নৈতিক মানোন্নয়নে প্রতিবন্ধক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম


প্রকাশিত: ০৪:০১ পিএম, ১৮ জুলাই ২০১৬

সামাজিক যোগাযোগ তরুণদের মাধ্যম নৈতিকে মানোন্নয়নে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে বলে মনে করছেন অভিভাবকরা। সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের অভিভাবকদের উপর চালানো এক জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে। খবর বিবিসির।

১৭০০ অভিভাবক যাদের সন্তানদের বয়স ১১ থেকে ১৭ এর মধ্যে জরিপে তাদের ৫৫ শতাংশ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিষোদগার করে বলেছেন, স্যোশাল মিডিয়ার প্রভাবে ছেলে-মেয়েরা দিন দিন তাদের নৈতিক মান হারাচ্ছে।

বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫০তম জয়ন্তী উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়টির চরিত্র ও গুণাবলি নিয়ে গবেষণার অংশ হিসেবে এ জরিপ চালানো হয়।

গবেষক ব্লেয়ার মরগান জানান, গবেষণায় উঠে আসা কিছু কিছু তথ্য বিস্ময়ের সৃষ্টি করে।

তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নৈতিক মানোন্নয়ন যা হয় তার পরিমাণ খুবই ক্ষীণ। কিছু অভিভাবক স্বীকার করেছেন যে, ইতিবাচক চরিত্র ভালোবাসা, সাহস  এবং দয়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো দ্বারাও বৃদ্ধি পায়। তবে তারা এ কথা মানতে নারাজ যে তাদের সন্তানদের চরিত্রে এ সাইটগুলোর কোনো ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

বিবিসির প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারের ন্যূনতম বয়স ১৩ হলেও ১০ বছর বয়সী শিশুরাও তা ব্যবহার করছে। গবেষণার সময় এ বিষয়েও অভিভাবকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।

উত্তরদাতাদের ৯৩ শতাংশই ছিলেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের নিয়মিত ব্যবহারকারী। তাদের মধ্যে মাত্র ১৫ শতাংশ বলেছেন যে, এর কোনো ইতিবাচক দিক রয়েছে।৪০ শতাংশ এর বিরূপ প্রভাবের ফলে তরুণদের ভবিষ্যত নিয়ে উদ্বিগ্ন।

এসময় ওইসব অভিভাবকদের জিজ্ঞেস করা হয়- আপনারা নিজেরা গত এক মাসে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কোন কোন খারাপ দিকগুলো দেখেছেন?

৬০ শতাংশ বলেন, তারা রাগ এবং শত্রুতা দেখেছেন।

৫১ শতাংশ বলেন, তারা দাম্ভিকতা তথা অহংকার দেখেছেন।

৪১ শতাংশ খারাপ বিচার (বাজে মন্তব্য) লক্ষ্য করেছেন।

৩৬ শতাংশ ঘৃণা এবং ৩০ শতাংশ অসারতা লক্ষ্য করেছেন।

এভাবেই বেশ কয়েকটি প্রশ্নের এমন নেতিবাচক জবাবই এসেছে। তবে তারা স্বীকার করেন মাসে অন্তত একদিন তারা ভালো কিছু পেয়েছেন।

এসএইচএস/পিআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]