সব মসজিদে একই পদ্ধতিতে খতম তারাবিহ পড়ার আহ্বান


প্রকাশিত: ১১:৫৯ এএম, ০৫ জুন ২০১৬

পবিত্র রমজান মাসে খতম তারাবিহ পড়ার সময় সারাদেশে সব মসজিদে একই পদ্ধতি অনুসরণ করার জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয়েছে। রোববার ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে এ আহ্বান জানানো হয়।

এ সংক্রান্ত এক বিবৃতিতে বলা হয়, রমজানে দেশের প্রায় সব মসজিদে খতম তারাবিহ নামাজে পবিত্র কুরআনের নির্দিষ্ট পরিমাণ পারা তিলাওয়াত না করার রেওয়াজ চালু আছে। তবে কোনো কোনো মসজিদে এর ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়। এতে করে কর্ম উপলক্ষে বিভিন্ন স্থানে যাতায়াতকারী মুসল্লিদের মধ্যে কুরআন খতমের ধারাবাহিকতা রক্ষা করা সম্ভব হয় না। এই অবস্থায় ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের মধ্যে একটি অতৃপ্তি ও মানসিক চাপ অনুভূত হয়। কুরআন খতমের পূর্ণ সওয়াব থেকেও তারা বঞ্চিত হন।

এ পরিস্থিতি নিরসনকল্পে রমজানের প্রথম ৬ দিনে দেড় পারা করে ৯ পারা এবং বাকি ২১ দিনে ১ পারা করে ২১ পারা তিলাওয়াত করলে ২৭ রমজান রাতে অর্থাৎ পবিত্র লাইলাতুল কদরে কুরআন খতম করা সম্ভব। এর আগে বিষয়টি নিয়ে দেশবরেণ্য আলেম-ওলামা, পীর-মাশায়েখ ও খতিব-ইমামগণের সঙ্গে আলোচনা হলে তারাও এ পদ্ধতিতে খতম তারাবিহ পড়ার পক্ষে অভিমত দিয়েছিলেন এবং সে মোতাবেক অধিকাংশ মসজিদে এ পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়।

এ অবস্থায় দেশের সব মসজিদে খতম তারাবিহতে প্রথম ৬ দিনে দেড় পারা করে ও পরবর্তী ২১ দিনে এক পারা করে তিলাওয়াতের মাধ্যমে পবিত্র লাইলাতুল কদরে কুরআন খতমের জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে মসজিদের ইমাম, কমিটি, মুসল্লি এবং সংশ্লিষ্ট সবার কাছে অনুরোধ জানানো হয়।

উল্লেখ্য, তারাবিহ নামাজ ২০ রাকাত, যা রাসুলুল্লাহ (সা.) ও সাহাবিগণ আমল করেছেন। ইসলামের প্রথম যুগ থেকে ওলামা ও ফকিহ্গণ তা অনুসরণ করে আসছেন এবং মসজিদুল হারাম ও মসজিদুন নববীসহ সারাবিশ্বের মুসলমানগণ এভাবেই তা পালন করে আসছেন। সেইসঙ্গে তারাবিহতে কুরআন তিলাওয়াতের ক্ষেত্রে উচ্চারণ স্পষ্ট হওয়া বাঞ্ছনীয়।

এমএ/বিএ/পিআর

আপনার মতামত লিখুন :