রফতানিখাতে মন্দা, চোখ রাঙাচ্ছে করোনাভাইরাস

মো. শফিকুল ইসলাম
মো. শফিকুল ইসলাম মো. শফিকুল ইসলাম , নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:০২ পিএম, ০৫ মার্চ ২০২০
চলতি অর্থবছরের বাকি চার মাসেও রফতানি আয় ইতিবাচক ধারায় ফিরবে কি-না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে

# লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে রফতানি আয় ১২ দশমিক ৭২ শতাংশ কম
# গোটা অর্থনীতি বড় সংকটে পড়ার শঙ্কায়

চলতি অর্থবছরের শুরুতেই হোঁচট খায় দেশের রফতানি আয়। সেই হোঁচটের নেতিবাচক ধারা অব্যাহত রয়েছে রফতানিখাতে। চলতি (২০১৯-২০) অর্থবছরের আট মাসে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) রফতানিখাতে যে আয় হয়েছে, তা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১২ দশমিক ৭২ শতাংশ কম। অর্জিত এ আয় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪ দশমিক ৭৯ শতাংশ কম। অর্থবছরের বাকি চার মাসেও রফতানি আয় ইতিবাচক ধারায় ফিরবে কি-না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। এক্ষেত্রে চোখ রাঙাচ্ছে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস।

রফতানিখাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নগদ প্রণোদনা ও সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের পরও রফতানি আয় কমছে। তৈরি পোশাক, চামড়া, প্লাস্টিকসহ বড় বড় খাতে আয় কমে যাওয়ার প্রভাব পড়েছে সার্বিক রফতানিখাতে। এছাড়া বিশ্ববাজারে পোশাকের চাহিদা কম থাকায় অর্ডারও কমছে। সঙ্গে পণ্যের মূল্যও কমে গেছে। পাশাপাশি দেশের অবকাঠামোগত সমস্যা, ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন না করা, ব্যাংক ঋণের উচ্চ সুদহারসহ বিভিন্ন কারণে রফতানি বাণিজ্যে নেতিবাচক ধারা রয়েছে। আগামীতে এ অবস্থা হবে আরও ভয়াবহ। কারণ এরই মধ্যে বিশ্ববাজারকে হেলিয়ে দিয়েছে চীন থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস। চীন ছাড়িয়ে এশিয়া-ইউরোপ-আমেরিকা- সর্বত্র ছড়িয়ে পড়া এ মহামারি যদি আরও মারাত্মক আকার ধারণ করে, তাহলে রফতানি বাণিজ্য বড় ক্ষতির মুখে পড়বে।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) হালনাগাদ প্রতিবেদন বলছে, ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রথম আট মাসে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) পণ্য রফতানিতে আয়ের লক্ষ্য ঠিক করা হয় ৩ হাজার ৬ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার। এর বিপরীতে রফতানি আয় হয়েছে ২ হাজার ৬২৪ কোটি ১৮ লাখ ডলার, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১২ দশমিক ৭২ শতাংশ কম এবং একই সঙ্গে গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৪ দশমিক ৭৯ শতাংশ কম।

korona

পোশাকখাতে অর্থবছরের প্রথম আট মাসে রফতানি আয় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৩ দশমিক ৪৫ শতাংশ কম

ইপিবির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, একক মাস হিসাবে গত ফেব্রুয়ারিতে রফতানি আয় হয়েছে ৩৩২ কোটি ২৩ লাখ ডলার। এ সময় লক্ষ্য ছিল ৩৭২ কোটি ২০ লাখ ডলার। অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ফেব্রুয়ারিতেই আয় কমেছে ১০ দশমিক ৭৪ শতাংশ। এ মাসে প্রবৃদ্ধিও কম হয়েছে ১ দশমিক ৮০ শতাংশ। গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে রফতানি করে আয় হয় ৩৩৮ কোটি ৩২ লাখ ডলার।

তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাসে মোট রফতানি আয়ে পোশাকের অবদান ৮৩ দশমিক ২৫ শতাংশ। তবে হোমটেক্স, টেরিটাওয়েলসহ এ খাতের অন্যান্য রফতানির উপখাত হিসাব করলে তৈরি পোশাক খাতের অবদান ৮৫ শতাংশ ছাড়িয়ে যাবে। তৈরি পোশাকের রফতানি কমার মানে এর প্রভাব পুরো রফতানিখাতে পড়েছে।

ইপিবির তথ্য বলছে, চলতি অর্থবছরের ফেব্রুয়ারি শেষে পোশাক রফতানি করে বাংলাদেশ আয় করেছে ২ হাজার ১৮৪ কোটি ৭৪ লাখ ডলার, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৩ দশমিক ৪৫ শতাংশ কম। একই সময়ে রফতানি প্রবৃদ্ধিও কমেছে ৫ দশমিক ৫৩ শতাংশ।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সাবেক সভাপতি মো. সিদ্দিকুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, এ অর্থবছরের শুরু থেকে বলে আসছি তৈরি পোশাকের ব্যবসা কম। বিশ্ববাজারে পোশাকের ব্যবসা কমছে। পরিসংখ্যান দেখলে বোঝা যাবে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে আমরা যতটুকু পিছিয়ে আছি; আমাদের ব্যবসা ততটুকু কমেছে। কিন্তু আমাদের রফতানি প্রবৃদ্ধি বাড়ার কথা ছিল। শুধু তাই নয়, আগের তুলনায় আমাদের ব্যবসাও ৫ শতাংশ কমে গেছে। দিন দিন খরচ বাড়ছে। সব মিলিয়ে পোশাক খাত বড় চাপের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। আগামীতে ব্যবসা টিকিয়ে রাখা মুশকিল হবে।

korona

অর্থবছরের প্রথম আট মাসে কেবল পাট ও পাটজাত পণ্য রফতানিতেই আয় বেড়েছে

বিশ্ব-অর্থনীতিতে করোনাভাইরাস বড় ধরনের ধাক্কা দিলেও বাংলাদেশের ওপর এর প্রভাব নিয়ে এখনই কথা বলতে চান না সিদ্দিকুর রহমান। তিনি বলেন, করোনাভাইরাস নিয়ে কথা বলা যাবে না। তবে এটি ইউরোপে দেখা দিয়েছে। এর পরিধি বাড়লে আমাদের রফতানি বাণিজ্য ভয়াবহ রূপ নেবে।

রফতানি বাণিজ্য ইতিবাচক ধারায় ফেরাতে কী করা দরকার- জানতে চাইলে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সহ-সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, আমাদের নতুন নতুন বাজার খুঁজতে হবে। এক পণ্যের ওপর নির্ভর না করে রফতানি পণ্যের বহুমুখীকরণ করতে হবে। সবচেয়ে বড় কথা চলমান পোশাকখাতের দুরবস্থা থেকে উত্তরণে জরুরি ভিত্তিতে পোশাকখাতে সরকারের নগদ প্রণোদনা দেয়া দরকার।

পোশাকশিল্পের বাইরে অন্য খাতগুলোতেও রফতানি আয় কমেছে। ইপিবির তথ্যানুসারে, চলতি অর্থবছরের ফেব্রুয়ারি শেষে কৃষিপণ্য রফতানিতে আয় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৯ দশমিক ৮৩ শতাংশ কম হয়েছে। আট মাসে কৃষিপণ্য রফতানি করে বাংলাদেশ আয় করেছে ৬৬ কোটি ৭৩ লাখ ডলার।

এই সময়ে প্লাস্টিকপণ্য রফতানিতেও লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম হয়েছে আয়। কমেছে প্রবৃদ্ধির পরিমাণও। আট মাসে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্লাস্টিকপণ্য রফতানিতে আয় হয়েছে ২৩ দশমিক ৯১ শতাংশ কম। লক্ষ্যমাত্রা ৯ কোটি ৯১ লাখ ২০ হাজার ডলার থাকলেও হয়েছে ৭ কোটি ৫৪ লাখ ২০ হাজার ডলার।

korona

বিশ্ব-অর্থনীতিকে হেলিয়ে দিয়েছে করোনাভাইরাস

আট মাসে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রফতানিতেও অর্জন হয়নি লক্ষ্যমাত্রা। কমেছে প্রবৃদ্ধি। এ পণ্য রফতানি করে আয় হয়েছে ৬৩ কোটি ৭৬ লাখ ডলার, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১২ দশমিক ৫১ শতাংশ কম। প্রবৃদ্ধিও কমেছে ৯ দশমিক ০৪ শতাংশ।

এ সময় বেড়েছে পাট ও পাটজাত পণ্য রফতানি। চলতি অর্থবছরের ফেব্রুয়ারি শেষে পাট ও পাটজাত পণ্য রফতারি করে বাংলাদেশ আয় করেছে ৬৯ কোটি ৭৬ লাখ ডলার, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২৮ দশমিক ১২ শতাংশ বেশি। প্রবৃদ্ধিও গত বছরের একই সময়ের চেয়ে এই আট মাসে হয়েছে ২৪ দশমিক ৪৫ শতাংশ বেশি।

ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে পণ্য রফতানি করে ৪ হাজার ৫৩ কোটি ডলার আয় করে বাংলাদেশ।

চলতি অর্থবছর (২০১৯-২০) রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৪ বিলিয়ন বা ৫ হাজার ৪০০ কোটি ডলার। এর মধ্যে পণ্যখাতে রফতানির টার্গেট সাড়ে ৪৫ বিলিয়ন এবং সার্ভিস সেক্টরে সাড়ে ৮ বিলিয়ন ডলার, যা গত অর্থবছরের রফতানি আয়ের চেয়ে ১৫ দশমিক ২০ শতাংশ বেশি।

জানা গেছে, দেশে শিল্পের কাঁচামাল ও যন্ত্রপাতি থেকে শুরু করে দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় উপকরণ এবং ভোগ্যপণ্য আমদানির প্রায় ৩৫ শতাংশ আসে চীন থেকে। কিন্তু নভেল করোনাভাইরাসের কারণে এক মাস ধরে চীনের সঙ্গে সব ধরনের আমদানি-রফতানি বন্ধ রয়েছে। যার প্রভাবে ইতোমধ্যে অস্থির হয়ে উঠেছে ভোগ্যপণ্যের বাজার।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, করোনাভাইরাসের কারণে অস্থিরতার প্রভাব পড়বে দেশের শিল্প উৎপাদন, আমদানি-রফতানি বাণিজ্য, সরবরাহ ব্যবস্থা ও সেবাখাতেও। ফলে গোটা অর্থনীতি বড় সংকটে পড়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

এসআই/এইচএ/জেআইএম

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৬,৩১,১৩,৫০৪
আক্রান্ত

১৪,৬৫,৭৩৬
মৃত

৪,৩৫,৭৪,৫০৪
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৪,৬২,৪০৭ ৬,৬০৯ ৩,৭৮,১৭২
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১,৩৭,৫০,৬০৮ ২,৭৩,০৭৭ ৮১,০৭,২৭০
ভারত ৯৪,৩২,০৭৫ ১,৩৭,১৭৭ ৮৮,৪৭,৬০০
ব্রাজিল ৬৩,১৪,৭৪০ ১,৭২,৮৪৮ ৫৫,৭৮,১১৮
রাশিয়া ২২,৯৫,৬৫৪ ৩৯,৮৯৫ ১৭,৭৮,৭০৪
ফ্রান্স ২২,১৮,৪৮৩ ৫২,৩২৫ ১,৬১,৪২৭
স্পেন ১৬,৪৬,১৯২ ৪৪,৬৬৮ ১,৯৬,৯৫৮
যুক্তরাজ্য ১৬,১৭,৩২৭ ৫৮,২৪৫ ৩৪৪
ইতালি ১৫,৮৫,১৭৮ ৫৪,৯০৪ ৭,৩৪,৫০৩
১০ আর্জেন্টিনা ১৪,১৮,৮০৭ ৩৮,৪৭৩ ১২,৪৯,৮৪৩
১১ কলম্বিয়া ১৩,০৮,৩৭৬ ৩৬,৫৮৪ ১২,০৪,৪৫২
১২ মেক্সিকো ১১,০৭,০৭১ ১,০৫,৬৫৫ ৮,১৮,৩৯৭
১৩ জার্মানি ১০,৫৫,৬০৭ ১৬,৫৩৩ ৭,২২,৩০০
১৪ পোল্যান্ড ৯,৮৫,০৭৫ ১৭,০২৯ ৫,৫৯,৪২৯
১৫ পেরু ৯,৬২,৫৩০ ৩৫,৯২৩ ৮,৯৩,০৬১
১৬ ইরান ৯,৪৮,৭৪৯ ৪৭,৮৭৪ ৬,৫৮,২৯২
১৭ দক্ষিণ আফ্রিকা ৭,৮৭,৭০২ ২১,৪৭৭ ৭,৩০,৬৩৩
১৮ ইউক্রেন ৭,৩২,৬২৫ ১২,৩২৭ ৩,৪৫,১৪৯
১৯ তুরস্ক ৬,০৭,৬২৮ ১৩,৫৫৮ ৪,০০,২৪২
২০ বেলজিয়াম ৫,৭৬,৫৯৯ ১৬,৫৪৭ ৩৭,৩৮৩
২১ ইরাক ৫,৫০,৪৩৫ ১২,২২৪ ৪,৮০,৯০৩
২২ চিলি ৫,৫০,৪৩০ ১৫,৩৫৬ ৫,২৫,২১২
২৩ ইন্দোনেশিয়া ৫,৩৪,২৬৬ ১৬,৮১৫ ৪,৪৫,৭৯৩
২৪ চেক প্রজাতন্ত্র ৫,১৯,৭২৩ ৮,১৩৮ ৪,৪৪,৪০৬
২৫ নেদারল্যান্ডস ৫,১৮,৯১০ ৯,৩৪৯ ২৫০
২৬ রোমানিয়া ৪,৭১,৫৩৬ ১১,১৯৩ ৩,৪৮,৮৫২
২৭ ফিলিপাইন ৪,২৯,৮৬৪ ৮,৩৭৩ ৩,৯৮,৬২৪
২৮ পাকিস্তান ৩,৯৮,০২৪ ৮,০২৫ ৩,৪১,৪২৩
২৯ কানাডা ৩,৭০,২৭৮ ১২,০৩২ ২,৯৪,৪১১
৩০ সৌদি আরব ৩,৫৭,১২৮ ৫,৮৮৪ ৩,৪৬,৪০৯
৩১ মরক্কো ৩,৫৩,৮০৩ ৫,৭৮৯ ৩,০২,৩১৪
৩২ ইসরায়েল ৩,৩৫,৯৮০ ২,৮৬৪ ৩,২৩,২১৯
৩৩ সুইজারল্যান্ড ৩,১৮,২৯০ ৪,৬৫০ ২,২২,১০০
৩৪ পর্তুগাল ২,৯৪,৭৯৯ ৪,৪২৭ ২,০৯,৫৩৪
৩৫ অস্ট্রিয়া ২,৭৯,৭০৮ ৩,১০৫ ২,১৬,৯৯৮
৩৬ সুইডেন ২,৪৩,১২৯ ৬,৬৮১ ৪,৯৭১
৩৭ নেপাল ২,৩১,৯৭৮ ১,৪৭৯ ২,১২,৫৯০
৩৮ জর্ডান ২,১৪,৩০৭ ২,৬৯৪ ১,৪৮,৫৭২
৩৯ হাঙ্গেরি ২,১১,৫২৭ ৪,৬৭২ ৫৫,৬৩৭
৪০ ইকুয়েডর ১,৯২,১১৭ ১৩,৪২৩ ১,৬৯,৮০৪
৪১ সার্বিয়া ১,৬৯,২১৪ ১,৫৪৯ ৩১,৫৩৬
৪২ সংযুক্ত আরব আমিরাত ১,৬৭,৭৫৩ ৫৭০ ১,৫৪,১৮৫
৪৩ পানামা ১,৬৪,৭২৯ ৩,০৬০ ১,৪৩,৬১৬
৪৪ জাপান ১,৪৪,৬৫৩ ২,১০৬ ১,২১,৮৯১
৪৫ বলিভিয়া ১,৪৪,৬২২ ৮,৯৫২ ১,২১,৪৭২
৪৬ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ১,৪৩,৪৭৩ ২,৩৩০ ১,১৪,৮১৮
৪৭ বুলগেরিয়া ১,৪২,৪৮৬ ৩,৮১৪ ৪৮,৫৯৪
৪৮ কুয়েত ১,৪২,৪২৬ ৮৭৮ ১,৩৬,৪১৩
৪৯ কাতার ১,৩৮,৬৪৮ ২৩৭ ১,৩৫,৮৬২
৫০ কোস্টারিকা ১,৩৭,০৯৩ ১,৬৯০ ৮৪,৯৯১
৫১ জর্জিয়া ১,৩৫,৫৮৪ ১,২৬৭ ১,১৩,৯৮৬
৫২ আর্মেনিয়া ১,৩৫,১২৪ ২,১৬৪ ১,০৮,৪৪২
৫৩ বেলারুশ ১,৩৫,০০৮ ১,১৫১ ১,১৩,৩৭৫
৫৪ কাজাখস্তান ১,৩১,৬৫৯ ১,৯৯০ ১,১৬,৪৬১
৫৫ লেবানন ১,২৬,৯৪৪ ১,০০৪ ৭৬,৭৭৪
৫৬ ক্রোয়েশিয়া ১,২৬,৬১২ ১,৭১২ ১,০১,৮৩৮
৫৭ ওমান ১,২৩,৪৮৪ ১,৪১৮ ১,১৪,৯৬৩
৫৮ গুয়াতেমালা ১,২১,৯৭১ ৪,১৬৬ ১,১০,৫৮৮
৫৯ আজারবাইজান ১,১৮,১৯৫ ১,৩৬১ ৭৩,৬৭৬
৬০ মিসর ১,১৫,৫৪১ ৬,৬৩৬ ১,০২,৫৯৬
৬১ ইথিওপিয়া ১,০৯,৫৩৪ ১,৭০০ ৬৯,৩১৫
৬২ হন্ডুরাস ১,০৭,৮৮৮ ২,৯০৯ ৪৭,৬৮০
৬৩ মলদোভা ১,০৭,০১৭ ২,২৯০ ৯৪,৫৮৬
৬৪ স্লোভাকিয়া ১,০৫,৭৩৩ ৮১৬ ৬৪,১৯৭
৬৫ গ্রীস ১,০৪,২২৭ ২,৩২১ ৯,৯৮৯
৬৬ ভেনেজুয়েলা ১,০২,০৪০ ৮৯৪ ৯৬,৬৫২
৬৭ তিউনিশিয়া ৯৬,২৫১ ৩,২১৯ ৬৯,৬২৪
৬৮ মায়ানমার ৮৯,৪৮৬ ১,৯১৮ ৬৮,৯১০
৬৯ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ৮৭,৩৭৪ ২,৬২০ ৫১,৪৭৯
৭০ বাহরাইন ৮৬,৭৮৭ ৩৪১ ৮৪,৯৭৭
৭১ চীন ৮৬,৫৩০ ৪,৬৩৪ ৮১,৬১৯
৭২ ফিলিস্তিন ৮৩,৫৮৫ ৭১৭ ৬৩,৮৩৪
৭৩ কেনিয়া ৮৩,৩১৬ ১,৪৫২ ৫৪,৯৭৫
৭৪ লিবিয়া ৮২,৪৩০ ১,১৬৬ ৫৩,২৬৬
৭৫ আলজেরিয়া ৮২,২২১ ২,৪১০ ৫৩,২০৪
৭৬ প্যারাগুয়ে ৮১,৯০৬ ১,৭৪৩ ৫৭,৯৪৭
৭৭ ডেনমার্ক ৭৯,৩৫২ ৮২৯ ৬২,৫১৪
৭৮ স্লোভেনিয়া ৭৫,৩৮১ ১,৩৮৪ ৫৩,৬৮৭
৭৯ উজবেকিস্তান ৭২,৯২০ ৬০৮ ৭০,১৯৮
৮০ কিরগিজস্তান ৭২,৮০৭ ১,৪৯৮ ৬৪,১৪৯
৮১ আয়ারল্যান্ড ৭২,২৪১ ২,০৫২ ২৩,৩৬৪
৮২ নাইজেরিয়া ৬৭,৪১২ ১,১৭৩ ৬৩,০৫৫
৮৩ মালয়েশিয়া ৬৪,৪৮৫ ৩৫৭ ৫২,৬৪৭
৮৪ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ৬১,৫৪৩ ১,৭৩১ ৩৮,৪০০
৮৫ লিথুনিয়া ৬০,১৯৩ ৪৯৩ ১৪,১২০
৮৬ সিঙ্গাপুর ৫৮,২১৮ ২৯ ৫৮,১২৪
৮৭ ঘানা ৫১,৫৬৯ ৩২৩ ৫০,৪৫০
৮৮ আফগানিস্তান ৪৬,২১৫ ১,৭৬৩ ৩৬,৭৩১
৮৯ এল সালভাদর ৩৮,৪০৫ ১,১১৪ ৩৫,০৭৮
৯০ আলবেনিয়া ৩৭,৬২৫ ৭৯৮ ১৮,৪৮১
৯১ নরওয়ে ৩৫,৮২৮ ৩২৮ ২০,৯৫৬
৯২ মন্টিনিগ্রো ৩৪,৮৮১ ৪৮৭ ২৩,৪৮৪
৯৩ লুক্সেমবার্গ ৩৪,৫৩৯ ৩১২ ২৪,০৭৩
৯৪ দক্ষিণ কোরিয়া ৩৪,২০১ ৫২৬ ২৭,৬৫৩
৯৫ অস্ট্রেলিয়া ২৭,৯০২ ৯০৮ ২৫,৫৯৫
৯৬ ফিনল্যাণ্ড ২৪,৬২৯ ৩৯৩ ১৬,৮০০
৯৭ ক্যামেরুন ২৪,১১৭ ৪৩৭ ২২,১৭৭
৯৮ শ্রীলংকা ২৩,৪৮৪ ১১৬ ১৭,০০২
৯৯ আইভরি কোস্ট ২১,৩১০ ১৩১ ২০,৯৪৭
১০০ উগান্ডা ২০,১৪৫ ২০১ ৮,৯৮৯
১০১ জাম্বিয়া ১৭,৬০৮ ৩৫৭ ১৬,৯৮৩
১০২ সুদান ১৭,৪০৪ ১,২৩৫ ১০,১৭৫
১০৩ মাদাগাস্কার ১৭,৩৪১ ২৫১ ১৬,৬৫৭
১০৪ লাটভিয়া ১৬,৯৭৫ ১৯৭ ১,৭১৯
১০৫ সেনেগাল ১৬,০৭৫ ৩৩৩ ১৫,৫৯৭
১০৬ মোজাম্বিক ১৫,৬১৩ ১৩০ ১৩,৬৭৭
১০৭ অ্যাঙ্গোলা ১৫,১০৩ ৩৪৬ ৭,৭৬৩
১০৮ নামিবিয়া ১৪,৩৪৫ ১৫১ ১৩,৪৩৯
১০৯ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ১৪,০৯৬ ৭৩ ৪,৮৪২
১১০ গিনি ১৩,০৩৯ ৭৬ ১১,৯৮২
১১১ মালদ্বীপ ১২,৯৯৪ ৪৬ ১১,৯০২
১১২ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ১২,৭০২ ৩৩৩ ১১,৫৮৫
১১৩ তাজিকিস্তান ১২,১৫৫ ৮৬ ১১,৫৫৯
১১৪ এস্তোনিয়া ১২,০৫২ ১১২ ৭,০১০
১১৫ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ১১,১৭৯ ৭০ ৯,৯৯৫
১১৬ কেপ ভার্দে ১০,৭৪৭ ১০৫ ১০,২২৯
১১৭ জ্যামাইকা ১০,৭০৯ ২৫৬ ৬,০৬৬
১১৮ সাইপ্রাস ১০,৩৮৩ ৪৮ ২,০৫৭
১১৯ বতসোয়ানা ১০,২৫৮ ৩১ ৭,৭১৭
১২০ জিম্বাবুয়ে ৯,৯৫০ ২৭৬ ৮,৪৮২
১২১ মালটা ৯,৭৫২ ১৩৩ ৭,৫৫৭
১২২ হাইতি ৯,২৭২ ২৩২ ৭,৯৫১
১২৩ গ্যাবন ৯,১৯১ ৫৯ ৯,০৩৭
১২৪ মৌরিতানিয়া ৮,৫৪৭ ১৭৫ ৭,৭১৭
১২৫ গুয়াদেলৌপ ৮,৩৪৪ ১৪৯ ২,২৪২
১২৬ কিউবা ৮,২৩৩ ১৩৪ ৭,৫৮৬
১২৭ রিইউনিয়ন ৭,৯৪০ ৪০ ৭,১৭২
১২৮ সিরিয়া ৭,৭৯৭ ৪১৩ ৩,৫০০
১২৯ বাহামা ৭,৫১৭ ১৬৩ ৫,৮৬৭
১৩০ এনডোরা ৬,৭১২ ৭৬ ৫,৭৯৪
১৩১ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৬,৬৬০ ১২০ ৫,৭৪৫
১৩২ ইসওয়াতিনি ৬,৪১০ ১২১ ৫,৯৯৬
১৩৩ হংকং ৬,২৩৯ ১০৯ ৫,৩৪০
১৩৪ মালাউই ৬,০২৫ ১৮৫ ৫,৪৫৩
১৩৫ রুয়ান্ডা ৫,৯১৯ ৪৮ ৫,৪৮০
১৩৬ নিকারাগুয়া ৫,৭৮৪ ১৬০ ৪,২২৫
১৩৭ কঙ্গো ৫,৭৭৪ ১১৪ ৪,৯৮৮
১৩৮ বেলিজ ৫,৭৪৩ ১৪৭ ৩,১৩১
১৩৯ উরুগুয়ে ৫,৭১৬ ৭৬ ৪,২৬৭
১৪০ জিবুতি ৫,৬৭৭ ৬১ ৫,৫৭৭
১৪১ মার্টিনিক ৫,৪১৩ ৪০ ৯৮
১৪২ আইসল্যান্ড ৫,৩৮১ ২৬ ৫,১৬৮
১৪৩ গায়ানা ৫,৩৭৬ ১৫০ ৪,৩৪৬
১৪৪ সুরিনাম ৫,৩১২ ১১৭ ৫,১৯২
১৪৫ মায়োত্তে ৫,১৮১ ৪৯ ২,৯৬৪
১৪৬ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৫,১৫৩ ৮৫ ৫,০০৯
১৪৭ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৪,৯১৩ ৬৩ ১,৯২৪
১৪৮ আরুবা ৪,৮৩৮ ৪৫ ৪,৬৭৯
১৪৯ মালি ৪,৬৮৮ ১৫২ ৩,১৭৮
১৫০ সোমালিয়া ৪,৪৫১ ১১৩ ৩,৪১৭
১৫১ থাইল্যান্ড ৩,৯৯৮ ৬০ ৩,৮০৩
১৫২ গাম্বিয়া ৩,৭৩৪ ১২৩ ৩,৫৯১
১৫৩ দক্ষিণ সুদান ৩,১০৯ ৬১ ২,৯৫৪
১৫৪ বেনিন ২,৯৭৪ ৪৩ ২,৮১৯
১৫৫ টোগো ২,৯৬২ ৬৪ ২,৪৬৪
১৫৬ বুর্কিনা ফাঁসো ২,৮৫৬ ৬৮ ২,৫৯৩
১৫৭ গিনি বিসাউ ২,৪২২ ৪৩ ২,৩০৯
১৫৮ সিয়েরা লিওন ২,৪১১ ৭৪ ১,৮৩৬
১৫৯ কিউরাসাও ২,৩৬৪ ১,১৩৮
১৬০ ইয়েমেন ২,১৭৭ ৬১৭ ১,৫০৪
১৬১ লেসোথো ২,১০৯ ৪৪ ১,২৭৮
১৬২ নিউজিল্যান্ড ২,০৫৬ ২৫ ১,৯৫৯
১৬৩ চাদ ১,৬৮২ ১০১ ১,৫১৫
১৬৪ লাইবেরিয়া ১,৫৯৫ ৮৩ ১,৩৪৩
১৬৫ সান ম্যারিনো ১,৫৮৬ ৪৫ ১,২৮৫
১৬৬ নাইজার ১,৫১৬ ৭০ ১,২০৭
১৬৭ ভিয়েতনাম ১,৩৪৩ ৩৫ ১,১৭৯
১৬৮ লিচেনস্টেইন ১,২৫৩ ১৫ ১,০২৪
১৬৯ চ্যানেল আইল্যান্ড ১,২১৮ ৪৮ ৯৭৫
১৭০ সিন্ট মার্টেন ১,০৬২ ২৫ ৯৪৭
১৭১ জিব্রাল্টার ১,০১৪ ৯৩২
১৭২ মঙ্গোলিয়া ৭৯১ ৩৫৪
১৭৩ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ৭৪৮ ৭০৬
১৭৪ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫৯
১৭৫ সেন্ট মার্টিন ৬৯০ ১২ ৫৯৮
১৭৬ বুরুন্ডি ৬৮১ ৫৭৫
১৭৭ তাইওয়ান ৬৭৫ ৫৬৫
১৭৮ পাপুয়া নিউ গিনি ৬৪৫ ৫৮৮
১৭৯ কমোরস ৬১১ ৫৮৬
১৮০ মোনাকো ৬০৮ ৫৩৭
১৮১ ইরিত্রিয়া ৫৭৭ ৪৯৮
১৮২ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৮৩ ফারে আইল্যান্ড ৫০২ ৪৯৮
১৮৪ মরিশাস ৫০১ ১০ ৪৪৩
১৮৫ ভুটান ৩৯৬ ৩৭৭
১৮৬ আইল অফ ম্যান ৩৬৯ ২৫ ৩৩৮
১৮৭ কম্বোডিয়া ৩২৩ ৩০১
১৮৮ বার্বাডোস ২৭৫ ২৫০
১৮৯ কেম্যান আইল্যান্ড ২৭৪ ২৫২
১৯০ সেন্ট লুসিয়া ২৫৭ ১০৯
১৯১ বারমুডা ২৫১ ২১৩
১৯২ সিসিলি ১৭৩ ১৬২
১৯৩ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ১৬২ ১৫৭
১৯৪ ব্রুনাই ১৫০ ১৪৫
১৯৫ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ১৪১ ১৩০
১৯৬ সেন্ট বারথেলিমি ১২৭ ৯৪
১৯৭ ডোমিনিকা ৮৫ ৬৩
১৯৮ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৮৫ ৭৯
১৯৯ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৭১ ৭০
২০০ ম্যাকাও ৪৬ ৪৬
২০১ গ্রেনাডা ৪১ ৩০
২০২ লাওস ৩৯ ২৪
২০৩ ফিজি ৩৮ ৩৩
২০৪ নিউ ক্যালেডোনিয়া ৩২ ৩২
২০৫ পূর্ব তিমুর ৩০ ৩১
২০৬ ভ্যাটিকান সিটি ২৭ ১৫
২০৭ সেন্ট কিটস ও নেভিস ২২ ১৯
২০৮ গ্রীনল্যাণ্ড ১৮ ১৮
২০৯ সলোমান আইল্যান্ড ১৭
২১০ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৬ ১৩
২১১ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ১৬ ১২
২১২ মন্টসেরাট ১৩ ১৩
২১৩ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৪ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৫ এ্যাঙ্গুইলা
২১৬ মার্শাল আইল্যান্ড
২১৭ ওয়ালিস ও ফুটুনা
২১৮ সামোয়া
২১৯ ভানুয়াতু
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]