আমেরিকার রাজনৈতিক ব্যবস্থার অনেক কুৎসিত দিক সামনে চলে এসেছে

সায়েম সাবু
সায়েম সাবু সায়েম সাবু , জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:৪৩ পিএম, ১৫ জানুয়ারি ২০২১

আলতাফ পারভেজ। দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক ইতিহাস বিষয়ক গবেষক। লিখছেন রাজনীতি ও আন্তর্জাতিক নানা প্রসঙ্গে। যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন পরবর্তী পার্লামেন্ট ভবন বা ক্যাপিটল হিলে পরাজিত প্রার্থী অর্থাৎ বিদায়ী প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সমর্থকদের হামলা, নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের আসন্ন শপথানুষ্ঠান, যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতির বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ—এমন নানান বিষয় নিয়ে মুখোমুখি হয়েছেন জাগো নিউজের। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন সায়েম সাবু

জাগো নিউজ: যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটল হিলে ট্রাম্প সমর্থক হামলার ঘটনা আপনাকে অবাক করেছে কি-না?

আলতাফ পারভেজ: করেছে এবং করেনি—দুটোই। অবাক হয়েছি, কারণ ট্রাম্প সমর্থকদের তরফ থেকে এরকম প্রতিবাদ অভাবনীয়। একদম দেশের প্রেসিডেন্ট যখন পার্লামেন্ট ভবন দখলের মতো আয়োজনে যুক্ত হয়ে পড়েন— এবং সেটা যদি হয় যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশে, তা অবশ্যই অবাক করে। কারণ সেখানে রাজনৈতিক পদ ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে আমরা অনেক পুরনো ও পরিণত হিসেবে জানি।

আবার এই ঘটনায় খুব অবাক হইনি এ কারণে যে, শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্ববাদীরা কিছু একটা করতোই এবং সামনে আরও অনেক কিছু করবে। আমরা যেন মনে না করি, ৬ জানুয়ারি একটা দুর্ঘটনা ছিল এবং সে রকম আর কিছু ঘটবে না।jagonews24যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটল হিলে পরাজিত প্রার্থী অর্থাৎ বিদায়ী প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সমর্থকদের হামলা বিশ্বজুড়ে সমালোচনার ঝড় তুলেছে

জাগো নিউজ: অভিশংসনের মুখোমুখি হলেন ট্রাম্পকী হতে পারে ফলাফল?

আলতাফ পারভেজ: এটা অনুমান করা কঠিন এবং এটা কতটা প্রজ্ঞাপূর্ণ একটা সিদ্ধান্ত—সে বিষয়েও সন্দেহ করা যায়। প্রথমত হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস থেকে বিষয়টি যাবে সিনেটে। এ ক্ষেত্রে দুটি নেগেটিভ ব্যাপার আছে। একটা হলো সময় এবং আরেকটা হলো ইমপিচমেন্টের (অভিশংসন) বিষয়ে সিনেটে দুই দলের প্রতিনিধিদের সমর্থন ও বিরোধিতার প্রশ্ন। ট্রাম্প সমর্থকদের আচরণে রিপাবলিকান অনেক নেতাও ক্ষুব্ধ—এটা সত্য। কিন্তু তারা যে ইমপিচমেন্টকে সমর্থন দেবেন এমনও নাও হতে পারে। আবার ইতোমধ্যে ট্রাম্প কিন্তু মেয়াদ শেষে বিদায়ও নিচ্ছেন। সুতরাং যেটা মনে হচ্ছে হতে পারে—তা হলো ট্রাম্পকে আরেক মেয়াদে নির্বাচন করতে বাধা দেয়ার মতো কোনো উদ্যোগ বেরিয়ে আসতে পারে ইমপিচমেন্ট প্রক্রিয়া থেকে। এরকম একটা প্রস্তাবের প্রতি অনেক রিপাবলিকান নেতার সমর্থন থাকবে মনে হয়। তবে সেটাও অনেক সময়সাপেক্ষ হবে। এটা আবার একটা খারাপ নজিরই হবে। ট্রাম্পের প্রতি বিপুল সমর্থন একটা সামাজিক ঘটনা। ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকানদেরও একটা অংশ সেটা সামাজিকভাবে মোকাবিলা করার কাজটি এড়িয়ে ট্রাম্পকে যদি এভাবে রাজনীতি থেকে দূরে রাখতে চায়—সেটাও একটা ক্যু’র মতো ব্যাপারই দাঁড়ায়।

জাগো নিউজ: জো বাইডেনের অভিষেকের দিন সংঘাত বাড়ার শঙ্কাবোধ করছেন?

আলতাফ পারভেজ: হতে পারে, নাও পারে। তবে সেদিন বাড়তি নিরাপত্তা তো থাকবেই। তাতে করে হয়তো ওই যাত্রায় খারাপ কিছু হবে না। কিন্তু আমি শুরুতেই বলেছি, ৬ জানুয়ারি তাড়া করবে আমেরিকাকে এবং ডেমোক্র্যাটদের। আমেরিকার রাজনীতি আসন্ন দিনগুলোতে শান্তিপূর্ণ নাও থাকতে পারে। অভাবনীয় অনেক অঘটন ঘটতে পারে। কারণ সেখানে নেতৃত্বের ব্যর্থতা ও রাজনৈতিক ব্যবস্থার অনেক কুৎসিত দিক জনসম্মুখে চলে এসেছে। আমেরিকার যেটাকে মূলধারার রাজনীতি বলা হয়—তারা দেশটির মাঠের বাস্তবতা আড়াল করে রেখেছিলেন এতদিন। সেটা এখন উদোম হয়ে গেছে। এটা প্রধান দুই দলের ক্ষেত্রেই ঘটেছে।jagonews24যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও বিদায়ী প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

জাগো নিউজ: যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতির সাম্প্রতিক এসব ঘটনায় বর্ণবাদী ঘৃণা বাড়বে কি-না? অভিবাসীদের জীবন কি আরও অনিশ্চয়তায় পড়ে যাবে? কী ঘটতে যাচ্ছে? 

আলতাফ পারভেজ: ডেমোক্র্যাটরা ক্ষমতায় আসায় অভিবাসীদের জন্য পরিস্থিতি সুবিধাজনক হবে। কিন্তু একইসঙ্গে দেশটা যেহেতু দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়ছে, সে কারণে বর্ণঘৃণা এবং অভিবাসনবিরোধী সামাজিক মনোভাবও বাড়তে পারে। করোনাভাইরাসের কারণে অনেক মিশ্র প্রবণতা আছে। অর্থনীতিতে সংকট আছে। এটা বাড়লে অভিবাসন নীতি রক্ষণশীল মোড় নিতে পারে। রাজনীতিতে কৃষ্ণাঙ্গদের একটা শক্ত অবস্থান বর্ণবাদপ্রশ্নে আমেরিকাকে আরও আলোড়িত করবে। বাইডেন বা ডেমোক্র্যাটরা সহজে বর্ণঘৃণার প্রকোপ কমাতে পারবে বলে মনে হয় না। কারণ তাহলে শ্বেতাঙ্গদের মাঝে তাদের জনসমর্থনের ভিত দুর্বল হয়ে যাবে। এমনকি দেশটির গুরুত্বপূর্ণ সংস্থাগুলোতেও শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্বের প্রভাব রয়েছে। আমেরিকা তার ইতিহাসের গভীর এবং অনিবার্য এক পরিস্থিতির মুখোমুখি আজ। এটার মুখোমুখি আমেরিকাকে হতেই হতো—আজ কিংবা কাল। আপাতত সেই মুহূর্তটি চলে এসেছে। এটা আমাদের মনে করিয়ে দিচ্ছে—শ্বেতাঙ্গরা এই দেশটা গড়ে তুললেও তারা এখানে বহিরাগত ছিল। পাশাপাশি দাস ব্যবস্থার নোংরা অতীতও ঐতিহাসিক জবাবদিহির প্রশ্ন নিয়ে হাজির হয়েছে।

জাগো নিউজ: সৌদি আরব-ইসরায়েল প্রশ্নে জো বাইডেন কী নীতি গ্রহণ করতে পারেন?

আলতাফ পারভেজ: ট্রাম্পের চেয়ে ভালো কিছু আশা করতে পারি আমরা। গত কয়েক বছরের মতো অন্ধ ইসরায়েল তোষণ হয়তো আর হবে না। তবে এটা কেবল অনুমান। কারণ ইসরায়েল বাইডেনের মধ্যপ্রাচ্য নীতি-কৌশলকে স্যাবোটাজ (বিনষ্ট) করতে সমর্থ। সে চেষ্টা তারা করবে। ইতোমধ্যে এক দফা করেছেও ইরানে।jagonews24ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্ষমতাকালে যুক্তরাষ্ট্রে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্ববাদীরা, যাদের কার্যকলাপের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হন আমেরিকানরাই

জাগো নিউজ: যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ইরানকে স্বস্তি দিচ্ছে কি-না? আমেরিকার নতুন সরকার ইরানের সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নে জোর দেবে কি?

আলতাফ পারভেজ: বাইডেনের ইরান-নীতিতেও কিছু পরিবর্তন আশা করা হচ্ছে। বাইডেন হয়তো ইরানের সঙ্গে আলোচনায় ফিরতে চাইবেন। তবে সঙ্গে ইরানকে ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তির বিকাশ বন্ধ করতে বলা হবে। ইরান সেটা করবে বলে মনে হয় না। সেক্ষেত্রে পরিস্থিতি বাড়তি খারাপ না হলেও পুরনো অবরোধ এবং অচলাবস্থা অব্যাহত থাকতে পারে। বাইডেনের পক্ষে ইরান-নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন কতটা সম্ভব—সে বিষয়ে এ কারণেও সন্দেহ করা যায় যে, মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশ এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের যে কোনো নীতিগত পরিবর্তনের বিরোধিতা করবে। এই দেশগুলোও ওয়াশিংটনের জন্য কম দরকারি নয়। তাছাড়া মধ্যপ্রাচ্য আর আগের মতো যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতির ভরকেন্দ্র থাকছে না। সেটা এখন চীন দখল করে নিয়েছে।

জাগো নিউজ: চীনের উত্থান ঠেকানোর সক্ষমতা দেখাতে পারবেন কি বাইডেন?

আলতাফ পারভেজ: এটা কঠিন। অন্তত অর্থনৈতিক পরিসরে। তবে নলেজ ওয়ার্ল্ডে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্ব আরও দীর্ঘ সময় থাকবে বলে মনে করি। প্রযুক্তি ও অর্থবিত্তে চীন যতই বড় হয়ে উঠুক—বিশ্বের সামনে সে এখনো নৈতিক নেতৃত্বের দাবি প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়নি। অর্থকড়ির বাইরে চীন বিশ্ববাসীকে এমন কিছু দিতে পারছে না—যা বিশ্বের রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে আরেকটু গণতন্ত্রময় করে তুলবে। আমি বলছি না ওয়াশিংটন বিশ্বজুড়ে গণতন্ত্রের বিকাশে মহান কোনো ভূমিকা রেখেছে। কিন্তু আমেরিকার সমাজে গণতান্ত্রিক কিছু মূল্যবোধের কথা অন্তত উচ্চারিত হয়। সেখানে বিপুল মানুষ এখনো যুদ্ধের বিরুদ্ধে, বর্ণঘৃণার বিরুদ্ধে রাস্তায় নামে। এখনো তাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোই সেরা। এসবই দেশটির শক্তির জায়গা। সৌন্দর্যের জায়গা। চীন এসবে এখনো পিছিয়ে। মানবাধিকার নিয়ে চীন চিন্তিত নয়। তার প্রধান লক্ষ্য কেবল বাণিজ্য। এ দিয়ে দুনিয়ার নৈতিক নেতৃত্ব পাওয়া কঠিন।jagonews24জো বাইডেনের নেতৃত্বাধীন যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন ইরানের সঙ্গে আলোচনায় ফিরতে চাইবে বলে মনে করছেন অনেক বিশ্লেষক

জাগো নিউজ: পাকিস্তান-নীতিতে জো বাইডেন কী করতে পারেন?

আলতাফ পারভেজ: এটা এখনই অনুমান করা কঠিন। পাকিস্তান-নীতির সঙ্গে জড়িত আছে অনেকগুলো ফ্যাক্টর। আফগানিস্তান বিষয়ে আমেরিকার নীতি এবং ভারত বিষয়ে আমেরিকার নীতি এক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তার করবে। আবার পাকিস্তান চীনের বন্ধু হওয়ায় তাদের পক্ষেও আমেরিকার দিকে গভীরভাবে হেলে পড়ার সুযোগ নেই। তবে পাকিস্তান বিষয় প্রভাবিত হবে মূলত আফগানিস্তানে মার্কিন নীতি কী হবে সেটা দ্বারা। তালেবানদের সঙ্গে চলমান আলোচনা থেকে যুক্তরাষ্ট্র হয়তো বের হতে চাইবে না। সেক্ষেত্রে ওয়াশিংটন ও ইসলামাবাদের মাঝে বর্তমান ধারার সম্পর্ক বজায় থাকার সম্ভাবনাই বেশি। নাটকীয় আর কিছু আশা করা যায় না। একই কথা বলা যায় বাংলাদেশ ও ভারতের ক্ষেত্রেও। বাইডেন প্রশাসনের চীন-নীতি এসব দেশের সঙ্গে তাদের সম্পর্ককে প্রভাবিত করবে।

নতুন মার্কিন প্রেসিডেন্টের অগ্রাধিকার হবে দেশটির অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি। একদিকে শ্বেতাঙ্গ-কৃষ্ণাঙ্গ সংকট; অন্যদিকে কোভিড-১৯ এবং অর্থনীতি। এই দুই সমস্যা সামলে তারপর স্বভাবত প্রধান অগ্রাধিকার হবে চীন। বাংলাদেশ-পাকিস্তান-ভারতের প্রসঙ্গ খুব শিগগির বাইডেন প্রশাসন আমলে নেবে বলে মনে হয় না। তবে বিদেশ নীতির ক্ষেত্রে নতুন প্রশাসন পূর্বের মতো অতিরক্ষণশীল অবস্থান নেবে না বলেই অঙ্গীকার করে আসছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতেরও পরস্পরকে খুব দরকার। যুক্তরাষ্ট্রের দিক থেকে চীনের কারণে, আর ভারতের জন্য বিশেষভাবে কাশ্মীরের কারণেও। কাশ্মীর প্রশ্নে ওয়াশিংটনের চুপ থাকার নীতিতে পরিবর্তন ঘটতে পারে। এটা নরেন্দ্র মোদি প্রশাসনের জন্য বড় এক উদ্বেগের বিষয় হয়ে আছে।

এএসএস/এইচএ/জেআইএম

শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্ববাদীরা সামনে আরও অনেক কিছু ঘটাবে

ট্রাম্পকে আরেক মেয়াদে নির্বাচন করতে বাধা দেয়ার মতো কোনো উদ্যোগ বেরিয়ে আসতে পারে ইমপিচমেন্ট প্রক্রিয়া থেকে

ডেমোক্র্যাটরা ক্ষমতায় আসায় অভিবাসীদের জন্য পরিস্থিতি সুবিধাজনক হবে

গত কয়েক বছরের মতো অন্ধ ইসরায়েল তোষণ হয়তো আর হবে না

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

১১,৪৩,৭৯,৯১৯
আক্রান্ত

২৫,৩৭,৫৮৬
মৃত

৮,৯৯,৩১,০৮৪
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৫,৪৫,৮৩১ ৮,৪০০ ৪,৯৬,১০৭
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২,৯২,০২,৮২৪ ৫,২৪,৬৬৯ ১,৯৬,৩২,৫২৫
ভারত ১,১০,৯৬,৭৩১ ১,৫৭,০৮৭ ১,০৭,৭৫,১৬৯
ব্রাজিল ১,০৫,১৭,২৩২ ২,৫৪,২৬৩ ৯৩,৮৬,৪৪০
রাশিয়া ৪২,৩৪,৭২০ ৮৫,৭৪৩ ৩৭,৯৯,৪০৬
যুক্তরাজ্য ৪১,৭০,৫১৯ ১,২২,৭০৫ ২৮,৪৬,২০৮
ফ্রান্স ৩৭,৩৬,০১৬ ৮৬,৩৩২ ২,৫৪,৮৬৮
স্পেন ৩১,৮৮,৫৫৩ ৬৯,১৪২ ২৬,৪৭,৪৪৬
ইতালি ২৯,০৭,৮২৫ ৯৭,৫০৭ ২৩,৯৮,৩৫২
১০ তুরস্ক ২৬,৯৩,১৬৪ ২৮,৫০৩ ২৫,৬৫,৭২৩
১১ জার্মানি ২৪,৪৪,১৭৭ ৭০,৫৮৯ ২২,৪৩,২০০
১২ কলম্বিয়া ২২,৪৮,১৩৫ ৫৯,৬৬০ ২১,৪৫,৪৫০
১৩ আর্জেন্টিনা ২১,০৪,১৯৭ ৫১,৯৪৬ ১৮,৯৯,০৮৭
১৪ মেক্সিকো ২০,৮৪,১২৮ ১,৮৫,২৫৭ ১৬,৩০,০০২
১৫ পোল্যান্ড ১৬,৯৬,৮৮৫ ৪৩,৬৫৬ ১৪,১৪,৪৬১
১৬ ইরান ১৬,২৩,১৫৯ ৫৯,৯৮০ ১৩,৮৬,৫৩৪
১৭ দক্ষিণ আফ্রিকা ১৫,১২,২২৫ ৪৯,৯৪১ ১৪,২৯,০৪৭
১৮ ইউক্রেন ১৩,৪২,০১৬ ২৫,৮৯৩ ১১,৬৮,৩২১
১৯ ইন্দোনেশিয়া ১৩,২৯,০৭৪ ৩৫,৯৮১ ১১,৩৬,০৫৪
২০ পেরু ১৩,২৩,৮৬৩ ৪৬,২৯৯ ১২,২৫,৯৯৪
২১ চেক প্রজাতন্ত্র ১২,২৭,৫৯৫ ২০,১৯৪ ১০,৬৪,০২২
২২ নেদারল্যান্ডস ১০,৮৪,০২১ ১৫,৫৪৩ ২৫০
২৩ কানাডা ৮,৬৪,১৯৬ ২১,৯৬০ ৮,১১,৩৭২
২৪ চিলি ৮,২১,৪১৮ ২০,৪৭৬ ৭,৭৬,৯৫৫
২৫ পর্তুগাল ৮,০৩,৮৪৪ ১৬,২৭৬ ৭,১৭,৩১৩
২৬ রোমানিয়া ৭,৯৯,১৬৪ ২০,২৮৭ ৭,৩৮,৫৬৯
২৭ ইসরায়েল ৭,৭৩,৩৩৫ ৫,৭৩২ ৭,২৭,৮০২
২৮ বেলজিয়াম ৭,৬৯,৪১৪ ২২,০৫২ ৫২,৩৫৯
২৯ ইরাক ৬,৯২,২৪১ ১৩,৩৮৩ ৬,৩২,৯৯৮
৩০ সুইডেন ৬,৫৭,৩০৯ ১২,৮২৬ ৪,৯৭১
৩১ পাকিস্তান ৫,৭৯,৯৭৩ ১২,৮৬০ ৫,৪৫,২৭৭
৩২ ফিলিপাইন ৫,৭৪,২৪৭ ১২,২৮৯ ৫,২৪,৮৬৫
৩৩ সুইজারল্যান্ড ৫,৫৪,৯৩২ ৯,৯৬৬ ৫,০৭,৮৫৬
৩৪ মরক্কো ৪,৮৩,৪১০ ৮,৬১৫ ৪,৬৮,৮০৭
৩৫ অস্ট্রিয়া ৪,৫৭,৩১৭ ৮,৫৩৮ ৪,২৮,৯০৪
৩৬ সার্বিয়া ৪,৫৬,৪৫০ ৪,৪২৯ ৪,০০,৩৪৭
৩৭ জাপান ৪,৩০,৫৩৯ ৭,৮০৭ ৪,০৮,০২০
৩৮ হাঙ্গেরি ৪,২৪,১৩০ ১৪,৯০২ ৩,১৯,৬৯১
৩৯ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৩,৮৮,৫৯৪ ১,২১৩ ৩,৭৯,৭০৮
৪০ জর্ডান ৩,৮৬,৪৯৬ ৪,৬৭৫ ৩,৪৬,২৮৭
৪১ সৌদি আরব ৩,৭৭,০৬১ ৬,৪৮৮ ৩,৬৮,০১১
৪২ লেবানন ৩,৭২,৭৯২ ৪,৬৫২ ২,৮৮,৫০৫
৪৩ পানামা ৩,৪০,৪৪৫ ৫,৮৩১ ৩,২৫,৪৯১
৪৪ স্লোভাকিয়া ৩,০৬,২৬৮ ৭,০৭৫ ২,৫৫,৩০০
৪৫ মালয়েশিয়া ২,৯৮,৩১৫ ১,১২১ ২,৭০,১৬৬
৪৬ বেলারুশ ২,৮৫,৯৫৯ ১,৯৬৬ ২,৭৬,২৩৪
৪৭ ইকুয়েডর ২,৮৪,৩৪৭ ১৫,৭৭৯ ২,৩৮,৮১৭
৪৮ নেপাল ২,৭৪,০৬৫ ২,৭৭৩ ২,৭০,৩২৫
৪৯ জর্জিয়া ২,৭০,৫১০ ৩,৪৯৯ ২,৬৪,৫৮৯
৫০ বলিভিয়া ২,৪৮,৫৪৭ ১১,৬২৮ ১,৯২,৫৫৩
৫১ বুলগেরিয়া ২,৪৬,৭০৬ ১০,১৬৭ ২,০৫,১৩৭
৫২ ক্রোয়েশিয়া ২,৪২,৬১৭ ৫,৫১১ ২,৩৩,৮৯০
৫৩ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ২,৩৯,০০৯ ৩,০৯৩ ১,৯০,২৯৫
৫৪ আজারবাইজান ২,৩৪,২৬৭ ৩,২১৮ ২,২৮,৬৫১
৫৫ তিউনিশিয়া ২,৩২,৬১৫ ৭,৯৭৪ ১,৯৭,৬১৯
৫৬ আয়ারল্যান্ড ২,১৮,৯৮০ ৪,৩১৩ ২৩,৩৬৪
৫৭ কাজাখস্তান ২,১২,৮০৯ ২,৫৪০ ১,৯৬,৫৪৩
৫৮ ডেনমার্ক ২,১০,৭৩২ ২,৩৫৮ ২,০১,৮৪৮
৫৯ কোস্টারিকা ২,০৪,৩৪১ ২,৮০০ ১,৭৭,০৯৯
৬০ লিথুনিয়া ১,৯৭,৩৪৩ ৩,২৩৪ ১,৮৩,৩২৪
৬১ কুয়েত ১,৮৯,৮৯০ ১,০৭৮ ১,৭৮,১৯৭
৬২ গ্রীস ১,৮৯,৮৩১ ৬,৪৬৮ ১,৬৫,৭১৮
৬৩ স্লোভেনিয়া ১,৮৯,৬২৭ ৩,৮৩৬ ১,৭৫,২১০
৬৪ মলদোভা ১,৮৪,৮৫৬ ৩,৯২৪ ১,৬৫,৪৮৯
৬৫ ফিলিস্তিন ১,৮১,৯০৯ ২,০২৫ ১,৬৬,১১৯
৬৬ মিসর ১,৮১,৮২৯ ১০,৬৩৯ ১,৪০,৪৬০
৬৭ গুয়াতেমালা ১,৭৪,৩৩৫ ৬,৩৭৪ ১,৬১,১২৯
৬৮ আর্মেনিয়া ১,৭১,৭৯৩ ৩,১৯০ ১,৬৩,৩০৯
৬৯ হন্ডুরাস ১,৬৯,৭৫৪ ৪,১৪১ ৬৬,৪৪৭
৭০ কাতার ১,৬৩,১৯৭ ২৫৭ ১,৫৩,২১৯
৭১ প্যারাগুয়ে ১,৫৮,৫৩৭ ৩,১৬৭ ১,৩২,৪৪৫
৭২ ইথিওপিয়া ১,৫৮,০৫৩ ২,৩৫৪ ১,৩৪,৭৩৬
৭৩ নাইজেরিয়া ১,৫৫,৪১৭ ১,৯০৫ ১,৩৩,২৫৬
৭৪ মায়ানমার ১,৪১,৮৯০ ৩,১৯৯ ১,৩১,৪৫৪
৭৫ ওমান ১,৪০,৫৮৮ ১,৫৬২ ১,৩১,৬৮৪
৭৬ ভেনেজুয়েলা ১,৩৮,৭৩৯ ১,৩৪১ ১,৩০,৮৩৪
৭৭ লিবিয়া ১,৩২,৪৫৮ ২,১৭৪ ১,১৯,৪৯২
৭৮ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ১,৩০,৯৭৯ ৫,০৭১ ১,১৫,৮৪৭
৭৯ বাহরাইন ১,২১,৭৭৮ ৪৪৪ ১,১৪,৪৭২
৮০ আলজেরিয়া ১,১২,৯৬০ ২,৯৭৯ ৭৭,৯৭৬
৮১ আলবেনিয়া ১,০৬,২১৫ ১,৭৭৫ ৬৮,৯৬৯
৮২ কেনিয়া ১,০৫,৬৪৮ ১,৮৫৪ ৮৬,৬০৯
৮৩ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ১,০২,৪৮২ ৩,১২৬ ৯১,০৬৬
৮৪ চীন ৮৯,৮৯৩ ৪,৬৩৬ ৮৫,০৩৯
৮৫ দক্ষিণ কোরিয়া ৮৯,৬৭৬ ১,৬০৩ ৮০,৬৯৭
৮৬ কিরগিজস্তান ৮৬,২২৯ ১,৪৯৮ ৮৩,১৭৯
৮৭ লাটভিয়া ৮৫,৮১০ ১,৬১৪ ৭৪,৮৩৯
৮৮ শ্রীলংকা ৮২,৮৯০ ৪৬৪ ৭৮,৩৭৩
৮৯ ঘানা ৮২,৫৮৬ ৫৯৪ ৭৬,৫৭৩
৯০ উজবেকিস্তান ৭৯,৮৮৬ ৬২২ ৭৮,৪৪২
৯১ জাম্বিয়া ৭৮,২০২ ১,০৮১ ৭৩,৬০৯
৯২ মন্টিনিগ্রো ৭৫,৩৩২ ৯৯৯ ৬৫,৭৮০
৯৩ নরওয়ে ৭০,৮২৬ ৬২২ ৬৩,৭৮৩
৯৪ এস্তোনিয়া ৬৪,৩৯৯ ৫৮৪ ৪৯,৭০৯
৯৫ সিঙ্গাপুর ৫৯,৯২৫ ২৯ ৫৯,৮১৬
৯৬ এল সালভাদর ৫৯,৮৬৬ ১,৮৫৪ ৫৫,৩১২
৯৭ মোজাম্বিক ৫৮,৭৭২ ৬৩০ ৪০,৭৬১
৯৮ উরুগুয়ে ৫৭,৩৬২ ৬০৩ ৪৯,৪৬৬
৯৯ ফিনল্যাণ্ড ৫৭,০৫২ ৭৪২ ৪৬,০০০
১০০ আফগানিস্তান ৫৫,৭১৪ ২,৪৪৩ ৪৯,২৮৮
১০১ লুক্সেমবার্গ ৫৫,৩১৩ ৬৩৭ ৫১,৪৮৭
১০২ কিউবা ৪৯,১৬১ ৩১৮ ৪৪,৫৬৬
১০৩ উগান্ডা ৪০,৩৩৫ ৩৩৪ ১৪,৬১৬
১০৪ নামিবিয়া ৩৮,৬৪২ ৪২০ ৩৬,২২০
১০৫ জিম্বাবুয়ে ৩৬,০৫৮ ১,৪৬৩ ৩২,৫৯০
১০৬ ক্যামেরুন ৩৫,৭১৪ ৫৫১ ৩২,৫৯৪
১০৭ সাইপ্রাস ৩৪,৪২৪ ২৩১ ২,০৫৭
১০৮ সেনেগাল ৩৪,২৫৫ ৮৬৬ ২৮,৬১১
১০৯ আইভরি কোস্ট ৩২,৬৩১ ১৯২ ৩১,৫১৬
১১০ মালাউই ৩১,৭৯৮ ১,০৪১ ১৮,৪২৪
১১১ অস্ট্রেলিয়া ২৮,৯৭০ ৯০৯ ২৬,১৬৮
১১২ বতসোয়ানা ২৮,৩৭১ ৩১০ ২৩,২৪৪
১১৩ সুদান ২৮,৩৩৪ ১,৮৮০ ২২,৮৮৭
১১৪ থাইল্যান্ড ২৫,৯৫১ ৮৩ ২৫,১২৮
১১৫ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ২৫,৭৯২ ৭০৭ ১৮,৯৫১
১১৬ জ্যামাইকা ২২,৮১৭ ৪১৭ ১৩,৩১৮
১১৭ মালটা ২২,২১৯ ৩১৩ ১৯,২৫৫
১১৮ অ্যাঙ্গোলা ২০,৭৮২ ৫০৬ ১৯,৩১৫
১১৯ মাদাগাস্কার ১৯,৮৩১ ২৯৭ ১৯,২৯৬
১২০ মালদ্বীপ ১৯,৫৯৭ ৬১ ১৭,১৩২
১২১ রুয়ান্ডা ১৮,৭৯০ ২৬১ ১৭,৩০৭
১২২ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ১৮,৩৮৭ ১৩৯ ৪,৮৪২
১২৩ মৌরিতানিয়া ১৭,১৯৬ ৪৪০ ১৬,৫৪২
১২৪ ইসওয়াতিনি ১৭,০০২ ৬৫০ ১৪,৪৪৬
১২৫ মায়োত্তে ১৬,৮৬১ ১০৯ ২,৯৬৪
১২৬ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ১৬,৬২৭ ৮৫ ৯,৯৯৫
১২৭ গিনি ১৫,৮৯৪ ৮৯ ১৪,৮৭৯
১২৮ সিরিয়া ১৫,৫৩৩ ১,০২৩ ৯,৭১৭
১২৯ কেপ ভার্দে ১৫,৩২৪ ১৪৭ ১৪,৭৮৪
১৩০ গ্যাবন ১৪,৫৬৪ ৮৩ ১৩,১৪৩
১৩১ তাজিকিস্তান ১৩,৩০৮ ৯০ ১৩,২১৮
১৩২ হাইতি ১২,৪৪৮ ২৪৯ ৯,৭১২
১৩৩ রিইউনিয়ন ১২,৪১৬ ৫২ ১১,২৭০
১৩৪ বেলিজ ১২,২৯৩ ৩১৫ ১১,৮৩৬
১৩৫ বুর্কিনা ফাঁসো ১১,৯৮২ ১৪২ ১১,৪৯৩
১৩৬ হংকং ১০,৯৮৪ ১৯৮ ১০,৫১৯
১৩৭ এনডোরা ১০,৮৪৯ ১১০ ১০,৪২৯
১৩৮ লেসোথো ১০,৪৯১ ২৯২ ৩,৭৪৫
১৩৯ গুয়াদেলৌপ ৯,৭৪৬ ১৫৯ ২,২৪২
১৪০ সুরিনাম ৮,৯১৯ ১৭০ ৮,৩৯৯
১৪১ কঙ্গো ৮,৮২০ ১২৮ ৭,০১৯
১৪২ গায়ানা ৮,৫৫০ ১৯৫ ৭,৯৭১
১৪৩ বাহামা ৮,৫১৯ ১৭৯ ৭,৩০৯
১৪৪ মালি ৮,৩৬৫ ৩৫২ ৬,৪০২
১৪৫ আরুবা ৭,৮৭৬ ৭৩ ৭,৫৬৩
১৪৬ দক্ষিণ সুদান ৭,৭৭১ ৯৩ ৪,২১৭
১৪৭ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৭,৭০৫ ১৩৯ ৭,৪৫৮
১৪৮ সোমালিয়া ৬,৯৯১ ২৩১ ৩,৭৮৭
১৪৯ টোগো ৬,৮৫১ ৮৩ ৫,৫৯৯
১৫০ মার্টিনিক ৬,৬৮৭ ৪৫ ৯৮
১৫১ নিকারাগুয়া ৬,৪৪৫ ১৭৩ ৪,২২৫
১৫২ জিবুতি ৬,০৬৫ ৬৩ ৫,৮৯৫
১৫৩ আইসল্যান্ড ৬,০৪৯ ২৯ ৬,০০৬
১৫৪ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৬,০০৫ ৯১ ৫,৬২২
১৫৫ বেনিন ৫,৪৩৪ ৭০ ৪,২৪৮
১৫৬ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৫,০০৪ ৬৩ ৪,৯২০
১৫৭ নাইজার ৪,৭৪০ ১৭২ ৪,২৫০
১৫৮ কিউরাসাও ৪,৭২৭ ২২ ৪,৬৩৭
১৫৯ গাম্বিয়া ৪,৬৯১ ১৪৮ ৪,০৮৯
১৬০ জিব্রাল্টার ৪,২৩৮ ৯৩ ৪,১২২
১৬১ চ্যানেল আইল্যান্ড ৪,০৩৪ ৮৬ ৩,৮৯৩
১৬২ চাদ ৩,৯৭৩ ১৪০ ৩,৪৭৫
১৬৩ সিয়েরা লিওন ৩,৮৮৭ ৭৯ ২,৬২১
১৬৪ সান ম্যারিনো ৩,৭১৬ ৭৪ ৩,২৫৭
১৬৫ কমোরস ৩,৫৭১ ১৪৪ ৩,৩০৪
১৬৬ সেন্ট লুসিয়া ৩,৩৫৬ ৩৫ ২,৯১২
১৬৭ গিনি বিসাউ ৩,২৪৭ ৪৮ ২,৬০১
১৬৮ বার্বাডোস ৩,০৩৮ ৩৩ ২,৩৪৪
১৬৯ মঙ্গোলিয়া ২,৯০৭ ২,২৪৯
১৭০ ইরিত্রিয়া ২,৮৪৭ ২,২৫৩
১৭১ সিসিলি ২,৫৯২ ১১ ২,২৬৩
১৭২ লিচেনস্টেইন ২,৫৬৬ ৫৪ ২,৪৮৪
১৭৩ ইয়েমেন ২,৪৩৬ ৬৬০ ১,৫৮০
১৭৪ ভিয়েতনাম ২,৪৩২ ৩৫ ১,৮৪৪
১৭৫ নিউজিল্যান্ড ২,৩৭৬ ২৬ ২,২৮৫
১৭৬ বুরুন্ডি ২,১৮১ ৭৭৩
১৭৭ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ২,০৯৯ ১৪ ১,৮৭০
১৭৮ সিন্ট মার্টেন ২,০৫৫ ২৭ ১,৯৯৮
১৭৯ লাইবেরিয়া ২,০১০ ৮৫ ১,৮৮৪
১৮০ মোনাকো ১,৯৫৩ ২৪ ১,৭০৪
১৮১ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ১,৫৫৬ ৯৩২
১৮২ সেন্ট মার্টিন ১,৫৪৪ ১২ ১,৩৯৯
১৮৩ পাপুয়া নিউ গিনি ১,২৭৫ ১২ ৮৪৬
১৮৪ তাইওয়ান ৯৫৪ ৯১৭
১৮৫ ভুটান ৮৬৭ ৮৬২
১৮৬ কম্বোডিয়া ৮০৫ ৪৭৭
১৮৭ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ৭২৬ ১৪ ২৯১
১৮৮ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৯৯
১৮৯ বারমুডা ৭০৫ ১২ ৬৮২
১৯০ ফারে আইল্যান্ড ৬৫৮ ৬৫৭
১৯১ মরিশাস ৬১০ ১০ ৫৭১
১৯২ সেন্ট বারথেলিমি ৫৭৩ ৪৬২
১৯৩ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৯৪ আইল অফ ম্যান ৪৮৪ ২৫ ৪৫১
১৯৫ কেম্যান আইল্যান্ড ৪৪৪ ৪১৩
১৯৬ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ৪২৯ ৪০২
১৯৭ ব্রুনাই ১৮৬ ১৮১
১৯৮ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ১৫৩ ১৩১
১৯৯ গ্রেনাডা ১৪৮ ১৪৭
২০০ ডোমিনিকা ১৪২ ১২৭
২০১ পূর্ব তিমুর ১১১ ৮৯
২০২ ফিজি ৫৯ ৫৪
২০৩ নিউ ক্যালেডোনিয়া ৫৮ ৫৫
২০৪ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ৫৪ ৪৬
২০৫ ম্যাকাও ৪৮ ৪৭
২০৬ লাওস ৪৫ ৪২
২০৭ সেন্ট কিটস ও নেভিস ৪১ ৪০
২০৮ গ্রীনল্যাণ্ড ৩০ ৩০
২০৯ ভ্যাটিকান সিটি ২৭ ১৫
২১০ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ২৪ ১৬
২১১ মন্টসেরাট ২০ ১৩
২১২ এ্যাঙ্গুইলা ১৮ ১৮
২১৩ সলোমান আইল্যান্ড ১৮ ১৪
২১৪ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৫ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৬ ওয়ালিস ও ফুটুনা
২১৭ মার্শাল আইল্যান্ড
২১৮ সামোয়া
২১৯ ভানুয়াতু
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]