বাড়ছে মামলা, বেশি ধরাশায়ী সাংবাদিকরা

মুহাম্মদ ফজলুল হক
মুহাম্মদ ফজলুল হক মুহাম্মদ ফজলুল হক , নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১০:৩২ এএম, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলার সংখ্যা আগের বছরগুলোর তুলনায় ক্রমেই বাড়ছে। মামলাগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, সাংবাদিকরাই এ আইনে বেশি ধরাশায়ী হচ্ছেন। রক্ষা পাচ্ছেন না শিক্ষক-শিক্ষার্থী, বাউল শিল্পী, কার্টুনিস্ট, পোশাক শ্রমিক, এমনটি চিকিৎসকরাও।

তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, জানুয়ারি থেকে জুন মাসের ২২ তারিখ পর্যন্ত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে যত মামলা হয়েছে তার ২৫ ভাগ আসামি হলেন সাংবাদিকরা। এসব মামলায় ৫০ জনেরও বেশি গ্রেফতার হয়েছেন, যার মধ্যে ১০ জনের অধিক সাংবাদিক। তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন পুলিশ, প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল বা তাদের সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

আইন বিশ্লেষকরা বলছেন, করোনা মোকাবিলায় সরকারের সামগ্রিক ব্যর্থতা ঢাকতে সাংবাদিক ও নাগরিকদের মুখ বন্ধ করতেই আইনটি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

জানা গেছে, ২০১৮ সালে এ আইনে মামলার সংখ্যা ছিল ৩৪টি। পরের বছর অর্থাৎ ২০১৯ সালে মামলা বেড়ে দাঁড়ায় ৬৩টি এবং ২০২০ সালের ছয় মাসে অর্থাৎ বছরের অর্ধেক সময় মামলার সংখ্যা দাঁড়ায় ১১১টিতে। চলতি বছরে মোট ২০৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে, এর মধ্যে ৫৩ জনই সাংবাদিক। এছাড়া ২০ জন রাজনৈতিক নেতাকর্মী, পাঁচ শিক্ষক ও আট শিক্ষার্থীও রয়েছেন। বাউল শিল্পী, কার্টুনিস্ট, পোশাক শ্রমিক, এমনকি চিকিৎসকও বাদ যাননি মামলা থেকে।

আইনের এ ধারায় অভিযোগগুলোর মধ্যে আছে- রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি বা সুনাম ক্ষুণ্ন করা, বিভ্রান্তি ছড়ানো, জেনেশুনে মিথ্যা বলা, সম্পূর্ণ বা আংশিক তথ্য বিকৃত করাও এ ধারায় অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়। মানহানি বা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর শঙ্কা থেকেও মামলা করার সুযোগ আছে। অন্য কারও তথ্য সংগ্রহ, বিক্রি, দখল, সরবরাহ ও ব্যবহারের অভিযোগেও মামলা করা যায়। আইনের ২৬ ধারায় এগুলো ‘অপরাধ’ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।

চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে দায়ের করা অর্ধশত মামলা পর্যালোচনা করে দেখা যায়, জাতির পিতা, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর নামে ‘কটূক্তি’র অভিযোগে মামলা হয়েছে। আসামি করা হয়েছে ময়মনসিংহের ভালুকার তারাগাঁও উচ্চবিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. ইমনকে। বাদী হানিফ মোহাম্মদ নিপুণ। মামলায় ‘ইমন’ নামের ফেসবুক আইডি থেকে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে অশালীন ভাষায় কটূক্তি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়। সেখানে ইমনের বয়স উল্লেখ ছিল ২৬ বছর। গ্রেফতারের পর পুলিশ জানতে পারে যে, তার প্রকৃত বয়স ১৫ বছর। আদালতে অভিযোগ উপস্থাপনের পর শিক্ষার্থী মো. ইমনকে কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠিয়ে দেয়া হয়।

jagonews24

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধনের দাবিতে সম্পাদক পরিষদের মানববন্ধন

এর বাইরে যোগাযোগ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং আইনমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি, সংসদ সদস্য মমতাজ বেগম, ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতনকে জড়িয়ে অপপ্রচারের অভিযোগেও মামলা হয়েছে। ‘সাবেক সংসদ সদস্য প্রয়াত মকবুল হোসেন ২৬ বছর ধরে অপরের বাড়ি দখল করে আছেন’— এমন সংবাদ প্রচারের জন্য ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়েছে। মানহানির অভিযোগ তুলে সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজলসহ ৩২ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন সংসদ সদস্য সাইফুজ্জামান শিখর।

করোনাকালীন মামলা হয়েছে ত্রাণ বিতরণ ও চিকিৎসার ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তোলা, লকডাউনের মধ্যে একটি প্রতিষ্ঠানের বাস চলা এবং কৃষকের মাঠে নেমে কাঁচা ধান কাটার ছবি তুলে শেয়ার করার জন্যও। সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রয়াত মো. নাসিমকে নিয়ে কটূক্তি করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার হন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং সাতক্ষীরার এক ব্যক্তি।

আইনজীবীদের ধারণা, বছরের শুরুতে করোনা হানা দেয় দেশে। করোনাকালীন বিভিন্ন সমস্যা সামাল দিতে হিমশিম খায় সরকার। স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা না করে মানুষ বের হয় রাস্তায়। ত্রাণের চাল চুরি, মাস্ক, পিপিই দুর্নীতি নিয়ে সরব হয় মানুষ। স্বাস্থ্য খাতের দুর্নীতি, সেই দুর্নীতি রোধে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ব্যর্থতা— এসব বিষয়ে সমালোচনা করায় মূলত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের প্রয়োগ বেড়েছে।

মামলা বাড়লেও খবর প্রকাশ পায় কম

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অনেক মামলার খবর সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ পায় না। ‘প্রেস্টিজ ইস্যু’ (মর্যাদার বিষয়) থাকায় মামলাগুলো মূলত খবরের আড়ালেই থেকে যায়। বর্তমানে এ আইনের মামলার সংখ্যা দুই হাজারেরও বেশি।

সাইবার ট্রাইব্যুনাল সূত্রে জানা গেছে, এ আইনে দায়ের করা মামলার শতকরা ৬৫ থেকে ৭৫ ভাগই নারীদের করা। ‘প্রেস্টিজ ইস্যু’ থাকায় সেগুলো মূলত প্রকাশ পায় না। সংশ্লিষ্ট আইনের ২৫, ২৬, ২৯ ও ৩১ ধারায় মামলাগুলো করা হয়। যদিও ধারাগুলোতে সরাসরি নারীদের সুরক্ষা সম্পর্কে কিছু বলা নেই। কোনো তথ্য প্রকাশ বা প্রচারের কারণে কেউ অপমানিত বা অপদস্থ বোধ করলে এসব ধারায় মামলা করা যাবে।

বাংলাদেশে একটি মাত্র সাইবার ক্রাইম ট্রাইব্যুনাল, যার অবস্থান রাজধানী ঢাকায়। ডিজিটাল এবং তার আগের আইসিটি আইনের সব মামলার হিসাব আছে এখানে। ট্রাইব্যুনালের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে মোট মামলা হয়েছে ৮৬টি। এর মধ্যে থানায় ৪১টি এবং আদালতে ৪৫টি। ফেব্রুয়ারি মাসে হয়েছে ১১৯টি মামলা। থানায় ৯৫টি এবং আদালতে ৩৪টি। মার্চে মামলা হয়েছে ১২২টি। থানায় ৭৫টি এবং আদালতে ৩৭টি।

jagonews24

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় জামিন মিলছে না সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজলের

করোনাকালীন বেড়েছে মামলার সংখ্যা

করোনাকালীন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের করা মামলার সংখ্যা হু-হু করে বেড়েছে। নিষ্পত্তিও হয়েছে বেশ কয়েকটি মামলা। এ বিষয়ে মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মনজিল মোরসেদ জাগো নিউজকে বলেন, ‘চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে প্রাপ্তি সেভাবে না মেলায় বিক্ষুব্ধ হয়ে অনেকে সরকারের সমালোচনা করেছেন বিভিন্ন মাধ্যমে। করোনাকালীন এমন ঘটনা যেমন বেড়েছে তেমনি এ আইনে মামলার সংখ্যাও বেড়েছে।’

এ বিষয়ে সাইবার ট্রাইবুন্যালের পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম শামীম জাগো নিউজকে বলেন, ‘করোনার সময় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলার সংখ্যা বেড়েছে, এটা যেমন সত্য; ট্রাইব্যুনালে আসা মামলাগুলোর সাক্ষ্যগ্রহণ এবং নিষ্পত্তিও দ্রুততার সঙ্গে সম্পন্নের চেষ্টা চলছে। খুব বেশি সময় লাগছে না। আমাদের ট্রাইব্যুনালে একজন বিচারক নিয়মিত মামলাগুলোর শুনানি করছেন। প্রতিদিন গড়ে ১০ থেকে ১৫টি মামলার শুনানি হচ্ছে, নিষ্পত্তির সংখ্যাও বেশ ভালো।’

ট্রাইব্যুনাল সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে মোট মামলা হয়েছে এক হাজার ১৮৯টি। এর মধ্যে থানায় ৭২১টি এবং আদালতে ৪৬৮টি। ২০১৩ সাল থেকে সাড়ে পাঁচশর বেশি মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে। বিচারাধীন আছে মোট দুই হাজার মামলা। এর মধ্যে থানায় এক হাজার ৬৬৮টি এবং আদালতে দায়ের করা বাকি মামলাগুলো। অর্ধশতাধিক মামলা হাইকোর্টের নির্দেশে স্থগিত আছে।

যেসব অভিযোগে ডিজিটাল আইনে মামলা

বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ, করোনাভাইরাস নিয়ে গুজব, রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগে গত ৫ মে ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। তাদের একজন মুশতাক আহমেদ। তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ‘‘তিনি ‘আই অ্যাম বাংলাদেশি’ পেজের এডিটর। অন্য আসামিদের যোগসাজশে তিনিও গুজব ছড়িয়েছেন। এছাড়া হোয়াটসঅ্যাপ ও ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক চ্যাটিংয়ের প্রমাণ পাওয়া গেছে।”

করোনাকালীন ‘গুজব’ ছড়ানোর অভিযোগে বেশি মামলা দায়ের হয়েছে। এছাড়া মন্ত্রী, এমপি বা ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের নিয়ে মিথ্যা সংবাদ ও ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়া, মিথ্যা তথ্য ছড়ানো, চিকিৎসা নিয়ে সমালোচনা করা, ত্রাণ চুরির মিথ্যা খবর পরিবেশন করা, ধর্মের অবমাননা, প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি প্রভৃতি কারণে মামলা হয়েছে।

গত ২২ মে ‘আমার হবিগঞ্জ’ পত্রিকার সম্পাদক সুশান্ত দাশ গুপ্ত স্থানীয় এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু জাহিরকে জড়িয়ে ত্রাণ চুরির খবর প্রকাশ করেন। ওই ঘটনায় তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন স্থানীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক।

jagonews24

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বিরুদ্ধে সংবাদকর্মীদের অবস্থান

গত ৩০ মে ঝালকাঠির নলছিটিতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার হন স্থানীয় সাংবাদিক মনিরুজ্জামান মুনির। রানাপাশা ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ফেসবুকে পোস্ট দেয়ায় তার বিরুদ্ধে এ আইনে মামলা করা হয়।

করোনার কারণে সাধারণ ছুটির মধ্যে গণপরিবহন চলাচলের সমালোচনা করে ফেসবুকে পোস্ট দেন দৈনিক মানবজমিনের গাইবান্ধার পলাশবাড়ি প্রতিনিধি রফিকুল ইসলাম রতন। এ কারণে গত ২৬ মে তাকে গ্রেফতার করা হয়। একইভাবে ফটো সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজলকে গ্রেফতার করা হয় ক্ষমতাসীন দলের এক এমপির মামলায়।

গত তিন বছরের তুলনায় চলতি বছরের ছয় মাসে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের করা মামলার সংখ্যা বেড়েছে। অধিকাংশ মামলার আসামি করা হয়েছে গণমাধ্যমকর্মীদের। এ বিষয়ে মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, ‘গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার সঙ্গে সঙ্গে সৎ ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতারও প্রয়োজন। এটা গণতন্ত্রকে আরও সমুন্নত করে। তবে, সাংবাদিকতার নামে অপসাংবাদিকতা বা অপপ্রচার কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়, এটি প্রতিরোধ করা প্রয়োজন। কেউ যদি অপসাংবাদিকতা করে সেটা আদালত দেখবেন। আবার সৎ সাংবাদিকতায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করাও গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার পরিপন্থী। আমরা সাংবাদিকতার স্বাধীনতার ওপর গুরুত্বারোপ করছি। একইসঙ্গে স্বাধীনতার নামে এর অপব্যবহারও রুখে দেয়ার কথা বলছি। এখানে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার কোনো বিকল্প নাই।’

চলতি বছরে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলার সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার কারণ প্রসঙ্গে মনজিল মোরসেদ বলেন, ‘করোনার ভয়াবহ এই দুর্যোগের সময় সরকার কিছু কিছু ক্ষেত্রে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করে। সেই পদক্ষেপগুলো যথার্থ নিয়মে হয়নি বলে অনেকে মনে করেন। এ কারণে বিভিন্ন মাধ্যমে তারা তাদের নিজস্ব মতামত ব্যক্ত করেন। মহামারির সময় বাইরে গেলে করোনায় আক্রান্ত হবেন কি-না, চিকিৎসা আছে কি-না, মাস্ক পাওয়া যায় কি-না, চিকিৎসকদের যথাযথ স্বাস্থ্যসুরক্ষা ব্যবস্থা আছে কি-না— এমন নানা বিষয় সামনে চলে আসায় সাংবাদিক, চিকিৎসক এমনকি শিক্ষক-শিক্ষার্থীরাও তাদের নিজস্ব মতামত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা গণমাধ্যমে প্রকাশ করেন। এতে সংক্ষুব্ধ হয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা ব্যক্তি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের আশ্রয় নেন। ফলে অন্য সময়ের চেয়ে করোনাকালীন এ আইনে মামলার সংখ্যা বেড়েছে।’

‘এছাড়া এ সময় আদালত বন্ধ থাকায় মামলার নিষ্পত্তি কম হয়েছে, ফলে মামলার সংখ্যাও বেড়েছে।’

এফএইচ/এমএআর/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]