ব্রুনাইয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালন

জমির হোসেন
জমির হোসেন জমির হোসেন , ইতালি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ০৩:৩০ পিএম, ১৬ জানুয়ারি ২০২১

বাংলাদেশ হাইকমিশন, ব্রুনাই দারুসসালাম যথাযথ মর্যাদায় সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালন করেছে।

এ উপলক্ষে হাইকমিশনের অভ্যর্থনা কক্ষে জুম অনলাইন প্লাটফর্মের মাধ্যমে বাংলাদেশ এবং ব্রুনাইয়ে অবস্থানরত অতিথিদের অংশগ্রহণে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ।

এছাড়াও উজবেকিস্তানের নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। শুরুতে দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পাঠানো বাণী পাঠ করেন হাইকমিশনার এবং দূতাবাসের কর্মকর্তারা। দিবসটির তাৎপর্য নিয়ে আলোচনায় বক্তারা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে।

বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের জনগণ প্রকৃত বিজয় উপলব্ধি করেন এই দিনে। তিনি বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নে বঙ্গবন্ধুর অবদানের কথা উল্লেখ করেন এবং জাতি গঠনে সংবিধানের তাৎপর্য সমূহের ওপর আলোকপাত করেন।

এছাড়া উন্মুক্ত আলোচনায় অধ্যাপক ইফতেখার ইকবাল বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পটভূমি নিয়ে আলোচনা করেন। অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী থেকে কিছু অংশ পাঠ করে শোনানো হয় এবং একটি ভিডিও চিত্র প্রদর্শন করা হয়।

উল্লেখ্য, বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে হাইকমিশনার বাংলাদেশের হাইজে ব্রুনাইয়ের উচ্চ বিদ্যালয় ও ব্রুনাই দারুসালামের প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং শিক্ষাবিদদের অংশগ্রহণে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে একটি আলোচনা ও ডকুমেন্টারি স্ক্রিনিংয়ের আয়োজন করা হয়।

সমাপনী বক্তব্যে হাইকমিশনার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বে বাংলাদেশ এখন বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ‘সোনার বাংলা’ তথা উন্নত ও সমৃদ্ধশালী দেশের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। হাইকমিশনার অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে অনষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

এমআরএম/এমএস

প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা, ভ্রমণ, গল্প-আড্ডা, আনন্দ-বেদনা, অনুভূতি, স্বদেশের স্মৃতিচারণ, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক লেখা পাঠাতে পারেন। ছবিসহ লেখা পাঠানোর ঠিকানা - [email protected]