দেশে ফেরা প্রবাসীদের তথ্য সংগ্রহ করছে কুয়েত দূতাবাস

সাদেক রিপন
সাদেক রিপন সাদেক রিপন , কুয়েত প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ০৪:২২ এএম, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০

করোনা মহামারির কারণে কুয়েতে বিভিন্ন পেশায় কর্মরত অনেক প্রবাসী দেশে ছুটিতে গিয়ে আটকা পড়েছেন। কোম্পানি বা মালিকের চাহিদা থাকলেও তারা এখন নিজ কর্মস্থলে ফিরতে পারছেন না।

করোনাকালে কতজন বাংলাদেশি কুয়েত থেকে দেশে ফিরেছেন তাদের তথ্য সংগ্রহ করছে কুয়েতের বাংলাদেশ দূতাবাস। এ জন্য একটি ওয়েবসাইট চালু করা হয়েছে। সেখানে দেশে ছুটিতে থাকা প্রবাসীদের বিস্তারিত তথ্য দিয়ে আবেদন করতে অনুরোধ করা হয়েছে।

কুয়েত দূতাবাসের ফেসবুক পেজ অথবা এই লিংকে বিস্তারিত তথ্য দিয়ে ছুটিতে থাকা প্রবাসীদের নিবন্ধন করতে বলা হয়েছে। 

কতজন প্রবাসী দেশে আটকা পড়েছেন তাদের তথ্য সংগ্রহের পর সংশ্লিষ্ট কোম্পানি ও মালিকপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রবাসীদের ফেরার ব্যাপারে কার্যক্রম শুরু করবে দূতাবাস।

দেশটির স্থানীয় গণমাধ্যম আরব টাইম ও আল কাবাসে প্রকাশিত সংবাদে উল্লেখ করা হয়, কুয়েতে কর্মরত বিভিন্ন দেশের প্রায় সাড়ে চার লাখ বৈধ প্রবাসী ছুটিতে গিয়ে আটকা পড়েছেন। করোনার কারণে গত ১৩ মার্চ থেকে সব ধরনের আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল ঘোষণা করে কুয়েত।

ধাপে ধাপে স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরার অংশ হিসেবে গত ১ আগস্ট থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালুর কথা থাকলেও বিভিন্ন দেশের করোনা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে বর্তমানে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, মিশরসহ ৩৪ দেশের ওপর দেশটিতে প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

এই ৩৪ দেশের বাইরে অন্যান্য দেশের নাগরিকরা ভিজিট ভিসা এবং পিসিআর সনদ নিয়ে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইন শেষে কুয়েতে প্রবেশ করছেন। এ সুযোগে অনেক অসাধু ট্রাভেল এজেন্সি প্যাকেজের কথা বলে কুয়েতে যেতে আগ্রহী প্রবাসীদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে।

স্থানীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, কুয়েত সরকার করোনা পরিস্থিতি ও মানবিক দিক বিবেচনা করে অনলাইনে আকামা নবায়ন করার সুযোগ দিলেও অনেক কোম্পানি ও মালিকপক্ষ সময়মতো নবায়ন না করায় প্রায় এক লাখ ২৭ হাজার প্রবাসীর আকামা বাতিল হয়ে গেছে। কুয়েতে প্রবেশের বৈধতা হারানোর ফলে এখন ফিরতে পারবেন না তারা। পরবর্তীতে কুয়েতে আসতে হলে নতুন ভিসা নিয়ে আসতে হবে।

সাদেক রিপন/বিএ

প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা, ভ্রমণ, গল্প-আড্ডা, আনন্দ-বেদনা, অনুভূতি, স্বদেশের স্মৃতিচারণ, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক লেখা পাঠাতে পারেন। ছবিসহ লেখা পাঠানোর ঠিকানা - [email protected]