বিশ্বের সবচেয়ে বড় খাদ্যপণ্যের মেলায় বাংলাদেশ

হাবিবুল্লাহ আল বাহার
হাবিবুল্লাহ আল বাহার হাবিবুল্লাহ আল বাহার জার্মানি থেকে
প্রকাশিত: ০৫:৪২ এএম, ১৩ অক্টোবর ২০২১

জার্মানির কলোনে অনুষ্ঠিত বিশ্বের সবচেয়ে বড় খাদ্যপণ্যের মেলা আনুগা বাণিজ্য মেলায় অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ। কলোন মেলা সেন্টারে ৯ অক্টোবর শুরু হওয়া এ মেলা চলবে ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত। খাদ্য ও পানীয় পণ্যশিল্পের জন্য বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বাণিজ্য মেলা এটি। এ বছর মেলায় ৯৯টি দেশ থেকে প্রায় পাঁচ হাজার কোম্পানি তাদের উৎপাদিত বিভিন্ন পণ্য প্রদর্শন করছে।

বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর সহযোগিতায় ও জার্মানির বাংলাদেশ দূতাবাসের কমার্শিয়াল কাউন্সিলর সাইফুল ইসলামের সার্বিক তত্ত্বাবধায়নে প্রথমবারের মতো মেলায় অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের উৎপাদিত বিভিন্ন পণ্য বিশ্ব বাজারে ছড়িয়ে দিতে বাংলাদেশ থেকে ছয়টি কোম্পানি অংশগ্রহণ করেছে এ বছরের আনুগা বাণিজ্য মেলায়।

jagonews24

জার্মানিতে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের কমার্শিয়াল কাউন্সিলর সাইফুল ইসলাম জানান, বাংলাদেশে উৎপাদিত খাদ্য ও কৃষিজাত পণ্য বিশ্ববাজারে ছড়িয়ে দিয়ে এই মেলায় অংশগ্রহণ জরুরী ছিল। তাই বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো আনুগা বাণিজ্য মেলায় অংশ নিয়েছে। এছাড়া এখন থেকে প্রতি বছর অংশগ্রহণ করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তিনি উল্লেখ করেন, এগ্রো প্রোডাক্ট রপ্তানিতে বাংলাদেশ বিশ্বে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। ২০০৮-০৯ অর্থবছরে এই খাতে বাংলাদেশের রপ্তানি পরিমাণ ছিল ১২২ মিলিয়ন যা ২০২০-২১ অর্থবছরে প্রায় দশগুণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০২৪ মিলিয়ন ডলার।

jagonews24

বাংলাদেশ থেকে এ বছর মেলায় অংশগ্রহণ করেছেন ডেনিশ ফুডস লিমিটেডের দেবাশিষ সিংহা, স্টার লাইন ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেডের ডিরেক্টর মো. মাইন উদ্দিন, জিশান ফুড অ্যান্ড বেভারেজের মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান ও মোহাম্মাদ শহিদুল ইসলাম এবং অভিজিত ফুড অ্যান্ড বেভারেজের সিইও মোস্তাফিজ রহমানসহ আরও কয়েকজন ব্যবসায়ী প্রতিনিধি।

বাংলাদেশ থেকে আগত ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা জানান, বিভিন্ন দেশের ক্রেতাদের সঙ্গে বাংলাদেশে উৎপাদিত পণ্যের যোগসূত্র স্থাপন করতে তারা এই মেলায় অংশ নিয়েছেন এবং বাংলাদেশে উৎপাদিত বিভিন্ন খাদ্য ও পানীয় বিশ্ব বাজারে পৌঁছে দিয়ে দেশের রপ্তানি আয় বাড়াতে তারা কাজ করছেন। মেলা থেকে আশানুরূপ সাড়া পেয়েছেন বলেও জানিয়েছেন বাংলাদেশ থেকে আগত ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা।

এআরএ

প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা, ভ্রমণ, গল্প-আড্ডা, আনন্দ-বেদনা, অনুভূতি, স্বদেশের স্মৃতিচারণ, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক লেখা পাঠাতে পারেন। ছবিসহ লেখা পাঠানোর ঠিকানা - [email protected]