চিরকুট দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি, অভিযোগ তো সত্য

সায়েম সাবু
সায়েম সাবু সায়েম সাবু , জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:৪৫ পিএম, ২১ অক্টোবর ২০১৯

অধ্যাপক ড. আবুল বারকাত। ১৯৫৪ সালে কুষ্টিয়া শহরে জন্মগ্রহণ করেন। বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ। বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সাবেক সভাপতি এবং জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদেও দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৮ সালে রাশিয়ার মস্কো ইনস্টিটিউট অব ন্যাশনাল ইকোনমি থেকে অর্থনীতিতে মাস্টার্স করেন। একই প্রতিষ্ঠান থেকে উন্নয়নের রাজনৈতিক-অর্থনীতি বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৮২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগে যোগদানের মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন। তার ৬০০টির বেশি গবেষণাকর্ম এবং ২৪টি গবেষণাগ্রন্থ রয়েছে।

স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে জাগো নিউজের মুখোমুখি হন বাংলাদেশের অর্থনীতি ও উন্নয়ন প্রসঙ্গ নিয়ে। দীর্ঘ আলোচনায় উন্নয়ন ও বঙ্গবন্ধুর রাষ্ট্রদর্শন নিয়ে আলোকপাত করেন। বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু একধরনের সমাজতন্ত্র চেয়েছিলেন। তা না হলে কেন তিনি শোষিতের গণতন্ত্রের কথা বললেন?’ বর্তমান রাজনীতি, অর্থনীতি প্রসঙ্গেও মতামত প্রকাশ করেন।

বর্তমান উন্নয়ন আশাব্যঞ্জক’ বলে মত দিলেও ‘পঞ্চম শ্রেণির ৯৫ ভাগ শিক্ষার্থীই দ্বিতীয় শ্রেণি পাসের সমতুল্য’ বলেও অভিযোগ করেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ। পাঁচ পর্বের সাক্ষাৎকারের আজ থাকছে চতুর্থটি। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন সায়েম সাবু

জাগো নিউজ : শিল্পায়নের রূপকল্পের কথা বলছেন আপনি, যেখানে এগিয়ে যাওয়া বাংলাদেশের নানা উন্নয়নের প্রসঙ্গ তুলেছেন আগের আলোচনায়। কিন্তু আপনি শুরুতে এ অঞ্চলের সমাজ-বাস্তবতার সঙ্গে তাল রেখে উন্নয়নের কথা বলেছিলেন। চলমান উন্নয়ন মানুষ কতটুকু ধারণ করে?

আবুল বারকাত : উন্নয়ন আসলে কোনো স্থির বিষয় নয়। এটি চলমান প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে ঘটে। প্রতিনিয়ত এর ধারা পরিবর্তন হতে পারে। আমি পদ্মা সেতুর কথা বলেছি। এ সেতু দক্ষিণের ১৭টি জেলাকে যুক্ত করবে বলে বলেছি। এখন ওই জেলায় কৃষকের পণ্য নিয়ে আপনি শিল্পায়ন করলে তো ক্ষতি নেই। যেমন মাছের ব্যাপক চাষ হচ্ছে। এ মাছ দিয়ে অনেক কিছু করা সম্ভব। কৃষক সে শিল্প ধারণ করেই উন্নয়নে সম্পৃক্ত হতে পারছে।

কোল্ড স্টোরেজ করা হয় আলুর জন্য। আপনি দশতলা কোল্ড স্টোরেজ করে বহুমুখী ব্যবহার করতে পারেন। কৃষক তো তার উৎপাদিত পণ্যের নিরাপত্তা চায়। চায় পণ্যের ন্যায্যমূল্য। এটা আমরা দিতে পারিনি প্রধানত কৃষিনির্ভর শিল্পায়ন না করার কারণে।

আমি বাজার প্রসার ও বৈষম্য কমিয়ে আনার মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনের কথা বলেছি। এটা হলে কোনো মধ্যস্থতাকারী কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের মূল্যে বড় ধরনের ভাগ বসাতে পারবে না।

এটা করতে হবে আপনাকে প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রাতিষ্ঠানিকীকরণের মধ্য দিয়ে। বাঙালির ইতিহাসে প্রতিষ্ঠানের সংস্কৃতি ভালো নয়। যেমন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার অর্থনীতি বিভাগের ১০০ বছর পার হচ্ছে। আমি কি এমন একজন শিক্ষকের নাম বলতে পারব, যাকে মানুষ অনুসরণ করে! তার মানে প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিভাগটি দাঁড়াতে পারেনি। র‌্যাংকিংয়ে গোটা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ই চান্স পাচ্ছে না।

abul-barakat-02.jpg

আমাদের বলা হলো, সব শিক্ষকের প্রোফাইল রেডি করে বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে দেয়ার জন্য। বলা হলো, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে না দিলে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে। সব ডিগ্রি, জার্নাল আর্টিকেল, রচিত গ্রন্থ যুক্ত করে দেয়ার কথা বলা হলো। অনেকের হয়তো একদিনেই হয়ে যাওয়ার কথা। আমার দুই সপ্তাহ লেগেছে। আমার ৬০০-এর উপরে প্রকাশনা (গণবক্তৃতাসহ)। পরে দেখলাম, শতকরা ৮০ ভাগ শিক্ষকই জমা দেননি সময়সীমার মধ্যে। কেউ কেউ শুধু তার জীবনবৃত্তান্তটি জুড়ে দিয়েছেন। অথচ এটি চাওয়াই হয়নি।

এখানেই প্রতিষ্ঠানের দুর্বলতা। হয়তো প্রধানমন্ত্রীকে খুশি করার জন্যই এমন তৎপরতা। অথচ শিক্ষকরা সবাই যদি আন্তরিক হয়ে এ সিদ্ধান্তে যুক্ত হতেন, তাহলে র‌্যাংকিংয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবশ্যই ভালো করার কথা। কারণ অনেকেরই ভালো পাবলিকেশন, গবেষণা আছে। অর্থাৎ প্রশাসন জানেন-ই না কীভাবে একটি বিশ্ববিদ্যালয়কে সম্মানিত করা যায়। তারা জানার চেষ্টাও করেন কি-না, তা নিয়ে সন্দেহ করতেই পারেন।

শিক্ষকদের একাংশ একধরনের রাজনীতি নিয়েই ব্যস্ত। ডাকসু নির্বাচন নিয়ে সমালোচনা হয়েছে। চিরকুট দিয়ে ভর্তি করানো হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ে! অভিযোগগুলো তো সত্য। পরীক্ষা না দিয়ে অনেকেই ভর্তি হয়েছে। এমনকি ডাকসু নির্বাচনের পরও ভর্তি হয়েছে। এ ভর্তি জালিয়াতির মাধ্যমে সুবিধাটা কে পেল, তা খুঁজে বের করতে পারলে অনেক কিছুই পরিষ্কার হয়ে যাবে।

এভাবে তো একটি প্রতিষ্ঠান চলতে পারে না। এ চিত্র সব জায়গায়ই। এ সংস্কৃতি মারাত্মক বিপদের।

জাগো নিউজ : বিপদ কি চরমে, অন্তত ‘বালিশ-পর্দার’ দুর্নীতির খবর সেটা প্রমাণ করে কি-না?

আবুল বারকাত : বিপদ কি-না, আপনারা সাংবাদিকরা খুঁজে বের করুন। আমি শুধু বলব, এমন দুর্নীতির খবরে অবাক হয়েছি।

দুর্নীতিরোধে জিরো টলারেন্সের কথা বলছেন প্রধানমন্ত্রী। তার মানে দুর্নীতি আছে। নইলে রোধ করার কথা আসবে কেন? দুর্নীতির মাত্রা কম থাকলে প্রধানমন্ত্রীকে কিছুই বলা লাগত না।

দ্বিতীয়ত, পুঁজিবাদে দুর্নীতি হবে না, তা আমি বিশ্বাস করি না। কারণ পুঁজিবাদের ভিত্তিই হচ্ছে স্বার্থপরতা। পুঁজিবাদের দর্শনই হচ্ছে মুনাফা। আরও যদি পরিষ্কার করে বলি, পুঁজিবাদ মানেই মুনাফা সর্বোচ্চকরণের প্রচেষ্টা। যেকোনো পন্থায়ই এ মুনাফা সর্বোচ্চকরণের প্রয়াস চলে, যেখানে নীতি-নৈতিকতার কোনো বালাই থাকে না।

সর্বোচ্চ মুনাফা অর্জনের নীতিতে যদি নৈতিকতা না থাকে, সেখানে দুর্নীতি আবশ্যক হয়ে ওঠে। এ দুর্নীতি নির্মূল করা অসম্ভব। তবে প্রতিষ্ঠান যদি প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ হয় সেক্ষেত্রে সম্ভবত দুর্নীতি হ্রাস সম্ভব এবং ক্ষেত্রবিশেষে বহু দূর পর্যন্ত তা সম্ভব।

abul-barakat-02.jpg

জাগো নিউজ : এখন কী দেখছেন?

আবুল বারকাত : দুর্নীতির মাত্রা নিয়েই প্রশ্ন। কতটুকু সহ্য করবেন আর কতটুকু করবেন না, সেটাও আলোচনার বিষয়। কিন্তু দুর্নীতি অসহ্য করবেন আবার পুঁজিবাদকেও ধারণ করবেন, তা হবে না। মুক্তবাজারে দুর্নীতির সিন্ডিকেট হবে না, আমি তা বিশ্বাস করি না।

জাগো নিউজ : দুর্নীতির চিত্র তো ভয়াবহ। সম্প্রতি দুর্নীতিবিরোধী অভিযানেও তার প্রমাণ মিলছে। আবার উন্নয়নের খবরও দিচ্ছে সরকার। এ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে আমরা কোন দিকে যাচ্ছি?

আবুল বারকাত : উন্নয়ন প্রক্রিয়াকে আমি পাইপের সঙ্গে তুলনা করি। বাগানে পানি দেয়ার জন্য আমি পাইপ ব্যবহার করছি। পাইপে কোনো ফুটা নেই বলেই পুরো পানিটা গাছের গোড়ায় দিতে পারছি। ফুটা থাকলে সব পানি নির্দিষ্ট জায়গায় প্রবাহিত হতো না। অর্থাৎ ফুটাহীন পাইপ হলো দক্ষতার ফাঁদ থেকে মুক্ত।

উন্নয়নের পাইপ ফুটা হয়ে গেছে। আমাকে এমন কিছু ফুটা খুঁজে বের করতে হবে, যেটা আগে বন্ধ করা প্রয়োজন এবং সম্ভব। আমি জানি সব ফুটা বন্ধ করা সম্ভব নয়। উন্নয়নের রাজনীতির নিরিখে যদি বলি তা হলে বলব, বড় বড় দু-একটা ফুটা বন্ধ করতে পারলে, অন্য জায়গায় আর ফুটা হবে না অথবা ছোট ফুটা বেশি ক্ষতির কারণ নাও হতে পারে। আবার বড় ফুটা বন্ধ করলে ছোটখাটো ফুটাও কিন্তু সিগন্যাল পায়। প্রথমত, এর বাইরে আপাতত বেশি কিছু করার নেই।

দ্বিতীয়ত, অর্গানগুলো (কাঠামোগুলো তথা আইন, বিচার বিভাগ, নির্বাহী বিভাগ) যখন প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ করবেন, তখন আপনি যা ইচ্ছা তাই করতে পারবেন না। তখন জনগণের কাছে জবাবদিহিতার প্রশ্ন আসবে। আমি যদি বুঝতে পারি, আপনি এ বিভাগগুলো প্রতিষ্ঠানে রূপ দিচ্ছেন, তাহলে আমি ভাবব, আপনি দীর্ঘমেয়াদে পরিকল্পনা নিচ্ছেন যেখানে দুর্নীতি থাকবে না অথবা কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় কমে যাবে। যদি তা না করেন তাহলে বুঝব আপনি আল্লাহর ওপর ছেড়ে দিয়েছেন। যা হয় হোক, চলছে তো।

জাগো নিউজ : বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে মিশ্র আলোচনা আছে। আপনার আলোচনায়ও উন্নয়ন, দুর্নীতি উঠে আসছে…

আবুল বারকাত : আমি শীর্ষ নেতৃত্ব তথা সরকারপ্রধানের ব্যাপারে জানি, বুঝি, অনুমান করতে পারি। কিন্তু তার আশপাশে যারা আছেন, তাদের ব্যাপারে ভালো বলতে পারব না।

আমি যতটুকু বুঝতে পারি প্রধানমন্ত্রী কাঠামোগুলো প্রাতিষ্ঠানিকীকরণের পক্ষে। তিনি অন্তত তা-ই চান। আমি বুঝি যে তিনি বাস্তবায়ন করতে চান রূপকল্প ২০২১, রূপকল্প ২০৪১, ডেলটা প্লান ২১০০। আমি বুঝি যে তিনি বঙ্গবন্ধুর উন্নয়ন দর্শন ধারণ করেন এবং প্রধানমন্ত্রী উন্নত জীবনসমৃদ্ধ দেশ গড়ে তুলতে চান।

জাগো নিউজ : প্রধানমন্ত্রী টানা ১১ বছর দায়িত্বে। বাংলাদেশের ইতিহাসের সরকারগুলোর মধ্যে রেকর্ড সময়। এ সময়েও প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ হলো না কেন?

আবুল বারকাত : এ সময়টা আমলে নিয়ে আপনি ডেবিট-ক্রেডিট করে হিসাব মেলান। এ সময়ে যা যা হলো, তা তো আপনি অস্বীকার করতে পারবেন না। যদি অস্বীকার না করেন, তাহলে আপনাকে বলতে হবে, আমি এ-এ বিষয় চাইলে, এ-এ বিষয় আর হতো না। অনেক কিছু হয়ে গেছে, যা আপনি নিজেও চাননি।

আপনাকে একটা কিছু পেতে হলে আরেকটা ছাড়তে হবে। দেখা দরকার, যা ছাড়লেন তার বিনিময়ে যা পেলেন সেটা জনকল্যাণমূলক কি-না? সবচেয়ে ভালো উন্নয়ন নীতি হলো সেটা যার দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক প্রভাব-অভিঘাত ধনাত্মক।

জাগো নিউজ : তাহলে কি এই ‘পাওয়া আর ছাড়া’র মধ্য দিয়ে আমাদের রাজনীতি ঠিক উন্নয়নের মোড়কে ঢাকা পড়ল; যেখানে ভোট, নির্বাচন প্রায় গৌণ হয়ে যাচ্ছে?

আবুল বারকাত : উইনস্টন চার্চিল বলেছেন, ‘একজন রাজনীতিক ভাবনা করেন পরের নির্বাচন নিয়ে। আর একজন রাষ্ট্রনায়ক ভাবনা করেন পরের প্রজন্ম নিয়ে’। আমি যদি বলি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পরের প্রজন্ম নিয়ে ভাবছেন, যে কারণে নির্বাচন নিয়ে ভাবনার কোনো কারণ নেই।

জাগো নিউজ : এটা কেন মনে করছেন?

আবুল বারকাত : পরের প্রজন্ম নিয়ে না ভাবলে নিজের টাকায় এভাবে পদ্মা সেতু করার কথা নয়। কর্ণফুলীতে টানেলের কথা ভাবলেন কেন? বঙ্গোপসাগর আমার, এ দাবি বিশ্বব্যাপী তোলার কথা নয়। এ আকাশ আমার, এ ভাবনাও তো করছি আমরা।

প্রশ্ন হচ্ছে, পরের প্রজন্মের জন্য আমরা বড় বড় ভাবনা করছি কি-না? আমার মনে হয়, প্রধানমন্ত্রী তা-ই ভাবছেন। আর বড় বড় এ ভাবনা করতে থাকলে, ছোট ছোট বিষয়গুলো আমাদের পীড়া দেয় এবং তা দিতেই থাকবে।

কাঠামোগুলো শক্তিশালী হলে আপনি এ অভিযোগও তুলতে পারতেন না। সিলেট বিমানবন্দরে ছাত্রলীগের কর্মীরা কী করে রানওয়েতে প্রবেশ করে, যুবলীগের নেতারা কেন দুর্নীতিতে- তখন আর এমন প্রশ্ন থাকত না।

এরপরও আপনি প্রশ্ন তুলছেন। সরকার যদি অতিমাত্রায় রক্ষণশীল হতো, তাহলে কিন্তু এ প্রশ্নও করতে পারতেন না। প্রশ্ন করছেন মানে, দায় সরকার নিচ্ছে। নিজের ঘাড়ে কুড়াল মেরে সরকার পরিষ্কার করার সুযোগও পাচ্ছে।

এএসএস/এমএআর/এমএস

এরপরও আপনি প্রশ্ন তুলছেন। সরকার যদি অতিমাত্রায় রক্ষণশীল হতো, তাহলে কিন্তু এ প্রশ্নও করতে পারতেন না। প্রশ্ন করছেন মানে, দায় সরকার নিচ্ছে

পরের প্রজন্ম নিয়ে না ভাবলে নিজের টাকায় এভাবে পদ্মা সেতু করার কথা নয়। কর্ণফুলীতে টানেলের কথা ভাবলেন কেন? বঙ্গোপসাগর আমার, এ দাবি বিশ্বব্যাপী তোলার কথা নয়

যখন প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ করবেন, তখন আপনি যা ইচ্ছা তাই করতে পারবেন না। তখন জনগণের কাছে জবাবদিহিতার প্রশ্ন আসবে

উন্নয়নের পাইপ ফুটা হয়ে গেছে। আমাকে এমন কিছু ফুটা খুঁজে বের করতে হবে, যেটা আগে বন্ধ করা প্রয়োজন এবং সম্ভব

দুর্নীতিরোধে জিরো টলারেন্সের কথা বলছেন প্রধানমন্ত্রী। তার মানে দুর্নীতি আছে। নইলে রোধ করার কথা আসবে কেন? দুর্নীতির মাত্রা কম থাকলে প্রধানমন্ত্রীকে কিছুই বলা লাগত না

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার অর্থনীতি বিভাগের ১০০ বছর পার হচ্ছে। আমি কি এমন একজন শিক্ষকের নাম বলতে পারব, যাকে মানুষ অনুসরণ করে