জামাআত তরকের অপকারিতা


প্রকাশিত: ০৭:০৭ এএম, ০৯ জানুয়ারি ২০১৬

নামাজ জামাআতেই আদায় করতে হবে। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হায়াতে জিন্দেগিতে কখনো জামাআত ত্যাগ করেননি। কিন্তু জামাআতে নামাজ না পড়ার কারণে মানুষ কল্যাণ, হিকমাত ও রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অনুসরণ থেকে বঞ্চিত হয়। এখানে জামাআত ত্যাগ করার অপকারিতায় রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের গুরুত্বপূর্ণ দু’টি হাদিস তুলে ধরা হলো-

ক. হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, ‘হে মুসলমানগণ! আল্লাহ তোমাদের জন্য সুনানে হুদা বা হিদায়াতের পন্থা নির্ধারিত করে দিয়েছেন। আর পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাআতের সাথে মসজিদে আদায় করাই হচ্ছে সুনানে হুদা। তোমরা যদি তোমাদের ঘরে নামাজ আদায় করা শুরু কর, যেমন অমুক ব্যক্তি জামাআত ছেড়ে ঘরে নামাজ আদায় করে, তাহলে তোমরা তোমাদের নবির সুন্নাত ছেড়ে দিলে। যদি তোমরা নবির সুন্নাত ছেড়ে দাও, তাহলে হিদায়াতের পথ থেকে তোমরা বিচ্যুত হয়ে পড়বে। (মুসলিম, মিশকাত)

খ. হজরত ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, ‘যে ব্যক্তি আজান শোনার পর জামাআতে নামাজ আদায় করতে উপস্থিত না হয় এবং তার না আসার কোনো ওজরও নেই, এমতাবস্থায় তার সে নামাজ কবুল হবে না, যা সে একাকি পড়ে। জনৈক সাহাবা জানতে চাইলেন, ওজর বলতে কি বোঝায়? উত্তরে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ভয় অথবা অসুস্থতা। (আবু দাউদ)

সুতরাং আল্লাহ তাআলা উম্মাতে মুসলিমাকে জামাআতের সহিত নামাজ পড়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।

এমএমএস/এমএস

আপনার মতামত লিখুন :