫২৮ ৯৩৭
১৩৪ তিউনিশিয়া ১,৭৮০ ৫২ ১,২৭৮
১৩৫ অ্যাঙ্গোলা ১,৭৬২ ৮০ ৫৭৭
১৩৬ নিউজিল্যান্ড ১,৫৮৯ ২২ ১,৫৩১
১৩৭ গাম্বিয়া ১,৫৫৬ ৪৩ ২৬৭
১৩৮ সিরিয়া ১,৪০২ ৫৩ ৩৯৫
১৩৯ উরুগুয়ে ১,৩৯৩ ৩৭ ১,১৬৩
১৪০ উগান্ডা ১,৩৫৩ ১১ ১,১৪১
১৪১ জর্ডান ১,৩২০ ১১ ১,২২২
১৪২ লাটভিয়া ১,৩০৭ ৩২ ১,০৭৮
১৪৩ সাইপ্রাস ১,৩০৫ ২০ ৮৭০
১৪৪ জর্জিয়া ১,২৮৩ ১৭ ১,০৬৮
১৪৫ লাইবেরিয়া ১,২৫২ ৮২ ৭৩৮
১৪৬ মালটা ১,২৪৫ ৭০৮
১৪৭ বুর্কিনা ফাঁসো ১,২১৩ ৫৪ ৯৯৫
১৪৮ নাইজার ১,১৬১ ৬৯ ১,০৭৫
১৪৯ টোগো ১,০৯২ ২৬ ৭৮২
১৫০ বতসোয়ানা ১,০৬৬ ৮০
১৫১ জ্যামাইকা ১,০৬৫ ১৪ ৭৫৩
১৫২ বাহামা ১,০৩৬ ১৫ ১২২
১৫৩ এনডোরা ৯৭৭ ৫৩ ৮৫৫
১৫৪ চাদ ৯৪৯ ৭৬ ৮৫৯
১৫৫ ভিয়েতনাম ৯০৫ ২০ ৪৫১
১৫৬ আরুবা ৭৯৮ ১১৪
১৫৭ লেসোথো ৭৯৮ ২৪ ১৭৫
১৫৮ রিইউনিয়ন ৭৩৪ ৬৩১
১৫৯ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫১
১৬০ সান ম্যারিনো ৬৯৯ ৪৫ ৬৫৭
১৬১ গায়ানা ৬২৩ ২৩ ১৯১
১৬২ চ্যানেল আইল্যান্ড ৬০৩ ৪৮ ৫৫৫
১৬৩ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৬৪ তাইওয়ান ৪৮১ ৪৫০
১৬৫ বুরুন্ডি ৪০৯ ৩১৫
১৬৬ কমোরস ৩৯৯ ৩৭৯
১৬৭ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৩৬৯ ১৩৯
১৬৮ মায়ানমার ৩৬৯ ৩২১
১৬৯ গুয়াদেলৌপ ৩৬৭ ১৪ ২৮৯
১৭০ ফারে আইল্যান্ড ৩৬২ ২২৫
১৭১ মরিশাস ৩৪৪ ১০ ৩৩৪
১৭২ মার্টিনিক ৩৩৬ ১৬ ৯৮
১৭৩ আইল অফ ম্যান ৩৩৬ ২৪ ৩১২
১৭৪ মঙ্গোলিয়া ২৯৭ ২৬৯
১৭৫ বেলিজ ২৯৬ ৩২
১৭৬ পাপুয়া নিউ গিনি ২৮৭ ৭৮
১৭৭ ইরিত্রিয়া ২৮৫ ২৪৮
১৭৮ কম্বোডিয়া ২৭২ ২২৩
১৭৯ সিন্ট মার্টেন ২৪৮ ১৭ ১০২
১৮০ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ২৪১ ৪৬
১৮১ জিব্রাল্টার ২০৫ ১৮৮
১৮২ কেম্যান আইল্যান্ড ২০৩ ২০২
১৮৩ বারমুডা ১৫৯ ১৪৫
১৮৪ বার্বাডোস ১৪৪ ১১৫
১৮৫ ব্রুনাই ১৪২ ১৩৮
১৮৬ মোনাকো ১৪১ ১১৪
১৮৭ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ১৩৯ ৬৪
১৮৮ ভুটান ১২৮ ১০০
১৮৯ সিসিলি ১২৭ ১২৬
১৯০ সেন্ট মার্টিন ৯২ ৪৫
১৯১ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ৯২ ৭৬
১৯২ লিচেনস্টেইন ৯০ ৮৭
১৯৩ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৫৭ ৫২
১৯৪ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৫৪
১৯৫ ম্যাকাও ৪৬ ৪৬
১৯৬ কিউরাসাও ৩২ ৩০
১৯৭ ফিজি ২৮ ২০
১৯৮ সেন্ট লুসিয়া ২৫ ২৫
১৯৯ পূর্ব তিমুর ২৫ ২৪
২০০ গ্রেনাডা ২৪ ২৩
২০১ নিউ ক্যালেডোনিয়া ২৩ ২২
২০২ লাওস ২০ ১৯
২০৩ ডোমিনিকা ১৮ ১৮
২০৪ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১৭ ১৭
২০৫ গ্রীনল্যাণ্ড ১৪ ১৪
২০৬ মন্টসেরাট ১৩ ১৩
২০৭ সেন্ট বারথেলিমি ১৩
২০৮ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ১৩
২০৯ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৩ ১৩
২১০ ভ্যাটিকান সিটি ১২ ১২
২১১ পশ্চিম সাহারা ১০
২১২ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৩ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন
২১৪ এ্যাঙ্গুইলা
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা, ভ্রমণ, গল্প-আড্ডা, আনন্দ-বেদনা, অনুভূতি, স্বদেশের স্মৃতিচারণ, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক লেখা পাঠাতে পারেন। ছবিসহ লেখা পাঠানোর ঠিকানা - [email protected]