মিসরে জাতীয় শোক দিবস পালন

প্রবাস ডেস্ক প্রবাস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৮:৪০ পিএম, ১৬ আগস্ট ২০২০

আফছার হোসাইন, মিসর থেকে

পিরামিড আর নীলনদের দেশে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিভিন্ন কর্মসূচি ও যথাযোগ্য মর্যাদায় সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালন করেছে মিসর প্রবাসীরা।

১৫ আগস্ট স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় কায়রোস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণের মধ্য দিয়ে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়।

নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত মো. মনিরুল ইসলাম দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা, কর্মচারীদের উপস্থিতিতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করেন।

সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে পবিত্র কোরআন থেকে তিলোওয়াতের মধ্যদিয়ে এ দিবসের আলোচনা সভা শুরু হয়। মিসরে অধ্যয়নরত ছাত্র, ব্যবসায়ী, বিভিন্ন কারখানায় কর্মরত শ্রমিকসহ বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত প্রবাসী বাঙালিরা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে পাঠানো রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শোনানো হয়।

jagonews24

আলোচনা সভায় আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্য থেকে অনেকে বক্তব্য দেন। বক্তারা বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্মের উপর আলোকপাত করেন এবং তার অবদান শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন। সভাপতির বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত বলেন, বঙ্গবন্ধু ছিলেন বাঙালি জাতির স্বপ্নদ্রষ্টা এবং স্বাধীনতার রূপকার। বাঙালির অধিকারের প্রশ্নে তিনি কখনেও আপস করেননি। তার আহ্বানে সাড়া দিয়ে দীর্ঘ ৯ মাস সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা অর্জন করেছি বহু কাঙ্খিত স্বাধীন সর্বভৌম বাংলাদেশ।

জাতি হিসেবে আমাদের দুর্ভাগ্য ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা শেখ মুজিবকে সপরিবারে স্বাধীনতা বিরোধী শক্তির হাতে নির্মমভাবে প্রাণ দিতে হয়। ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ বাঙালির ইতিহাস তথা বিশ্বের ইতিহাসে এক কলঙ্কিত অধ্যায়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি সকল প্রবাসীকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দেশ গড়ার কাজে যার যার সাধ্যমতো অবদান রাখার আহ্বান জানান। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনে দূতাবাস অদূর ভবিষ্যতে আরও ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করছে। তিনি কর্মসূচিগুলোতে মিসর প্রবাসী বাংলাদেশিদের স্বতঃস্ফূর্তভাবে সহযোগিতা ও অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।

এমআরএম/এমকেএইচ

প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা, ভ্রমণ, গল্প-আড্ডা, আনন্দ-বেদনা, অনুভূতি, স্বদেশের স্মৃতিচারণ, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক লেখা পাঠাতে পারেন। ছবিসহ লেখা পাঠানোর ঠিকানা - [email protected]