সচিবের সঙ্গে প্রকল্প পরিদর্শনে ‘অভিযুক্ত’ কর্মকর্তা!

প্রদীপ দাস
প্রদীপ দাস প্রদীপ দাস , নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৪:২২ পিএম, ১৪ জানুয়ারি ২০২০

পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশনের (পিডিবিএফ) যুগ্ম-পরিচালক (নীতি ও পরিকল্পনা) ড. মো. মনারুল ইসলামের বিরুদ্ধে সাত কোটি ৬৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। এ অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ। তদন্তে যেন মনারুল ইসলাম প্রভাব বিস্তার করতে না পারেন, সেজন্য তাকে সব ধরনের কাজ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ।

তবে সবধরনের কাজ থেকে অব্যাহতির এ নির্দেশনা মানছেন না খোদ পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের চেয়ারপারসন ও সচিব মো. রেজাউল আহসান। একই সঙ্গে বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকা পিডিবিএফ কর্তৃপক্ষও তা বাস্তবায়ন করছে না। অভিযুক্ত মনারুল ইসলামও তা মানছেন না।

অভিযোগ রয়েছে, মনারুল ইসলামকে নাটোরের এক কর্মকর্তা বিভিন্ন সময় কুরিয়ারে লাখ লাখ টাকা পাঠিয়েছেন। কুরিয়ারে মনারুলের নামে টাকা পাঠানোর রশিদ জাগো নিউজের কাছে রয়েছে।

দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর গত ১১ ডিসেম্বর মনারুল ইসলামকে অব্যাহতি দেয়া হয়। পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সহকারী সচিব নাহরিন সুলতানার সই করা অব্যাহতিপত্রে বলা হয়, ‘পিডিপিএফের যুগ্ম-পরিচালক মনারুল ইসলাম কর্তৃক সরকারি অর্থায়নে বাস্তবায়িত তিনটি প্রকল্পে দুর্নীতি, আর্থিক অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার মাধ্যমে সাত কোটি ৬৮ লাখ টাকা আত্মসাতের বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের গঠিত তদন্ত কমিটি কর্তৃক তদন্ত কার্যক্রম চলমান। সুষ্ঠু তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য এবং মনারুল ইসলাম যেন তদন্ত প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তার করতে না পারেন, সেজন্য তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তাকে পিডিবিএফের বর্তমান সব প্রকার দায়িত্ব পালন থেকে অব্যাহতি দেয়ার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।’

তবে এ আদেশ মানছেন না পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের চেয়ারপারসন ও সচিব রেজাউল আহসান এবং মনারুল ইসলাম নিজে।

পিডিবিএফ সূত্র জানায়, এ আদেশ লঙ্ঘন করে গত ৪ জানুয়ারি ‘গংগাচড়া উপজেলায় বাংলাদেশের বিদ্যুৎবিহীন প্রত্যন্ত ও চর এলাকায় সৌরশক্তির উন্নয়ন’ প্রকল্পের কাজে অংশ নেন দুজন। রংপুরের গংগাচড়া উপজেলায় তারা এ প্রকল্পের কাজে অংশ নিয়ে মতবিনিময়, চেক ও সোলার প্যানেল বিতরণ করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের চেয়ারপারসন ও সচিব মো. রেজাউল আহসান জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমি তো উনাকে (যুগ্ম-পরিচালক মনারুল ইসলাম) ওইভাবে চিনি না। আমি বিভিন্ন জায়গায় যাচ্ছি, কে কোথায় থাকছে না থাকছে, সেটা ওইভাবে বুঝতে পারছি না। আমি যাচ্ছি, ওইখানে অনেক লোক থাকছে, অনেক প্রজেক্টের লোক থাকছে, এলাকার লোক থাকছে। সারা বাংলাদেশে কত কর্মচারী, কত কর্মকর্তা– সবাইকে কি আমি চিনব?’

সচিব রেজাউল আহসান কৌশলী কথা বললেও তিনি যে প্রকল্পের কাজে অংশ নিতে রংপুরের গংগাচড়া গিয়েছিলেন, অব্যাহতি পাওয়ার আগ পর্যন্ত সেই প্রকল্পের পরিচালক ছিলেন মনারুল ইসলাম। মতবিনিময়, চেক ও সোলার প্যানেল বিতরণের সময়ও তাদের পাশাপাশি অবস্থান করতে দেখা যায়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত পিডিবিএফের যুগ্ম-পরিচালক মনারুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমাকে সকল কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার জন্য চিঠি দেয়া হয়েছে। আমার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মহোদয় সেটার বিরুদ্ধে আবার লিখেছেন। তারা তো আর কোনো জবাব দেয়নি। তার (ওই নির্দেশনা) অর্থ এই নয় যে, সেটা কার্যকর হয়ে গেছে। সেটা চিঠি দিয়ে জানাবেন সচিব মহোদয়।’

bd

গংগাচড়ায় পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় সচিবের সোলারহোম সিস্টেম বিতরণ অনুষ্ঠানে মনারুল ইসলাম

মনারুল ইসলাম আরও বলেন, ‘আমি কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেছি, সেই প্রমাণ থাকলে আপনি লেখেন। আর ভেতরে কী আছে, লেখেন, অসুবিধা নেই। গংগাচড়ায় অংশগ্রহণ করেছি কি করি নাই, সেটা সচিব স্যারকে বলেন। পরিষ্কার হওয়ার জন্য সচিবের কাছে যান।’

তার দাবি, ‘কাজ করতে গেলে দেখতে হবে কাজের ভুল আছে কতটুকু। এটা আসলেই সরকার, রাষ্ট্রের কতটুকু ক্ষতি করেছে। আর যদি হয় একজন মানুষ সম্পর্কে অযথাই কিছু প্রোপাগান্ডা ছড়ানো…।’

অভিযুক্তকে পদোন্নতি দেয়ার চেষ্টার অভিযোগ

গত ৭ সেপ্টেম্বর পিডিবিএফের ৭৬তম বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার আটটি আলোচ্যসূচির মধ্যে একটি ছিল ‘পিডিবিএফের পদোন্নতি নীতিমালা- ২০১৯ সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা’। এরপর ৭৭, ৭৮ ও ৭৯তম সভাও হয়েছে।

পিডিবিএফ সূত্র বলছে, সভায় পদোন্নতির নীতিমালার কথা বলে শুধু অতিরিক্ত পরিচালকের পদে পদোন্নতির জন্য বোর্ড সভায় বারবার এজেন্ডা আনা হয়েছে।

পদোন্নতি হলে যুগ্ম-পরিচালক থেকে অতিরিক্ত পরিচালক পদে যাবেন মনারুল ইসলাম।

এ বিষয়ে মনারুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, ‘পদোন্নতি একটা চলমান প্রক্রিয়া। কোন গ্রেডের ক’জন আছে, তারা কোথায় আছে, তাদের খুঁজে পদোন্নতি দেয় বোর্ড। এখানে কারও ব্যক্তিগত আবেদন-নিবেদনের সুযোগ নেই।’

তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তার পদোন্নতি হবে না বলেও মনে করেন তিনি। তবে তদন্তে নির্দোষ প্রমাণিত হলে স্বাভাবিক নিয়মেই পদোন্নতি পাবেন বলে আশা করেন মনারুল।

এ বিষয়ে অভিযোগ তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক এবং পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের অতিরিক্ত সচিব আফজাল হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, ‘পেয়ে গেলে (পদোন্নতি) তারপরে বইলেন। তদন্তাধীন থাকা সত্ত্বেও তাকে পদোন্নতি দেয়া হইছে, এরকম এভিডেন্স (প্রমাণ) হাতে নিয়ে কথা বইলেন। পেতে যাচ্ছে, এমন অনুমানভিত্তিক কিছু নিয়ে কথা বলা মনে হয় ঠিক হবে না।’

পিডিবিএফ’র চাকরি প্রবিধানমালার ১৭ নম্বর ধারায় পদোন্নতির বিষয়ে বলা আছে, ‘শুধুমাত্র চাকুরীর মেয়াদের দীর্ঘতার কারণে অধিকার হিসাবে উচ্চতর কোনো পদে পদোন্নতি দাবি করা যাবে না। কোনো কর্মচারীর চাকুরীর বৃত্তান্ত (সার্ভিস রেকর্ড) সন্তোষজনক না হলে, তিনি পদোন্নতির মাধ্যমে কোনো পদে নিয়োগলাভের যোগ্য বলিয়া বিবেচিত হবেন না। কোনো কর্মচারীকে, তার অসাধারণ কৃতীত্ব, কর্তব্যনিষ্ঠা এবং চাকুরীর মেয়াদকালে উচ্চতর পদের জন্য প্রয়োজনীয় পেশাগত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার কারণে, উচ্চতর কোনো পদে পদোন্নতি দেয়ার ক্ষেত্রে এ প্রবিধান প্রয়োগে ব্যতিক্রম করা যাইতে পারে।’

মনারুলের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগের তদন্ত চলমান

পিডিবিএফের যুগ্ম-পরিচালক মনারুল ইসলামকে অব্যাহতি দেয়ার তিনদিন পর গত ১৪ ডিসেম্বর অভিযোগ তদন্তের স্বার্থে পিডিবিএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের (ভারপ্রাপ্ত) কাছে তথ্য চেয়ে চিঠি দেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সহকারী সচিব মো. তৌহিদুর রহমান।

তাতে বলা হয়, পিডিবিএফের বাস্তবায়নাধীন ‘পিডিবিএফ সম্প্রসারণ প্রকল্প’, ‘পিডিবিএফ আইসিটি ও ই-সেবা প্রকল্প’ এবং ‘গংগাচড়া উপজেলায় বাংলাদেশের বিদ্যুৎবিহীন প্রত্যন্ত ও চর এলাকায় সৌরশক্তির উন্নয়ন’শীর্ষক তিনটি সরকারি সাহায্যপুষ্ট প্রকল্পে প্রকল্প পরিচালক হিসেবে যুগ্ম-পরিচালক মনারুল ইসলাম দায়িত্ব পালন করছেন। ইতোমধ্যে দুটি প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়েছে। চলমান রয়েছে গংগাচড়া উপজেলায় বাংলাদেশের বিদ্যুৎবিহীন প্রত্যন্ত ও চর এলাকায় সৌরশক্তির উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ। অনিয়মতান্ত্রিক ও অনৈতিক পন্থায় প্রাক্তন ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মদন মোহন সাহার যোগসাজশে আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে এককভাবে তিনটি প্রকল্পের দায়িত্ব মনারুল পেয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগগুলো তদন্তের স্বার্থে নিম্নলিখিত তথ্যগুলো প্রয়োজন।

পিডিবিএফের সম্প্রসারণ প্রকল্প

ক. প্রশিক্ষণ খাত : কী ধরনের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে এবং যেসব উপজেলায় প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে, সেসব উপজেলার প্রশিক্ষণার্থীদের হাজিরা শিট ও প্রশিক্ষণ ভাতা কত ছিল, তার বিস্তারিত তথ্য দিতে হবে।

খ. বাইসাইকেল কেনা : টেন্ডারিংয়ের কপি, কোন কোম্পানির বাইসাইকেল, কোন ব্র্যান্ডের বাইসাইকেল ও কত দামের বাইসাইকেল কেনা হয়েছে, তার ক্যাশমেমো এ বিভাগে প্রেরণ করতে হবে। এছাড়া কতজনকে বাইসাইকেল ক্রয়ে বাধ্য করা হয়েছে, তাদের প্রাপ্তিস্বীকারপত্র অত্র বিভাগে প্রেরণ করতে হবে।

manarul-islam-02

পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় সচিবের সোলারহোম সিস্টেম বিতরণ অনুষ্ঠানে মনারুল ইসলাম (গোল চিহ্নিত)

গ. জনবল নিয়োগ : আলোচ্য প্রকল্পের নথি চাওয়া যেতে পারে। ৩৮ জন মাঠ সংগঠক নিয়োগে তিন লাখ টাকা করে মোট ১১৪ লাখ টাকা ঘুষ গ্রহণের প্রমাণসহ অভিযোগকারীকে সশরীরে হিয়ারিংয়ে উপস্থিত থাকতে হবে।

ঘ. বিভাগীয় মামলায় প্রমাণিত আত্মসাতকারী কর্মীদের পিডিবিএফে অন্তর্ভুক্তির অভিযোগ : নাটোর অঞ্চলের চারঘাট কার্যালয়ের কর্মী শাবনুর আক্তার ও শাহীন আলীর প্রকল্প থেকে পিডিবিএফে প্রমাণকসহ সশরীরে হিয়ারিংয়ে উপস্থিত থাকতে হবে।

পিডিবিএফের আইসিটি ও ই-সেবা প্রকল্প

ক. এসি কেনা : ১১টি ল্যাবে ২৫টি এসি (রিকুয়েস্ট ফর কোটেশনসহ) বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে কিনে থাকলে কোন কোম্পানির এসি, কোন ব্র্যান্ডের এসি ও কত দামের এসি কেনা হয়েছে, তার ক্যাশমেমো অত্র বিভাগে প্রেরণ করতে হবে।

খ. কম্পিউটার কেনা : কম্পিউটার কেনার ক্ষেত্রে দরপত্র আহ্বানের সকল কাগজপত্র, কোন কোম্পানির, কোন ব্র্যান্ডের ও কত দামে কেনা হয়েছে, তার ক্যাশমেমোসহ নথি অত্র বিভাগে প্রেরণ করতে হবে।

গ. ইউপিএস কেনা : ১১টি ল্যাবে ৬৭৫টি ইউপিএস কেনা হলে কোন কোম্পানির, কোন ব্র্যান্ডের, কত দামের ইউপিএস কেনা হয়েছে, তার ক্যাশমেমো অত্র বিভাগে প্রেরণ করতে হবে।

ঘ. সার্ভার কেনা : পিপিআর-২০০৮ এবং টেন্ডার পদ্ধতি উপেক্ষা করে ২৫টি সার্ভার কেনা হলে কোন কোম্পানির, কোন ব্র্যান্ডের ও কত দামের সার্ভার কেনা হয়েছে, তার ক্যাশমেমো অত্র বিভাগে প্রেরণ করতে হবে।

ঙ. জেনারেটর কেনা : ১১টি ল্যাবের জন্য ১১টি জেনারেটর (রিকুয়েস্ট ফর কোটেশনসহ) বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে কিনে থাকলে কোন কোম্পানির, কোন ব্র্যান্ডের, কত দামের জেনারেটর কেনা হয়েছে তার ক্যাশমেমো অত্র বিভাগে প্রেরণ করতে হবে।

চ. জেনারেটরের তেল কেনা : ১১টি ল্যাবের জন্য ১১টি জেনারেটর কেনা হয়েছে কি-না, তা সরেজমিন তদন্ত করা যেতে পারে। আসাদুজ্জামান (ল্যাব ইনচার্জ, নাটোর) ও মনারুল ইসলামের ভাইপো মুনতাসুর মামুনের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ করে স্টেটমেন্ট সংগ্রহ করে যাচাই করতে হবে। তাদের জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনের আওতায় আনতে হবে।

ছ. বিদেশ ভ্রমণ : আইসিটি ও ই-সেবা প্রকল্পে চারজনের দক্ষিণ আফ্রিকায় ১১ দিনের সফরের পাসপোর্ট, ভিসা ও বিমান টিকিটসহ অন্যান্য খরচের হিসাব অত্র বিভাগে প্রেরণ করতে হবে।

জ. প্রশিক্ষণ : আইসিটি ও ই-সেবা প্রকল্প ও প্রশিক্ষণ খাতে অর্থব্যয়ের বিল-ভাউচারের কপি অত্র বিভাগে প্রেরণ করতে হবে।

ঝ. ডাটাবেজ সফটওয়্যার কেনা : ডাটা সফট লিমিটেড (মাইক্রো-৩৬০) সম্পর্কে পিডিবিএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে সফটওয়্যারের বর্তমান অবস্থার তথ্য অত্র বিভাগে প্রেরণ করতে হবে।

গংগাচড়ায় বিদ্যুৎবিহীন প্রত্যন্ত ও চর এলাকায় সৌরশক্তির উন্নয়ন প্রকল্প

ক. গঙ্গাচড়া উপজেলায় বাংলাদেশের বিদ্যুৎবিহীন প্রত্যন্ত ও চর এলাকায় সৌরশক্তির উন্নয়ন শীর্ষক প্রকল্পের (টেক) কমিটির রিপোর্ট এবং আড়াই জিবি/সাড়ে চার জিবি ডাটা কেনার বিলের কপি অত্র বিভাগে প্রেরণ করতে হবে।

পিডি/এইচএ/পিআর