কানাডায় বাংলাদেশি প্রকৌশলীর কৃতিত্ব

আহসান রাজীব বুলবুল
আহসান রাজীব বুলবুল আহসান রাজীব বুলবুল , কানাডা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১১:৪৫ এএম, ২৮ জানুয়ারি ২০২২
ছবিতে প্রকৌশলী মোহাম্মদ কাদির

 

কানাডার আলবার্টার ক্যালগেরির প্রবাসী বাঙালিদের প্রিয় ব্যক্তিত্ব প্রকৌশলী মোহাম্মদ কাদির অ্যাসোসিয়েশন অব প্রফেশনাল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড জিওসায়েন্টিস্ট অব আলবার্টার (এপিইজিএ) ক্যালগেরি শাখার ভাইস-চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

একই সংগঠনে এর পূর্বে তিনি দুইবার কোষাধ্যক্ষ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনিই প্রথম বাঙালি হিসেবে এই দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। এপিইজিএ আলবার্টার প্রকৌশলী এবং জিওসাইন্স প্রফেশনের একটি রেগুলেরটি সংস্থা।

প্রকৌশলী মোহাম্মদ কাদির সিলেটের মৌলভীবাজার কুলাউড়া উপজেলায় এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম নেন। তিনি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে ১৯৮৬ সালে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে পড়ালেখা শেষ করে দেশে ১৫ বছর চাকরি করেন, এরপর তিনি কানাডায় পাড়ি জমান।

বর্তমানে তিনি কানাডার ক্যালগেরিতে বৃহৎ অয়েল কোম্পানি সানকোর ইনকরপোরেটেডে ঊর্ধ্বতন প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত। প্রকোশলী মোহাম্মদ কাদির বাংলাদেশ-কানাডা অ্যাসোসিয়েশন অব ক্যালগেরির এবং সিলেট অ্যাসোসিয়েশন অব ক্যালগেরির সহ-সভাপতি। এছাড়াও তিনি দেশ-বিদেশের বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত।

জাগো নিউজকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে প্রকোশলী মোহাম্মদ কাদির বলেন, বিশ্বের বুকে বাংলাদেশের লাল সবুজ পতাকাকে তুলে ধরার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। আমি মনে করি এই সম্মান পুরো বাঙালি জাতির।

তিনি বলেন, আমি চাই প্রবাসীরা এদেশে এসে বাংলাদেশের অর্থনীতি ও অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখুক, পাশাপাশি আমাদের প্রবাসীদেরও বাংলাদেশের সেবামূলক কর্মকাণ্ডে এগিয়ে আসতে হবে।

মানব সেবার প্রত্যয় নিয়ে এরই মধ্যে প্রকৌশলী মোহাম্মদ কাদির তার নিজ এলাকায় স্কুল প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন সেবামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত।

ব্যক্তি জীবনে মিষ্টভাষী সদালাপী প্রকৌশলী মোহাম্মদ কাদির বিবাহিত এবং দুই সন্তানের জনক তার সহধর্মিণী জাফরান জামবর্ণা এইচ জামানা একজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব। তার এই কৃতিত্বে ক্যালগেরির বিভিন্ন সংগঠন ও প্রবাসী বাঙালিরা সাধুবাদ জানিয়েছেন।

এমআরএম/জিকেএস

প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা, ভ্রমণ, গল্প-আড্ডা, আনন্দ-বেদনা, অনুভূতি, স্বদেশের স্মৃতিচারণ, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক লেখা পাঠাতে পারেন। ছবিসহ লেখা পাঠানোর ঠিকানা - [email protected]