এ বছরও আলোচনায় বিশ্বজিৎ-রাজীব-রাকিব-রাজন-ঐশী

মুহাম্মদ ফজলুল হক
মুহাম্মদ ফজলুল হক মুহাম্মদ ফজলুল হক , নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:৪৭ এএম, ২৮ ডিসেম্বর ২০১৭

স্ত্রীসহ পুলিশ কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান হত্যার ঘটনায় নিম্ন আদালতের রায়ের পর হাইকোর্টের আপিলে মামলার একমাত্র আসামি তাদের মেয়ে ঐশীর সাজা মৃত্যুদণ্ড থেকে কমিয়ে যাবজ্জীবন ঘোষণা করা হয়। সৌদি দূতাবাস খালাফ আল আলীকে হত্যার ঘটনায় দণ্ড বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ।

অপরদিকে, ব্লগার রাজীব হত্যা মামলায় দুইজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রয়েছে হাইকোর্টে। এ ছাড়া খুলনার শিশু রাকিব, সিলেটের রাজনের মামলারও রায় ঘোষণা করা হয়েছে চলতি বছর।

এ ছাড়া পুরান ঢাকার দর্জি বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলায় নিম্ন আদালতে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আট আসামির মধ্যে রফিকুল ইসলাম শাকিল ও পলাতক রাজন তালুকদারের ফাঁসির রায় বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। আট আসামির মধ্যে রফিকুল ইসলাম শাকিল ও পলাতক রাজন তালুকদারের ফাঁসির রায় বহাল রেখেছে হাইকোর্ট।

এসব মামলা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দ্রুত সময়ের মধ্যে বিচারিক আদালত রায় ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে গুরুত্বপূর্ণ এসব মামলার শুনানি শেষে রায় ঘোষণা করা হয়।

ব্লগার রাজিব হত্যার ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের রায় খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে ঘোষণা করা হয়েছে বলে দাবি করেন মন্ত্রীরা। যদিও রাজীবের বাবার দাবি, ছেলে হত্যার সঙ্গে জড়িত আসামিরা হাইকোর্ট থেকে খালাস পেয়েছেন। তিনি সুপ্রিম কোর্টে ওই সব আসামিদের বিরুদ্ধে আপিল করবেন।

অপরদিকে, স্ত্রীসহ পুলিশ কর্মকর্তা হত্যার আলোচিত মামলায় তাদের একমাত্র মেয়ে ঐশীর পক্ষে করা আপিলে তার দণ্ড কমেছে।

এ বিষয়ে আদালতের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জহিরুল হক জানান, মামলাগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানির জন্য কার্যতালিকায় ছিল। ব্লগার রাজিব, সিলেটের রাজন এবং খুলনার রাকিবের মামলায় ডেথ রেফারেন্স শুনানি শেষে রায় ঘোষণা করা হয়েছে।

২০১৫ সালের ১০ ও ১৯ নভেম্বর শিশু রাজন, শিশু রাকিব এবং পুলিশ কর্মকর্তা ও তার স্ত্রী হত্যা মামলায় সংশ্লিষ্ট আসামিদের মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদনের নথিপত্র হাইকোর্টে আসে। ২০১৬ সালের ১৭ জানুয়ারি ব্লগার রাজিব হত্যা মামলার বিচারিক আদালতের নথিপত্র হাইকোর্টে আসে। এরপর শুরু হয় মামলাগুলোর পেপারবুক তৈরির কাজ। খুব সংক্ষিপ্ত সময়ে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এসব মমালার পেপারবুক তৈরি করা হয়।

সৌদি দূতাবাস কর্মকর্তা খালাফ হত্যার রায় আপিলেও বহাল
ঢাকাস্থ সৌদি আরবের দূতাবাস কর্মকর্তা খালাফ আল আলীকে হত্যার দায়ে আসামি সাইফুল ইসলাম মামুনের মৃত্যুদণ্ডসহ হাইকোর্টের পুরো রায় বহাল রেখেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। ফলে অন্য তিন আসামি আল আমিন, আকবর আলী লালু ওরফে রনি ও রফিকুল ইসলাম খোকনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডও বহাল রয়েছে।

পাঁচ আসামির মধ্যে অন্যজন পলাতক সেলিম চৌধুরী ওরফে সেলিম আহমেদকে হাইকোর্টের মতোই সর্বোচ্চ আদালত থেকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়েছে।

রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের মোট চারটি আপিলের দু’দফা চূড়ান্ত শুনানির পর ১ নভেম্বর এই রায় দেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞার নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির আপিল বেঞ্চ।

এ মামলায় পাঁচ আসামিকেই মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিলেন বিচারিক আদালত। আর হাইকোর্ট তাদের মধ্যে সাইফুলের মৃত্যুদণ্ড বহাল, আল আমিন, লালু ও খোকনের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং সেলিমকে খালাস দেন।

ঐশীর সাজা কমলো হাইকোর্টে
রাজধানীর চামেলীবাগে স্ত্রীসহ পুলিশের পরিদর্শক মাহফুজুর রহমান হত্যা মামলায় তাদের মেয়ে ঐশী রহমানকে নিম্ন আদালতের দেয়া মৃত্যুদণ্ড পরিবর্তন করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দিয়ে হাইকোর্ট।

সাজা কমানোর পাঁচটি যুক্তি
এরপর ২২ অক্টোবর পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ হয়। সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ৭৮ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায়ে ঐশীর সাজা কমানোর ক্ষেত্রে পাঁচটি যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে। রায়ে বলা হয়েছে, সে (ঐশী) অস্বস্তিবোধ করছিল। তদন্তের সময় যখন তাকে (ঐশী) কোনো এক ব্যক্তি খারাপ উদ্দেশ্যে কিছু একটা বলেছিল, সে কারণে ঐশী আত্মহত্যা করতে চেয়েছিল।

ঐশীর সাজা সংশোধন করে ডেথরেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) নাকচ এবং ঐশীর আপিল ও জেল আপিল খারিজ করে হাইকোর্টের বেঞ্চ গত ৫ জুন এই রায় ঘোষণা করেন।

এক. সুস্পষ্ট উদ্দেশ্য ছাড়াই এবং মানসিক বিচ্যুতির কারণেই ঐশী জোড়া খুনের ঘটনা ঘটায় এবং সে অ্যাজমা, ওভারি সিস্টসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত।
দুই. তার (ঐশী) দাদি এবং মামাও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন।
তিন. ঘটনার সময় তার বয়স ১৯ বছরের কাছাকাছি, তখন সে সাবালকত্ব পেয়েছে মাত্র।
চার. ঐশীর বিরুদ্ধে অতীতে ফৌজদারি অপরাধের কোনো (ফৌজদারি মামলা) রেকর্ড নেই।
পাঁচ. ঘটনার দুই দিন পরই সে (ঐশী) স্বেচ্ছায় থানায় আত্মসমর্পণ করে।

রায়ে বলা হয়, মৃত্যুদণ্ডই একমাত্র দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নয়। এটি কার্যকর করলেই যে সমাজ থেকে অপরাধ দূর হয়ে যাবে, তেমনটি নয়। বরং কম সাজাও অনেক সময় সমাজ থেকে অপরাধ দূর করতে সুস্পষ্টভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

বিচারিক আদালতের রায় সম্পর্কে বলা হয়, সামাজিক অবক্ষয় বিবেচনায় নিয়ে বিচারিক আদালত কিছুটা আবেগপ্রবণ হয়ে রায় দেন, যেখানে বলা হয়েছে, একটি মেয়ে তার বাবা-মাকে নিজের হাতে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করার সাহস দেখিয়েছে। তবে সাজা নির্ধারণ ও বিচারের ক্ষেত্রে এ ধরনের আবেগ প্রদর্শনের সুযোগ নেই। কেননা আদালত আইনগত দিকগুলো ও প্রমাণাদি বিবেচনায় নেবে, কী পরিস্থিতিতে ঘটনাটি ঘটেছে, যেখানে একজন নারী ১৯ বছর বয়সে ওই কর্মকাণ্ড করেছে।

বিশ্বজিৎ হত্যা: দুইজনের মৃত্যুদণ্ড, সাজা কমে চারজনের
পুরান ঢাকার দর্জি বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলায় নিম্ন আদালতে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আট আসামির মধ্যে রফিকুল ইসলাম শাকিল ও পলাতক রাজন তালুকদারের ফাঁসির রায় বহাল রেখেছে হাইকোর্ট। পাঁচ বছর আগের আলোচিত এ মামলায় নিম্ন আদালতে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া বাকি ছয়জনের মধ্যে চারজনের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং দুজনকে খালাস দেয়া হয়েছে।

বিচারিক আদালতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পাওয়া ১৩ আসামির মধ্যে যে দুজন আপিল করেছিলেন, তারা হাইকোর্টে খালাস পেয়েছেন।
পলাতক থাকা বাকি ১১ জনের বিষয়ে হাইকোর্টের রায়ে কোনো মন্তব্য করা হয়নি। ফলে তাদের ক্ষেত্রে আগের সাজাই বহাল থাকছে।

এ মামলার ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যৃদণ্ড অনুমোদন) ও আসামিদের আপিলের শুনানি শেষে ৬ আগস্ট বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন।

২০১২ সালের ৯ ডিসেম্বর বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দলের অবরোধের মধ্যে পুরান ঢাকার বাহাদুর শাহ পার্কের কাছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের একটি মিছিল থেকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে বিশ্বজিৎকে হত্যা করা হয়।

ওই ঘটনার খবর ও ছবি সারা বিশ্বে আলোড়ন তোলে। আসামিরা সবাই ক্ষমতাসীন দলের ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠন ছাত্রলীগের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতাকর্মী হওয়ায় সরকারকে সে সময় তুমুল সমালোচনার মুখে পড়তে হয়।

হাইকোর্টের রায়ের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, ‘বর্তমানে ছাত্রনেতারা হলের রুম পর্যন্ত ভাড়া দেয়। তারা দলীয় স্বার্থে ব্যবহৃত হচ্ছে।’

রায়ে বলা হয়, ‘এটা পূর্ব পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড না হলেও আসামিদের সম্মিলিত হামলার ফলেই বিশ্বজিতের মৃত্যু হয়েছে।’

কিন্তু সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের ক্ষেত্রে ‘গাফিলতির’ কারণে নিম্ন আদালতের দেয়া সাজা হাইকোর্টে এসে কমে গেছে। সুরতহাল ও ময়নাতদন্তে আঘাতের যে বর্ণনা দেয়া হয়েছে, তার সঙ্গে আসামিদের জবানবন্দি ও সাক্ষীদের বর্ণনার মিল পায়নি আদালত।

ব্লগার রাজিব হায়দার হত্যা মামলা
গণজাগরণ মঞ্চের কর্মী ও ব্লগার আহমেদ রাজীব হায়দার হত্যার দায়ে নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র রেদোয়ানুল আজাদ রানা ও ফয়সাল বিন নাঈম ওরফে দীপের মৃত্যুদণ্ডের রায় বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট।

বিচারিক আদালতের পুরো রায়ের সঙ্গেই একমত হয়েছেন উচ্চ আদালত। ফলে মোহাম্মদ মাকসুদুল হাসান অনিকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং এহসান রেজা রুম্মান, নাঈম ইরাদ ও নাফিজ ইমতিয়াজের দশ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড বহাল রয়েছে। একইসঙ্গে বহাল রয়েছে প্রত্যেককে পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাস করে কারাদণ্ডের আদেশও।

এ ছাড়া আনসারুল্লা বাংলা টিমের প্রধান মুফতি জসীমউদ্দিন রাহমানির ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড এবং আসামি সাদমান ইয়াছির মাহমুদের ৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও দুই হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও দুই মাসের কারাদণ্ডও বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ফয়সালসহ সাতজনের আপিল ও জেল আপিল খারিজ করে ২ এপ্রিল রাজীব হত্যার ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের রায় ঘোষণা করেন হাইকোর্ট।

খুলনার শিশু রাকিব হত্যা মামলা: মৃত্যুদণ্ড কমলো দুই আসামির
খুলনার শিশু রাকিব হত্যা মামলায় সাজা কমেছে মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুই আসামির। নিম্ন আদালতের দেয়া ফাঁসির রায় সংশোধন করে তাদেরকে যাবজ্জীবন দণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট। ৪ এপ্রিল আপিলের ওপর এ রায় দেন হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ। নিম্ন আদালত আসামি শহীদ ও মিন্টু খানকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল। হাইকোর্ট এই সাজা হ্রাস করে তাদেরকে যাবজ্জীবন দণ্ড দেন। একই সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা করে উভয়কে জরিমানা করেন। ২০১৫ সালের ৩ আগস্ট খুলনার টুটপাড়া কবরখানা মোড়ে শরীফ মোটরস নামের এক মোটর গ্যারেজে শিশু রাকিবকে কমপ্রেশার মেশিনের মাধ্যমে মলদ্বারে বাতাস ঢুকিয়ে হত্যা করা হয়।

সিলেটের শিশু রাজন হত্যা: চারজনের ফাঁসি বহাল
সিলেটের সবজি বিক্রেতা শিশু শেখ সামিউল আলম রাজন হত্যার দায়ে চার আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে তিন আসামির সাত বছর করে কারাদণ্ড ও দুই আসামির এক বছর করে সাজার রায় বহাল রেখেছেন আদালত। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পাওয়া এক আসামির সাজা বদলে ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ১১ এপ্রিল হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

রাজন হত্যা মামলায় বিচারিক আদালতের রায়ে ১০ আসামির মধ্যে কামরুল ইসলাম, ময়না চৌকিদার, তাজউদ্দিন আহমদ বাদল ও পলাতক জাকির হোসেন পাভেল আহমদের ফাঁসির আদেশ হয়। হাইকোর্টেও সেই আদেশ বহাল রয়েছে।
কামরুলের সহযোগী নূর মিয়ার যাবজ্জীবন সাজা বদলে ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট। তবে এই রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করবে বলে জানিয়েছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জহিরুল হক জহির।

এ ছাড়া কামরুলের তিন ভাই মুহিত আলম, আলী হায়দার ও শামীম আহমদকে (পলাতক) সাত বছর করে কারাদণ্ড, দুলাল আহমদ ও আয়াজ আলীর এক বছর করে কারাদণ্ড বহাল রয়েছে।

পলাতক পাভেল আহমেদ ছাড়া মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অপর তিন আসামি আপিল ও জেল আপিল করেন। এছাড়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত নূর মিয়ার আপিলও ছিল। ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) ও আসামিদের করা আপিলের ওপর হাইকোর্টে শুনানি শেষে এ রায় দেয়া হয়।

এফএইচ/এমবিআর/এনএফ/আরআইপি