জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্টে বিশ্বের বৃহত্তম বইমেলায় বাংলাদেশ

হাবিবুল্লাহ আল বাহার
হাবিবুল্লাহ আল বাহার হাবিবুল্লাহ আল বাহার জার্মানি 
প্রকাশিত: ০৬:১৯ এএম, ২১ অক্টোবর ২০২১

উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে জার্মানিতে শুরু হয়েছে ৭৩তম ফ্রাঙ্কফুর্ট আন্তর্জাতিক বইমেলা। মহামারির কারণে এবার মেলা অনেকটাই সীমিত পরিসরে হচ্ছে। এ মেলায় অংশগ্রহণ করছে ৮০টি দেশ থেকে দুই হাজার প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান।

২০১৫ সাল থেকে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় ফ্রাঙ্কফুর্ট বইমেলায় অংশগ্রহণ করছে বাংলাদেশ।  এবারও জার্মানিতে বাংলাদেশ দূতাবাসের কমার্শিয়াল কাউন্সিলর সাইফুল ইসলামের তত্ত্বাবধায়নে মেলায় বাংলাদেশ অংশ নিয়েছে। 

বৃহস্পতিবার মেলায় বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন উদ্বোধন করেছেন সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। এতে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হয়ে অংশগ্রহণ করেছেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব অসীম কুমার দে, জাতীয় গ্রন্থ কেন্দ্রের পরিচালক মিনার মনসূর, বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী উদযাপন কমিটির মিডিয়া সেল প্রধান নাসরিন আক্তার লিপিসহ অনেকে।

jagonews24

এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী জানান, জাতীর পিতার জীবন ও কর্ম বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরার লক্ষ্যে সরকার ফ্রাঙ্কফুর্ট বই মেলাকে গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে দেখছে। তাই মুক্তিযুদ্ধ এবং জাতীর পিতার ওপর রচিত চার শতাধিক বই বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নে প্রদর্শন করা হচ্ছে।

করোনা মহামারির কারণে গতবছর এই বইমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছিল ভার্চুয়ালি। সে বছর কবি, সাহিত্যিক আর প্রকাশকদের সর্ববৃহৎ এই মিলন মেলা বসার সুযোগ হয়নি। তাই এবার বইমেলার শ্লোগান ‘রি কানেক্ট- ওয়েলকাম ব্যাক টু ফ্রাঙ্কফুর্ট’। ২০ অক্টোবর শুরু হয়ে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে মেলা। 

১৯৭৬ সাল থেকে ফ্রাঙ্কফুর্ট বইমেলায় একটি দেশকে অতিথি দেশ হিসেবে সম্মান প্রদর্শন করা হয়। এবারের মেলায় অতিথি দেশ কানাডা।

ফ্রাঙ্কফুর্ট বইমেলা উদ্বোধন উপলক্ষে জার্মান পাবলিশার্স অ্যান্ড বুকসেলারস অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান কারিন শ্মিট-ফ্রিডরিখস বলেছেন, সামাজিক দূরত্ব মানে বই থেকে দূরে থাকা নয়। মহামারির সময় লোকেরা বাড়িতে বই পড়ার জন্য সময় ব্যবহার করতো।

বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- কৃষি বিজ্ঞানী বাংলাদেশ কৃষি ইনস্টিটিউটের পরিচালক ড. সোহেলা আক্তার, একুশে পদকপ্রাপ্ত জার্মান প্রবাসী কবি নাজমুন নেসা পিয়ারি, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব অসীম কুমার দে, জাতীয় গ্রন্থ কেন্দ্রের পরিচালক মিনার মনসুর, জার্মানস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের কমার্শিয়াল কাউন্সিলর সাইফুল ইসলাম, জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান মিডিয়া কর্মকর্তা নাসরীন জাহান লিপি, প্রতিমন্ত্রীর এপিএস ডা. মীর আনোয়ার হোসেনসহ প্রবাসী বাংলাদেশি সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক ও মিডিয়া ব্যক্তিত্বরা।

জেডএইচ/

প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা, ভ্রমণ, গল্প-আড্ডা, আনন্দ-বেদনা, অনুভূতি, স্বদেশের স্মৃতিচারণ, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক লেখা পাঠাতে পারেন। ছবিসহ লেখা পাঠানোর ঠিকানা - [email protected]