নয় মাস একটি দিনের জন্যও বসে থাকিনি

আবু সালেহ সায়াদাত
আবু সালেহ সায়াদাত আবু সালেহ সায়াদাত , নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:১০ পিএম, ১০ জানুয়ারি ২০২০

ঢাকা নগরবাসীর দরজায় কড়া নাড়ছে দুই সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি-ডিএসসিসি) নির্বাচন। তাই রাজধানীর রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে শুরু করে চায়ের দোকান, সর্বত্র এখন আলোচনায় এ দুই সিটির নির্বাচন প্রসঙ্গ। প্রধান দুই রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থীরা এরই মধ্যে নিজেদের নির্বাচনী এজেন্ডা নিয়ে প্রস্তুত হচ্ছেন, ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যেতে।

ডিএনসিসি নির্বাচনে মেয়র পদে টানা দ্বিতীয়বারের মতো ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন আতিকুল ইসলাম।ডিএনসিসির মেয়র পদে উপ-নির্বাচনে জয়ী হয়ে নয় মাস দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। এ সময়ের মধ্যে নাগরিক সমস্যা সমাধানে কেমন কাজ করেছেন? কোন কোন ক্ষেত্রে ব্যর্থতা ছিল? আগামীতে ফের মেয়র নির্বাচিত হলে নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে কী করবেন, কেমন পদক্ষেপ নেবেন এবং কোন ধরনের উদ্যোগ নেয়া জরুরি- এমন নানা প্রশ্নের উত্তর তিনি দিয়েছেন জাগো নিউজকে। বলেছেন তার পরিকল্পনা, অভিজ্ঞতা ও নিজের প্রত্যাশার কথাও।

সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন জাগো নিউজের নিজস্ব প্রতিবেদক আবু সালেহ সায়াদাত

জাগো নিউজ : আপনি নয় মাস ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এ সময়ের মধ্যে নাগরিকরা আপনার পক্ষ থেকে কী সেবা পেয়েছেন?

আতিকুল ইসলাম : ঢাকার নাগরিকরা দেখেছেন, গত নয়টি মাস আমি দায়িত্ব পালনকালে চ্যালেঞ্জ নিয়ে কাজ করেছি। নাগরিক সেবার কথা মাথায় রেখে একটি দিনের জন্যও আমি ঘরে বসে থাকিনি। আমি মাঠেই ছিলাম, সবাইকে নিয়েই কাজ করেছি। আমি দায়িত্ব নিতেই একের পর এক চ্যালেঞ্জ আসে। শিক্ষার্থী আবরার বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস- বিইউপির ছাত্র আবরার আহমেদ চৌধুরী প্রগতি সরণিতে দুর্ঘটনার শিকার হলো, সেখানে ছাত্র আন্দোলন চলছিল। সেই শিক্ষার্থীদের নিয়ে বসেছি, তাদের দাবি শুনেছি। সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে শিক্ষার্থীদের কথা শুনেছি। এর পরপরই এফআর টাওয়ারে আগুন, ফের গুলশানে আগুন লাগলো। এগুলো গুছিয়ে উঠতে উঠতেই ডেঙ্গুর ভোগান্তি শুরু হলো।

আমার নয় মাস দায়িত্ব পালনকালে একের পর এক চ্যালেঞ্জ এসেছে। তবে আমি থেমে থাকিনি, এ নয় মাস একটি দিনের জন্যও কিন্তু আমি ঘরে বসে থাকিনি। আমার জন্য চ্যালেঞ্জিং ছিল সময়টা। আশা করি, নগরবাসী সেসব দিক বিবেচনায় রেখেছেন।

জাগো নিউজ : এ বছরই ডেঙ্গুর প্রকোপ মারাত্মক আকার ধারণ করে। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সিটি কর্পোরেশনের ভূমিকা নিয়ে কিন্তু সাধারণ নাগরিকরা সন্তুষ্ট নন…

আতিকুল ইসলাম : মশা নিধনের সিস্টেমটাকেই আসলে ঢেলে সাজাতে হবে আমাদের। মশার প্রজনন ক্ষেত্র বের করে তা ধ্বংস করতে হবে। সিটি কর্পোরেশন যে সনাতনী পদ্ধতিতে মশার ওষুধ ছিটায়, এরপর কিন্তু আর ঠিক মতো তদারকিও করা হয় না। মানের দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে আমাদের। আমাদের সিটি কর্পোরেশনে কোনো কীটতত্ত্ববিদ নেই। এটা আমাদের নেগেটিভ সাইড (নেতিবাচক দিক)। এখানে ইন্টিগ্রেটেড ভেক্টর ম্যানেজমেন্টের (আইভিএম) আওতায় বছরজুড়ে এডিস মশা নির্মূলে কাজ করতে হবে। কীটতত্ত্ববিদ নিয়োগ দিতে হবে। সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। মশার প্রজনন ক্ষেত্র, জন্মস্থানেই আগে হিট (আঘাত) করতে হবে।

Atikul-Islam-2

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের নগর ভবন

কলকাতার মতো যখন ডেঙ্গু রোগী পাওয়া যাবে, তখন তার বাসায় যেতে হবে। তার বাসার চারদিকে ওষুধ ছিটাতে হবে। অর্থাৎ পরিস্থিতি কন্ট্রোলে আনতে হবে। জনগণকে সচেতন হয়ে অবশ্যই এগিয়ে আসতে হবে, তা না হলে সিটি কর্পোরেশনের একার পক্ষে সব করা সম্ভব নয়।

জাগো নিউজ : বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে নানা রকমের অভিযোগ রয়ে গেছে। যদি ফের মেয়র পদে নির্বাচিত হন তাহলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি নিয়ে কোনো পরিকল্পনা আছে কি?

আতিকুল ইসলাম : আমাদের বর্জ্য ব্যবস্থাপনাও সনাতনী পদ্ধতির, ঝাড়ু দেয়া হচ্ছে। কিন্তু বিশ্বের অন্যান্য শহরে অনেক সুন্দর সিস্টেম আছে। আমাদের ঢাকায়ও খুব ভালো মানের রাস্তা হচ্ছে। রাস্তাগুলো সুইপিং সিস্টেমের মাধ্যমে ঝাড়ু দেয়া চালু করতে হবে। এখানে সুবিধা দুই রকমের, ময়লাও উঠে যাচ্ছে, সাথে সাথে ধুলা যেগুলো থাকে সেগুলো সুইপ করে সাকিং পদ্ধতিতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এ উদ্যোগ আমি নিয়েছিলাম মেয়র থাকাবস্থায়। সেকেন্ডারি রোড, টার্শিয়ারি রোড ও প্রাইমারি রোডের জন্য কিন্তু আমরা মেশিন নিয়ে এসেছি। এর আগে দুটি মেশিন আনা হয়েছিল। এক্ষেত্রে আমরা নিজেদের সাকসেসফুল মনে করছি। আগামী জুনের মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে এমন আরও ১২টি মেশিন যুক্ত হবে।

Atikul-Islam-4

রাজধানী মানে যানজট। এটি যেন ঢাকাবাসীর জন্য অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে

আমাদের ল্যান্ডফিল (বর্জ্যভূমি) যেটা আছে আমিনবাজারে, সেটা কিন্তু অস্বাস্থ্যকর। ২০০৫ সালে এটা করা হয়েছিল। আমরা এখন যে ল্যান্ডফিল করতে চাইছি, বর্জ্য ওখানে নিয়ে সিগ্রেগেশন (পৃথকীকরণ) হবে। আমি নেদারল্যান্ডে দেখেছি, ওখানে ময়লার গাড়ির গোল্ড কালার (সোনালি রং), কেন গোল্ড কালার? কারণ তারা মনে করে, ময়লা আসলে এক ধরনের গোল্ড (সোনা)। তাই বর্জ্যকে আমরাও কাজে লাগিয়ে সম্পদে রূপান্তর করতে পারি। আগামী দিনে ময়লা বা বর্জ্য থেকে আমরা বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারব। বর্তমানে আমিন বাজারে ল্যান্ডফিলের ৫২ একর জমি আছে। তখন কিন্তু এত জায়গা লাগবে না। এ জমির মধ্যেই বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন, ইকো পার্ক, বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রি গড়ে উঠবে এ বর্জ্যকে কাজে লাগাতে।

জাগো নিউজ : এ নয় মাসে আপনি কি সফল?

আতিকুল ইসলাম : এ নয় মাসে আমি একটি দিনও বসে থাকিনি। নয় মাসে অভিজ্ঞতা হয়েছে অনেক। এ অভিজ্ঞতাকেই কাজে লাগাতে চাই। এছাড়া ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণা করেছি। সিটি কর্পোরেশনকে জবাবদিহিতার মধ্য আনতে চাই। সুন্দর নিরাপদ আধুনিক ও স্মার্ট ঢাকা গড়তে চাই। নগরে ৪২ হাজার এলইডি বাতি লাগানো হবে। ইতোমধ্যে তা একনেকে পাস হয়েছে। সেই সঙ্গে থাকবে সিসি ক্যামেরা। অলি-গলি সব জায়গা আলোকিত হবে। পরিবহন ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো হবে সমন্বয়ের মাধ্যমে। ইলেক্ট্রিক বাস আনব, সব ধরনের প্রযুক্তির মাধ্যমে ঢাকা শহরের পরিবহন ব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটাতে কাজ করব। আশা করি, নাগরিকরা আমার কাজগুলো মূল্যায়ন করবেন। যদিও নয় মাসের কাজে পুরোপুরি ইফেক্টটা কিন্তু দেখানো যায় না।

জাগো নিউজ : খেলার মাঠ, পার্কগুলো বেহাল দশায় ছিল। এগুলোর পুনরুদ্ধার অগ্রগতি কোন পর্যায়ে আছে?

আতিকুল ইসলাম : আমাদের ২৪টি পার্কের মধ্যে ১৭টি পার্কের কাজ টেন্ডারের মাধ্যমে শুরু হয়েছে। পার্কগুলো উন্মুক্ত হলে এগুলোর বৈশিষ্ট্য হবে মাল্টিপারপাস (বহুমুখী)। এখানে বয়স্করাও থাকতে পারবেন, বাচ্চারও খেলতে পারবে, বাচ্চার মায়েরাও কিন্তু সময় কাটাতে পারবেন। সুবিধাবঞ্চিতরাও খেলতে পারবে। সবারই অংশগ্রহণ থাকবে। কিছু কিছু পার্কে আউটডোর জিমের সিস্টেম রাখা হয়েছে। সবাই কিন্তু তখন মাঠমুখী হবে। রাতের বেলায়ও যেন কর্মজীবীরা সেই মাঠে গিয়ে খেলতে-হাঁটতে পারেন, সেই ব্যবস্থাও কিন্তু নেয়া হয়েছে। পুরোপুরি উন্নত শহরের মতো করে আমরা লাইট ও সিসি ক্যামেরা লাগিয়ে দিচ্ছি নগরে।

Atikul-Islam-6

যত্রতত্র যখন-তখন খোঁড়াখুঁড়ি ঢাকাবাসীর ভোগান্তির অন্যতম কারণ

জাগো নিউজ : সিটি কর্পোরেশনের নতুন ওয়ার্ডগুলো এখনও পিছিয়ে আছে। নতুন করে সংযুক্ত এলাকা নিয়ে কোনো কাজ করেছেন কি-না?

আতিকুল ইসলাম : নতুন যুক্ত হওয়া ওয়ার্ডগুলোতে কোথায় বাজার হবে, কোথায় পার্ক হবে, কোথায় স্কুল হবে, ঠিক পরিকল্পনামাফিক কাজ করার উদ্যোগ আমরা নিয়েছি। নতুন করে আমরা সেসব ওয়ার্ড সাজাতে পারছি, এটা আমাদের জন্য একটি ভালো বিষয়। সেখানকার নাগরিকদেরও কিন্তু এ বিষয়গুলো বুঝতে হবে। কারণ কিছুদিনের মধ্যেই কিন্তু ওই এলাকাগুলো আধুনিক শহরে রূপান্তরিত হতে যাচ্ছে।

জাগো নিউজ : সড়কে যানজট লেগেই থাকে। আবার যানজটের সীমাহীন ভোগান্তি এড়াতে সাধারণ পথচারীরা যে ফুটপাতে হাঁটবেন, সেই ফুটপাতও থেকে যাচ্ছে দখলে। বিগত নয় মাসে এ বিষয়ে পদক্ষেপ…

আতিকুল ইসলাম : অসাধুরা ফুটপাত বছরের পর বছর অবৈধভাবে দখল করে রেখেছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক অফিস করেছে। জনগণের কষ্টের কথা তোয়াক্কা না করে নিজের সুবিধা মতো ঘর-দোকান বানিয়ে ব্যবসা করছে। পারমানেন্ট বা সেমি-পারমানেন্ট স্ট্রাকচার করছে। তবে এগুলোতে আর কেউ থাকতে পারবে না। আমরা কাজ শুরু করেছি। আমাদের উদ্যোগ আছে। ফুটপাত যত বেশি ক্লিন করব, মানুষ তত স্বাচ্ছন্দ্যে ফুটপাত দিয়ে হাঁটতে পারবে। তবে ফুটপাতগুলোতে বিভিন্ন ধরনের ফেরিওয়ালা বসে, তারাও কিন্তু জনগণের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাই আমরা পরিকল্পনা করেছি, একটি ফুটপাতের ওপর নির্দিষ্ট জায়গায় হকার বা ফেরিওয়ালা বসবে, যাদের সিটি কর্পোরেশন থেকে কার্ড করে দেয়া হবে। একটি ফুটপাতে একজন হকার চার ঘণ্টা বসতে পারবে। যে হকার ফুটপাতে বসছে, তাদের কিন্তু অসাধুদের হাতে চাঁদা তুলে দিতে হচ্ছে। সিটি কর্পোরেশন কার্ড দিলে সেই হকারদের কিন্তু তখন কাউকে কোনো চাঁদা দেয়া লাগবে না।

Atikul-Islam-1

এ শহরে প্রতি বর্গকিলোমিটারে প্রায় ৪৩ হাজার মানুষ বাস করে। এটি একটি অপরিকল্পিত শহর। অপরিকল্পিত এ শহরকে এখন পরিকল্পিত শহর করার জন্য কিন্তু সবার সহযোগিতা দরকার। অবশ্যই মেয়র তার চেষ্টা করে যাবেন, কিন্তু জনগণের সহযোগিতা ছাড়া এটি সম্ভব নয়। ফুটপাতে যারা দোকান দিয়েছে তাদের উচ্ছেদ করে দিলে হয়তো ১০০ জনের সমস্যা হবে, কিন্তু হাজারও মানুষের উপকার হবে, তারা খুশি হবেন। তাই ফুটপাত আমাদের দখলমুক্ত করতে হবে। তবে এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

জাগো নিউজ : বছরজুড়েই রাজধানীবাসীকে রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ির ভোগান্তি পোহাতে হয়। এটা কিন্তু নাগরিকদের একটি ক্ষোভের কারণ। এ সমস্যা সমাধানে মেয়র বা সিটি কর্পোরেশনের কী ধরনের উদ্যোগ নেয়া উচিত বলে আপনি মনে করেন?

আতিকুল ইসলাম : রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ির বিষয়ে আমরা যে রোডটা করে দেব- ওয়াসা বা ডেসা হোক বা যারা সংশ্লিষ্ট, তাদের সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে। আমি ১০ কিলোমিটার রাস্তা আগারগাঁওয়ে করার উদ্যোগ নিয়েছি, কাজও চলছে। এর আগে সবাইক চিঠি দিয়েছি, আমি বলেছি এ রোডের মধ্যে যার যার কাজ করার, তারা সবাই কাজ করে নিন। পরে কিন্তু এ কাজ শেষ হয়ে গেলে অন্তত পাঁচ বছরের মধ্যে কেউ হাত দিতে পারবেন না। এটা আমি নিশ্চিত করেছি। এ বিষয়ে বড় ধরনের সমন্বয় দরকার। এ সমন্বয়টি করতে হবে। একটি রোডের কাজ করতে যখন আমি পরিকল্পনা করব, যেসব সংস্থার এ রোড কাটার দরকার পড়বে, তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে কিন্তু আমরা শুরু করব। কাজ একবার শুরু করে দিলে এ রোডে কেউ টাচ করতে পারবে না। অবশ্যই এটি একটি চ্যালেঞ্জিং বিষয়। কিন্তু যেভাবেই হোক আমাদের করতে হবে। সমন্বয় করে কাজ করার কোনো বিকল্প নেই।

জাগো নিউজ : আসন্ন নির্বাচন নিয়ে আপনি কেমন আশাবাদী? কেনই-বা নাগরিকরা আপনাকে বেছে নেবে?

আতিকুল ইসলাম : আমি বিগত নয় মাস দায়িত্ব পালন করেছি। সে সময় একটি দিনের জন্যও আমি বসে থাকিনি। কাজ করে যাওয়ার চেষ্টা করেছি। এ বিষয়গুলো নাগরিকরা অবশ্যই মূল্যায়ন করবেন বলে মনে করি। এ নয় মাস যে টেস্ট পিরিয়ড ছিল, সেখানে আমি অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি। যদি নাগরিকরা আমাকে ভোট দেন, আমি নির্বাচিত হই, তাহলে সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে সামনে এগিয়ে যাব। আমি আশা করব, নাগরিকরা আমার সঙ্গে সব সময় থাকবেন।

এএস/এইচএ/এমএআর/পিআর

মশা নিধনের সিস্টেমটাই ঢেলে সাজাতে হবে। আমাদের কোনো কীটতত্ত্ববিদ নেই। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে মশার প্রজনন ক্ষেত্র, জন্মস্থানেই আগে হিট করতে হবে

রাস্তাগুলো সুইপিং সিস্টেমের মাধ্যমে ঝাড়ু দেয়া চালু করতে হবে। দুটি মেশিন আনা হয়েছিল। আগামী জুনের মধ্যে এমন আরও ১২টি মেশিন যুক্ত হবে

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণা করেছি। সিটি কর্পোরেশনকে জবাবদিহিতার মধ্য আনতে চাই

ইলেক্ট্রিক বাস আনব, সব ধরনের প্রযুক্তির মাধ্যমে ঢাকা শহরের পরিবহন ব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটাতে কাজ করব

অসাধুরা ফুটপাত বছরের পর বছর অবৈধভাবে দখল করে রেখেছে। তবে এগুলোতে আর কেউ থাকতে পারবে না

রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি বন্ধে সকল সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় কাজ করব। কাজ একবার শুরু করে দিলে এ রোডে আর কেউ টাচ করতে পারবে না

নয় মাস টেস্ট পিরিয়ড ছিল, সেখানে আমি অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি। যদি নাগরিকরা আমাকে ভোট দেন তাহলে সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে সামনে এগিয়ে যাব