প্রথম ৯০ দিনেই নাগরিকসেবা পৌঁছবে দোরগোড়ায়

ফজলুল হক শাওন
ফজলুল হক শাওন ফজলুল হক শাওন , বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৯:১৯ পিএম, ১১ জানুয়ারি ২০২০

কুয়াশা বা শৈত্যপ্রবাহ, কোনো কিছুই যেন বাধ মানছে না। সবকিছু উপেক্ষা করে প্রচারণায় নেমেছেন ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের মেয়রপ্রার্থীরা। লক্ষ্য একটাই, জয়। আগামী ৩০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে ঢাকার উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন।

চায়ের দোকান থেকে রাজনৈতিক অঙ্গন- সর্বত্রই আলোচনা, কেমন হবে আগামীর ঢাকা? স্থানীয় এ নির্বাচনে কর্মময়, গতিশীল অথচ শান্তির ঢাকা প্রত্যাশা জনগণের। সেই প্রত্যাশা অনুযায়ী প্রাণচঞ্চল ঢাকায় প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন মেয়রপ্রার্থীরা।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মনোনীত মেয়রপ্রার্থী ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। দলটির স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে তাকে দলের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেয়া হয়। মনোনয়ন পাওয়ার পরই ঢাকা-১০ সংসদীয় আসন থেকে পদত্যাগ করেন তিনি। শুরু করেন দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঘরোয়া বৈঠক ও কর্মীসমাবেশ। এখন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ভোট প্রার্থনা করছেন তিনি। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চষে বেড়াচ্ছেন নিজ নির্বাচনী এলাকা।

মেয়র নির্বাচিত হতে পারলে তিনি ঢাকাকে কীভাবে সাজাবেন, নাগরিকদের জন্য কী কী সুবিধা নিশ্চিত করবেন, বিশেষ করে পুরান ঢাকার ঐতিহ্য রক্ষায় কোন ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন- জাগো নিউজের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে এমন নানা প্রশ্নের জবাব দেন তিনি। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন ফজলুল হক শাওন।

জাগো নিউজ : দক্ষিণের মেয়র নির্বাচিত হলে প্রথম কাজ কী করবেন?

শেখ ফজলে নূর তাপস : পাঁচটি বিষয় সামনে রেখে আমি এগোতে চাই। বিষয়গুলো হলো- ঐতিহ্যের ঢাকা, সুন্দর ঢাকা, সচল ঢাকা, সুশাসিত ঢাকা এবং উন্নত ঢাকা। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের জনগণ যদি আমাকে ভোট দিয়ে মেয়র নির্বাচিত করেন তাহলে প্রথম ৯০ দিনের মধ্যেই মৌলিক নাগরিক সুবিধাগুলো নগরবাসীর দোরগোড়ায় পৌঁছে দেব। পাশাপাশি এ সময়ের মধ্যে বড় কিছু পরিকল্পনা গ্রহণ করব।

tapos

পুরান ঢাকায় খোঁড়াখুঁড়িতে মানুষের দুর্ভোগ, সারা বছরই চলে এমন উন্নয়নকাজ

পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে অ্যাকশন প্ল্যান ও ওয়ার্ক প্ল্যান করে সেগুলো বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নেব। এছাড়া আমরা জনগণের সামনে একটি নির্বাচনী ইশতেহার উপস্থাপন করব। সেখানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের উন্নয়নের বিষয়গুলো বিস্তারিত উল্লেখ থাকবে। উপরের পাঁচটি বিষয়ের সমন্বয়ের মাধ্যমে আমরা উন্নত ঢাকা গড়ে তুলব।

জাগো নিউজ : ঢাকা মহানগরীতে ১২ মাসই চলে রাস্তা সংস্কার। অযাচিত খোঁড়াখুঁড়ির ফলে ভোগান্তিতে পড়তে হয় সাধারণ মানুষকে। এজন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের অভাবকে দায়ী করা হয়। এ বিষয়ে কী পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন?

শেখ ফজলে নূর তাপস : সিটি কর্পোরেশন আইনে কিন্তু সিটি কর্পোরেশনকেই প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। আইন অনুযায়ী, অন্যান্য সংস্থাকে সিটি কর্পোরেশনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার নির্দেশনা দেয়া রয়েছে। সব সংস্থাকে সিটি কর্পোরেশন আইন ও নিয়মনীতি মেনে কাজ করতে হবে। আমরা এখানে ব্যাপক ব্যত্যয় দেখে আসছি। এ ব্যত্যয়গুলো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমাদের সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা থাকবে। সেই কর্মপরিকল্পনা ও নীতিমালা অনুযায়ী সঠিক ও নির্ধারিত সময়ে কাজগুলো সম্পন্ন করতে হবে।

২০৪১ সামনে রেখে দীর্ঘমেয়াদি একটি কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করব আমরা। যখন কোনো পরিকল্পনা গ্রহণ করব তখন মহানগরীর অন্তর্ভুক্ত সব সংস্থার প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করব, সর্বসম্মতিক্রমে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করব। আজ আমরা রাস্তা করলাম, কাল আরেক সংস্থা এসে রাস্তা কেটে নষ্ট করবে, তা মেনে নেয়া হবে না। যেকোনো রাস্তার কাজ করার আগে সব সংস্থা থেকে চাহিদাপত্র নেয়া হবে। আমরা তাদের সময় দেব কাজ করার জন্য।

কাজ সম্পন্নের পর অন্য কোনো সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান অন্তত তিন বছর সেই রাস্তায় হাত দিতে পারবে না। আমাদের রাস্তাগুলোর মেয়াদকাল হবে অন্তত ১০ বছর। তিন বছর পরপর সেগুলো সংস্কার করা যাবে।

tapos

ঘিঞ্জি এলাকায় সরু গলি, সারাক্ষণই লেগে থাকে যানজট

জাগো নিউজ : ২০৪১ সামনে রেখে উন্নত মহানগর গড়ার কথা বলছেন। মহানগর উন্নত হচ্ছে কিন্তু সেভাবে মানুষের জীবনযাত্রা বা নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না- এ বিষয়ে আপনার কোনো পরিকল্পনা…

শেখ ফজলে নূর তাপস : আমাদের প্রিয় নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে রূপকল্প দিয়েছেন, ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ। দেখুন, উন্নত বাংলাদেশের জন্য উন্নত রাজধানী দরকার। বাংলাদেশের উন্নত রাজধানী বিনির্মাণ অত্যাবশ্যক। এটি বিবেচনা করেই আমি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনকে উন্নত সিটি কর্পোরেশন হিসেবে সাজাতে চাই।

ঢাকার জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রধানমন্ত্রী ঢাকা সিটি কর্পোরেশকে দুভাগে বিভক্ত করেছেন। কিন্তু সিটির নাগরিকরা এখনও নাগরিক সুবিধা পাচ্ছেন না। দুর্ভাগ্যবশত আমরা দেখছি যে, দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মানুষ কিন্তু এখনও অবহেলিত। তাদের মৌলিক সুবিধাগুলো নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়গুলো আমাকে হতাশ করে, পীড়া দেয়। এসব সমস্যা সমাধানের বিষয়ে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করব। এটা আমার জন্য একটা চ্যালেঞ্জ। নগরবাসী যদি আমার সঙ্গে থাকেন তাহলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নত রাজধানীর স্বপ্ন আমরা পূরণ করতে পারব

জাগো নিউজ : ঢাকা শহরে যানজট একটা বড় সমস্যা। এ সমস্যার সমাধানে আপনার নিজস্ব কোনো চিন্তাভাবনা…

শেখ ফজলে নূর তাপস : ঢাকাবাসীর জন্য যানজট অবশ্যই একটা বড় ও প্রধান সমস্যা। ঢাকায় মেট্রোরেলের কাজ চলছে। সেটা শেষ হতে আরও কিছুটা সময় লাগবে। সেক্ষেত্রে এখন ঢাকার যানজটের যে পরিস্থিতি এটা তো আসলে অসহনীয় অবস্থায়। এ বিষয়ে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।

যানজট নিরসনে ঢাকার চারপাশের নদীগুলোকে কাজে লাগানো যেতে পারে। ঢাকা এত সুন্দর শহর, দুটি নদী, একটি বুড়িগঙ্গা আরেকটি শীতলক্ষ্যা। পুরান ঢাকা কিন্তু এ দুটি নদীর অববাহিকায়। উন্নত বিশ্বের রাজধানীতে দেখা যায়, সেখানে কোনো নদী নেই। যেখানে একটা নদী আছে, তারা সেটাকে সুন্দরভাবে কাজে লাগায়। কিন্তু আমরা দুটি নদী থাকার পরও কাজে লাগাতে পারিনি। আমি মনে করি, এখানে কাজ করার অনেক সুযোগ রয়েছে। বুড়িগঙ্গাকে অবশ্যই বাঁচাতে হবে, যদি ঢাকার সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনতে চাই। সেখানেও কাজ করতে হবে।

tapos

ঘিঞ্জি চকবাজারের চুড়িহাট্টায় ভয়াবহ আগুনের কথা ভোলেনি মানুষ। সেখানে প্রাণ হারান ৬৭ জন

এছাড়া নদীর পাড় দিয়ে আট লেনের রাস্তা নির্মাণের পরিকল্পনা আছে। আমার বিশ্বাস, এ রাস্তা দিয়ে ঢাকার যেকোনো প্রান্তের মানুষের কাঙ্ক্ষিত যোগাযোগ নিশ্চিত করা যাবে।

জাগো নিউজ : দিন যত যাচ্ছে রাজধানী ঢাকা যেন একটা বধ্যভূমিতে পরিণত হচ্ছে। নেই পর্যাপ্ত খেলার মাঠ, নেই চিত্তবিনোদনের সুব্যবস্থা। শিশুদের খেলার মাঠগুলো দখল হয়ে যাচ্ছে। যদিও যেসব পার্ক অবশিষ্ট আছে সেগুলোর সংস্কারকাজ চলছে। তবে কবে সেগুলো উন্মুক্ত হবে, তাও ঠিক মতো বলা যাচ্ছে না। এ বিষয়ে আপনার বিশেষ কোনো পরিকল্পনা আছে কি?

শেখ ফজলে নূর তাপস : এটা ঠিক, ঢাকায় আমাদের সন্তানদের জন্য খেলার উপযোগী তেমন মাঠ নেই। খেলাধুলার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হবে। প্রতিটি ওয়ার্ডে পর্যাপ্ত খেলার মাঠের জায়গা থাকবে যেখানে ছেলেমেয়েরা খেলাধুলা করতে পারবে। আজ তারা খেলাধুলা করতে পারছে না। এ কারণে কিশোররা বিপথে ধাবিত হচ্ছে। তাই খেলার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনা হবে। দখল করা মাঠ বা অব্যবহার্য মাঠ ফিরিয়ে আনা হবে। সেখানে নারী ও বয়োজ্যেষ্ঠদের জন্য উন্মুক্ত জায়গা থাকবে। প্রতিটি ওয়ার্ডে অন্তত একটি করে খেলার মাঠের ব্যবস্থা করা হবে।

নগরীকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে উন্নত বর্জ্য ব্যবস্থাপনার চিন্তা-ভাবনা আছে। রাস্তায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে ময়লা ফেলার বিষয়টি বন্ধ করতে হবে। এজন্য সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। সবার সহযোগিতা পেলে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন সুন্দর নগরী উপহার দিতে পারব।

জাগো নিউজ : পুরান ঢাকার ঘিঞ্জি রাস্তা ও সেখানকার ঐতিহ্য রক্ষার ব্যাপারে আপনার পরিকল্পনা কী হবে?

শেখ ফজলে নূর তাপস : পুরান ঢাকার ঐতিহ্য কিন্তু সংরক্ষণ করতেই হবে। ঘিঞ্জি রাস্তা বিদেশেও আছে। সেখানে সব যানবাহন চলাচল করে না। কোন রাস্তায় কোন যানবাহন চলবে, তার জন্য সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা থাকতে হবে। সে অনুযায়ী রাস্তাগুলো সংরক্ষণ ও সংস্কার করতে হবে। সেভাবে যদি করা যায় তাহলে দেখবেন পুরান ঢাকা স্বমহিমায় ও নিজস্ব স্বকীয়তায় তার হারানো সৌন্দর্য ফিরে পাবে। সেই পরিকল্পনা আমাদের আছে।

tapos

তাপসের নির্বাচনী প্রচারণা [ফাইল ছবি]

ঐতিহ্যবাহী ঢাকায় একসময় ঘোড়ার গাড়ির বেশ প্রচলন ছিল। কিন্তু এটা সেভাবে আর দেখা যায় না। আমার চিন্তা হলো, ঘোড়ার গাড়ির প্রচলন ফিরিয়ে আনা। সেটা যেন সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হয়, সে পরিকল্পনাও আমাদের আছে।

আগে পুরান ঢাকায় পঞ্চায়েত ব্যবস্থা কার্যকর ছিল। সেটা আজ তেমন সক্রিয় নেই। এ ব্যবস্থা ফের কার্যকর করা হবে। এলাকার মাদকসহ যেকোনো ধরনের সমস্যার সমাধান পঞ্চায়েতের মাধ্যমে হবে। এলাকার মুরব্বি যারা রয়েছেন তারা পঞ্চায়েতের মাধ্যমে সব সমস্যার সমাধান করবেন।

জাগো নিউজ : উন্নত বিশ্বে সিটি গভর্নমেন্ট বা নগর সরকারব্যবস্থা চালু রয়েছে। কিন্তু আমরা সে ব্যবস্থা চালু করতে পারিনি। সাবেক মেয়রও সিটি গভর্নমেন্ট বাস্তবায়নের কথা বলেছেন। এ বিষয়ে আপনার পর্যবেক্ষণ কী হবে?

শেখ ফজলে নূর তাপস : দেখুন, বর্তমানে সিটি কর্পোরেশনের যে কার্যপরিধি সেখানে যথেষ্ট ক্ষমতা দেয়া হয়েছে তাদের। সেগুলো যদি পরিপূর্ণভাবে পালন করা যায় তাহলে সিটি গভর্নমেন্টের প্রয়োজন পড়বে না। উন্নত নগর গঠনে আমাদের নিজস্ব একটি নির্বাচনী ইশতেহার থাকবে। ইশতেহার অনুযায়ী আমরা আমাদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করব। আমার বিশ্বাস, নির্লোভ ও দুর্নীতিমুক্তভাবে কাজ করতে পারলে নগরবাসীর প্রত্যাশা পূরণ করা সম্ভব।

জাগো নিউজ : দুর্নীতির কথা বললেন, সিটি কর্পোরেশনের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে নানা ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ আছে। দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীও আছেন সেখানে। মেয়র নির্বাচিত হলে এ বিষয়ে আপনার পদক্ষেপ কী হবে?

শেখ ফজলে নূর তাপস : স্বায়ত্তশাসিত প্রথম প্রতিষ্ঠান হিসেবে এ সিটি কর্পোরেশনকে দুর্নীতিমুক্ত করাই হবে আমার প্রথম কাজ। এখানে অনেক দক্ষ, অভিজ্ঞ ও ভালো জনবল রয়েছে। ভালোভাবে কাজ বুঝে নেয়ার জন্য প্রয়োজনে তাদের ইনসেন্টিভ দেয়া হবে। যার যার কর্মদায়িত্ব তাকে পালন করতে হবে। ঢাকার সব নাগরিকের সেবার জন্য ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন ভবন ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে।

এফএইচএস/এমএআর/জেআইএম

সব নাগরিকের সেবার জন্য ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন ভবন ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে

ঐতিহ্যবাহী ঢাকায় একসময় ঘোড়ার গাড়ির বেশ প্রচলন ছিল। সেটা ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেয়া হবে

সিটি কর্পোরেশনের কার্যপরিধিতে যথেষ্ট ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। সেগুলো পরিপূর্ণভাবে পালন হলে সিটি গভর্নমেন্টের প্রয়োজন হয় না

যানজট নিরসনে দুটি নদী থাকার পরও আমরা কাজে লাগাতে পারিনি। এখানে আমাদের কাজ করার সুযোগ আছে