বাংলাদেশের প্রশংসায় জর্ডান সিনেটের প্রেসিডেন্ট

প্রবাস ডেস্ক প্রবাস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৮:৪৯ পিএম, ১৩ জানুয়ারি ২০২১

করোনাভাইরাসের মধ্যেও বাংলাদেশের ৫ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জনের প্রশংসা করেছেন জর্ডানের সিনেটের প্রেসিডেন্ট এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী ফাইসাল আকিফ আল-ফায়েজ।

তিনি বলেন, ‘যেখানে বিশ্বের অনেক দেশ করোনার কারণে অর্থনৈতিক অবস্থা শিথিল হয়ে যাওয়ায় ঋণাত্মক জিডিপিতে অবস্থান করছে, সেখানে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।’

জর্ডানে বাংলাদেশ দূতাবাসে ‘বঙ্গবন্ধু কর্নার’ স্থাপন এবং বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার শাহ আলী ফরহাদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের অতিথি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ফারুক খান তার বক্তব্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের অগ্রগতি অর্জনের ওপর আলোকপাত করেন।

জর্ডান সিনেটের সাবেক সদস্য শওসান মাজালি বাংলাদেশের বর্তমান সরকার ও ব্র্যাকের মতো এনজিওর কার্যক্রমের কথা তুলে ধরেন। বাংলাদেশের প্রান্তিক পর্যায়ের নারীদের জীবনমান উন্নয়নে কীভাবে কাজ করা হচ্ছে, সে বিষয়ে আলোচনা করেন তিনি।

সেই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার আমলে বাংলাদেশে মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবস্থা কীভাবে প্রান্তিক পর্যায়ে অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রেখে যাচ্ছে, সে বিষয়েও আলোকপাত করেন জর্ডানের এই রাজনীতিক।

বাংলাদেশ ভ্রমণের কথা স্মরণ করেন শওসান মাজালি। বাংলাদেশ কীভাবে ‘খুব দ্রুত’ অবকাঠামো ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে সে বিষয়ে কথা বলেন তিনি।

বক্তব্যে মুজিববর্ষের গুরুত্ব তুলে ধরেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ উদযাপন বিষয়ক জাতীয় কমিটির প্রধান সমন্বয়ক কামাল চৌধুরী, কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী বঙ্গবন্ধুর রাজনীতি ও আদর্শ কীভাবে এখনও আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও তরুণদের জন্য কাজে লাগছে, সে বিষয়ে আলোচনা করেন। মুজিববর্ষের পর বাংলাদেশে স্বাধীনতার ৫০ বছর উদযাপন হবে বলে জানান কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী।

পাকিস্তানের অন্ধকার কারাগারে প্রায় ৯ মাস বেশি সময় কাটানোর পর বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দিনে ঢাকার আয়োজন ও অবস্থা নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন সৈয়দ বদরুল আহসান লেখক-গবেষক সৈয়দ বদরুল আহসান। তিনি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা ও ৬ দফা দাবি উত্থাপন থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধকালে ও স্বাধীনতা লাভের পর বঙ্গবন্ধুর অসাধারণ নেতৃত্ব সম্পর্কেও আলোকপাত করেন।

অনুষ্ঠানে ব্যারিস্টার শাহ আলী ফরহাদ নির্মিত ১৯৭১ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বিষয়ক ভিডিও ‘হোপ অ্যান্ড অ্যাসপাইরেশন: দ্য ডে ফাদার অব দ্য নেশন রিটার্নড হোম’ দেখানো হয়।

এমআরএম/জিকেএস

প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা, ভ্রমণ, গল্প-আড্ডা, আনন্দ-বেদনা, অনুভূতি, স্বদেশের স্মৃতিচারণ, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক লেখা পাঠাতে পারেন। ছবিসহ লেখা পাঠানোর ঠিকানা - [email protected]