ক্বারি আবদুল গণির ইন্তেকাল ও জানাজা

ধর্ম ডেস্ক
ধর্ম ডেস্ক ধর্ম ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০:২৬ এএম, ২৪ আগস্ট ২০১৯

উস্তাজুল কুররা ক্বারি আব্দুল গণি গতকাল শুক্রবার (২৩ আগস্ট) রাত ১.৩০ মিনিটে চট্টগ্রাম (সিএসসিআর) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)

তার মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে সরকারের মন্ত্রী, এমপি ও হেফাজতে ইসলামের নেতৃবৃন্দসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে খেদমতে থাকা কুরআন প্রেমিক আলেম-ওলামা অনুসারিরা তাকে দেখতে হাসপাতালে ছুটে আসেন। মরহুমের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

ক্বারি আব্দুল গণি ইলমে কুরআনে হাজার হাজার ক্বারি ও খাদেম তৈরি করেছেন। পুরো জীবন তিনি ইলমে কুরআনের খেদমতে অতিবাহিত করেছেন।

ক্বারি আব্দুল গণি চট্টগ্রামের জামেয়া বাবুনগর ও জামেয়া ইসলামিয়া পটিয়ায় লেখাপড়া শেষ করেন। কুরআনের উচ্চ শিক্ষাগ্রহণে তিনি পাকিস্তানে সফর করেন। সেখানে তিনি পাকিস্তানের বিখ্যাত কারি শাইখুল কুররা ক্বারি শাকের কাছে ইলমে ক্বেরাতের বিশেষ কোর্স সম্পূর্ণ করে দেশে ফিরে আসেন।

ক্বারি আব্দুল গণি দেশে ফিরে এসে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রামের জামেয়া ইসলামিয়া পটিয়ায় উচ্চতর ইলমুল ক্বেরাত ওয়াত তাজবিদ বিভাগের প্রধান হিসেবে দীর্ঘদিন কুরআনের খেদমত করেন।

১৯৭৭ সালে তিনি আনোয়ারার বখতিয়ার পাড়া তারতিলুল কুরআন মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা করেন। নিজ প্রতিষ্ঠিত মাদরাসায় তিনি জীবনের শেষদিন পর্যন্ত ইখলাসের সঙ্গে কুরআনে খেদমতে নিয়োজিত ছিলেন।

তার মৃত্যুর সংবাদে ছুটে আসেন বাংলাদেশ সরকারের ভূমি মন্ত্রী আলহাজ সাইফুজ্জামন চৌধুরী জাবেদ এমপি, লোহাগাড়া-সাতকানিয়ার সংসদ সদস্য ড. আবু রেজা নদভী, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব মুহাদ্দিস আল্লামা জুনাইদ বাবুনগরীসহ তার ভক্তবৃন্দ।

নিজ প্রতিষ্ঠিত আনোয়ারা বখতিয়ার পাড়া তারতিলুল কুরআন মাদরাসায় শুক্রবার বাদ আছর তার জানাজা সম্পন্ন হয়। জানা যায় হাজার হাজার কুরআনের খাদেম ও সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করে।

আল্লাহ তাআলা ইলমে ক্বেরাতে মহান খাদেমে জান্নাতের সর্বোচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন।

এমএমএস/জেআইএম