‘বিমানবন্দর সড়কে কি কোনো ভালো ওয়াশরুম আছে?’

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৪:৩৭ পিএম, ১৯ মে ২০২২

রাজধানীজুড়ে সড়কে যানজট তীব্র আকার ধারণ করেছে। সঙ্গে বইছে তাপপ্রবাহ। ভ্যাপসা গরমের সঙ্গে যানজট মিলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন বিভিন্ন পরিবহনের যাত্রীরা। বিশেষ করে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সড়কে আটকে থাকা যাত্রীবাহী বাসের নারী ও শিশুদের পড়তে হচ্ছে করুণদশায়।

বৃহস্পতিবার (১৯ মে) সকাল থেকেই এই যানজটের তীব্রতার কথা উঠে আসে ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক শরীফুল হাসানের ফেসবুক স্ট্যাটাসে।

তিনি বেলা ১১টার দিকে তার ফেসবুক আইডিতে লেখেন, ‘ঢাকা মানেই নিত্য দুর্ভোগ আর যানজটের দুঃসহ এক জীবন। বছরের পর বছর অপরিকল্পিত নগরায়নের মাধ্যমে এই ঢাকাকে আমরা হত্যা করেছি। যে ভিআইপিরা ভেবেছিল নিজের কোটি টাকার দামী গাড়ি থাকলেই হলো এখন তারাও রাস্তায় আটকে থাকেন, থাকেন লাখ লাখ গাড়িওয়ালা।’

‘আফসোস এতো কিছুর পরেও পরিকল্পনা করে নতুন একটা রাজধানী গড়ার বদলে মৃত এই শহরেই আমরা রোজ বাঁচার বৃথা এক যুদ্ধ করছি! আফসোস যানজট বা নগরের সমস্যাগুলো সমাধানের যথাযথ উদ্যোগ না নিয়ে আমরা চাইছি সবাই এগুলোতেই অভ্যস্ত হয়ে যাক। অথচ কোথাও রাজধানী সরাতে হবে নতুবা গণপরিবহন ব্যবস্থা ঠিক করতে হবে। এই দুই ছাড়া এই শহরকে বাঁচানোর কোন পথ নেই।’

প্রায়ই যানজট লেগে থাকে মহাখালী-বনানী থেকে উত্তরা-টঙ্গীগামী বিমানবন্দর সড়কে। সকাল ১০টার দিকে এ সড়কের যানজটে আটকে পড়ে নন্দিত নির্মাতা অমিতাভ রেজা চৌধুরী স্ট্যাটাস দেন, ‘উত্তরা থেকে বনানী রাস্তায় আজকে অনেক মজা হচ্ছে। কেউ চাইলে ঘুরে যেতে পারেন।’

আরও কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর তিনি আরেকটি স্ট্যাটাস দেন, ‘Is there any good washroom in airport road? (বিমানবন্দর সড়কে কি কোনো ভালো ওয়াশরুম আছে?’

এইচএ/এএসএ/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]