এবার ৭৬ দিনেই বুখারি শরিফ মুখস্থ করলেন মাওলানা মাহবুব

ধর্ম ডেস্ক
ধর্ম ডেস্ক ধর্ম ডেস্ক
প্রকাশিত: ১২:১৫ পিএম, ১৩ এপ্রিল ২০২১

রাজধানী ঢাকার পূর্বাচলের মারকাযুস সুনান মাদরাসার শিক্ষার্থী মাওলানা মাহবুবুর রহমান। মাত্র ২১ বছরের এ যুবক ৭৬ দিনে হাদিসের বিশুদ্ধ ও বিখ্যাত গ্রন্থ বুখারি শরিফ মুখস্ত করার অনন্য কৃতিত্ব অর্জন করেছেন। আলহামদুলিল্লাহ!

তরুণ শিক্ষার্থী মাওলানা মাহবুবুর রহমান মারকাযুস সুনান মাদরাসার হিফজুল হাদিস বিভাগের ছাত্র। তিনি মাত্র ২ মাস ১৬ দিনের প্রচেষ্টায় পুরো বুখারি শরিফ মুখস্ত করেছেন। বুখারি শরিফের হাফেজ মাওলানা মাহবুবুর রহমানকে গত ২৭ মার্চ মাদরাসা কর্তৃপক্ষ সংবর্ধনা দেন। মাদরাসার পক্ষ থেকে তাঁকে ল্যাপটপ পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হয়।

মাওলানা মাহবুবুর রহমানের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম রাজের সভাপতিত্বে দেশবরেণ্য ইসলামিক স্কলারদের মধ্যে শায়খ আহমাদুল্লাহ, মাওলানা রুহুল আমিন সাদি, শায়খ আব্দুল মালেক আল-মাদানি, মাদরাসার মুতাওয়াল্লী আলহাজ জহির উদ্দিনসহ অনেক আলেম ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ‍উপস্থিত ছিলেন।

ইলমে হাদিসের বিখ্যাত গ্রন্থ বুখারি মুখস্থ করা অনেক বড় অর্জন। কেননা কুরআন মুখস্থ করার চেয়ে হাদিস মুখস্থ করা অনেক কঠিন। এর কঠিন কাজটি মাত্র আড়াই মাসে সম্পন্ন করেছেন মাওলানা মাহবুবুর রহমান।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে শায়খ আহমাদুল্লাহ বুখারি শরিফের বিভিন্ন অংশ থেকে নির্বাচিত কিছু হাদিস শোনেন এবং মাওলানা হাবিবুর রহমানের হিফজ সম্পর্কিত পরীক্ষা গ্রহণ করেন।

পূর্বাচলের মারকাযুস সুন্নাহ মাদরাসা এই প্রথম বাংলাদেশে তাখাসসুস ফিল হাদিস বিভাগের বাইরে ‘হিফজুল হাদিস’ বিভাগ চালু করেছে। হাদিস মুখস্থকারী শিক্ষার্থীদের জন্য মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক মুফতি শফিকুল ইসলাম হিফজুল হাদিস বিভাগটি চালু করেন।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে ২৪ বছরের যুবক হাফেজ হাবিবুল্লাহ সিরাজী আরও কম সময়ে ৪২ দিনে পুরো বুখারি শরিফের হাদিসগুলো মুখস্থ করার কৃতিত্ব অর্জন করেন। সে সময় তিনি কুষ্টিয়া ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়-এ ‘আল-হাদিস হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ’ বিষয়ে মাস্টার্সে অধ্যয়ন করছিলেন। এর আগে হাবিবুল্লাহ সিরাজী ২০০২ সালেই পবিত্র কুরআনুল কারিমের হেফজও সম্পন্ন করেন।

আল্লাহ তাআলা ইলমে হাদিসের বিখ্যাত গ্রন্থ বুখারির শরিফ মুখস্থকারীদেরকে দুনিয়া ও পরকালের কল্যাণে এবং ইলমে হাদিসের খেদমতে কবুল করুন। আমিন।

এমএমএস/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]