মিশিগানে হ্যামট্রামিক সিটির কাউন্সিলম্যান হচ্ছেন মুহিত মাহমুদ

আশিক রহমান
আশিক রহমান আশিক রহমান মিশিগান যুক্তরাষ্ট্র
প্রকাশিত: ০৩:০৮ পিএম, ১৫ নভেম্বর ২০২২
ছবি- মুহিত মাহমুদ

যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান স্টেটের হ্যামট্রামিক সিটির কাউন্সিলম্যান হচ্ছেন বাংলাদেশি-আমেরিকান মুহিত মাহমুদ। এই সিটির কাউন্সিলম্যান অ্যাডাম আলবারমেকি পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়ায় তার স্থলাভিষিক্ত হওয়ার সুযোগ এসেছে গত নির্বাচনের নিকতম প্রতিদ্বন্দ্বী মুহিত মাহমুদের।

আইন অনুযায়ী এ পরিবর্তনের জন্য সিটি কাউন্সিলে এখনও কোনো রেজুলেশন পাস হয়নি। এ লক্ষ্যে আগামী ২২ নভেম্বর কাউন্সিলের সভা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সভায় অ্যাডাম আলবারমেকির অফিসিয়ালি পদত্যাগপত্র গ্রহণ ও সদস্যদের সম্মতিক্রমে স্থলাভিসিক্ত নতুন কাউন্সিলর নির্বাচিত হবে।

সংবিধানের ৪র্থ ধারা অনুযায়ী নির্বাচনে এগিয়ে থাকা নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মুহিত মাহমুদই স্থলাভিসিক্ত নতুন কাউন্সিলর নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

গত ২০২১ সালের ২ নভেম্বর হ্যামট্রামিক সিটির সর্বশেষ নির্বাচনে মুহিত মাহমুদ রেকর্ড পরিমাণ ভোট পেয়েও মাত্র ৪৯ ভোটের ব্যবধানে আলবারমেকির কাছে পরাজিত হন।

পেশাগত ক্যারিয়ারের জন্য পরিবারসহ অন্য শহরে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন অ্যাডাম আলবারমেকি। আইন অনুযায়ী কাউন্সিলম্যান হিসেবে কাজ করার জন্য অবশ্যই স্থানীয় বাসিন্দা হতে হবে।

তিনি বলেন, যেহেতু জীবন জীবিকা ও পরিবারের কারণে এই শহর ছেড়ে অন্য শহরে চলে যাচ্ছি তাই আনুষ্ঠানিকভাবে হ্যামট্রামিক সিটি কাউন্সিলর থেকে পদত্যাগ করছি।

সিলেটের গোলাপগঞ্জের কৃতি সন্তান মুহিত মাহমুদ ১৯৯৬ সালে আমেরিকা প্রবাসী হন। ২০০১ সাল থেকে মিশিগানে সপরিবারে বসবাস করছেন। তিনি পেশায় একজন সার্ভিস ইন্ডাস্ট্রিয়াল, পাশাপাশি ডেমোক্র্যাটিক পার্টির মূলধারার রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত।

তিনি দীর্ঘদিন বাংলাদেশি-আমেরিকান ডেমোক্র্যাটিক ককাস( এমআই- বিএডিসি) প্রেসিডেন্ট ছিলেন। পারিবারিক ঐতিহ্য ও রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য হিসেবে মুহিত মাহমুদ জনসেবা ও কমিউনিটি সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। তার বাবাও গোলাপগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এমনকি রেঞ্জার হিসাবে দীর্ঘ বছর দায়িত্ব পালন করেন।

এখানকার কমিউনিটি মানুষের সার্বিক সহযোগিতা, সবার উৎসাহ ও প্রেরণায় মিশিগানের হ্যামট্রামিক সিটির নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

এমআরএম/জিকেএস

প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা, ভ্রমণ, গল্প-আড্ডা, আনন্দ-বেদনা, অনুভূতি, স্বদেশের স্মৃতিচারণ, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক লেখা পাঠাতে পারেন। ছবিসহ লেখা পাঠানোর ঠিকানা - [email protected]