শিক্ষণ পদ্ধতি ও শিক্ষার্থীদের জীবনমান উন্নয়নে মনোযোগী আমরা

রাসেল মাহমুদ
রাসেল মাহমুদ রাসেল মাহমুদ , নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১০:৩১ এএম, ০১ ডিসেম্বর ২০২১
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান

অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান। জন্ম বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার কালিপুর গ্রামে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ থেকে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর করে ১৯৯৭ সালে ভারতের আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। ২০১৭ সালের ৬ সেপ্টেম্বর তিনি ঢাবির উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব নেন। ২০১৯ সালের ৩ নভেম্বর দ্বিতীয় মেয়াদে তাকে এ পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষপূর্তি হয়েছে এ বছরের ১ জুলাই। তবে শতবর্ষ উপলক্ষে করোনা মহামারির কারণে সেসময় কোনো অনুষ্ঠান করা যায়নি। ওই উদযাপন শুরু হয়েছে বুধবার (১ ডিসেম্বর)। এ উপলক্ষে ড. মো. আখতারুজ্জামান কথা বলেছেন জাগো নিউজের সঙ্গে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন নিজস্ব প্রতিবেদক রাসেল মাহমুদ

জাগো নিউজ: শতবর্ষে এসে সাবেক শিক্ষার্থী ও একজন শিক্ষক হিসেবে কীভাবে দেখছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে?

ড. আখতারুজ্জামান: যে কোনো প্রতিষ্ঠানের শতবর্ষ উদযাপন খুবই মর্যাদার। আমরা সৌভাগ্যবান যারা এ মুহূর্তে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী, অভিভাবক হিসেবে আছি। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষ দেখলাম। আরেকটি বিষয়ের জন্য আমরা আশীর্বাদপুষ্ট, জাতির মহান স্থপতি, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং তার জন্মশতবার্ষিকীও আমরা উদযাপন করতে পেরেছি। পাশাপাশি মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পেয়েছি। এই তিনটি ঘটনা একসঙ্গে পাওয়া আমাদের জন্য সৌভাগ্যের। শতবর্ষ উদযাপন ও আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী থেকে এখন শিক্ষক হিসেবে শরিক হতে পেরেছি, এটি সৃষ্টিকর্তার বিশেষ রহমত।

জাগো নিউজ: বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা ও নতুন জ্ঞান সৃষ্টির জায়গা। শতবর্ষী বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে আমরা কি উন্নত বিশ্বের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মতো সেই জায়গায় পৌঁছাতে পেরেছি?

ড. আখতারুজ্জামান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। এর একটি স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য আছে। যে বৈশিষ্ট্য বিশ্বের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নেই। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে শুরু করে একশত বছরের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে, পুরোটা খুবই স্বতন্ত্র। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের চরিত্র, বৈশিষ্ট্য ও অর্জন অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে তুলনা করা সমীচীন হবে না। অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের যে স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য আছে সেটি হয়তো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পুরো মাত্রায় এখনো অর্জন করতে পারেনি। আমাদের সেটি অর্জনে প্রচেষ্টা চালাতে হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য হলো- এটি জাতি-রাষ্ট্র সৃষ্টিতে অনবদ্য অবদান রাখা। একটি জাতির যা কিছু মহৎ অর্জন, সবকিছুই আবর্তিত হয়েছে এই বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে। এই বিশ্ববিদ্যালয় মূলত জাতির বাতিঘর। মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ থেকে রাষ্ট্র গঠন, ভাষা আন্দোলন সবকিছুর পেছনে রয়েছে বুদ্ধিবৃত্তিক আন্দোলন, মধ্যবিত্ত শ্রেণির বিকাশে ভূমিকা রাখা, একটি জ্ঞানদীপ্ত সমাজ বিনির্মাণ—একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ তো এগোলোই। জাতির বৃহত্তর অর্জনে বিশ্ববিদ্যালয় অনবদ্য ভূমিকা রাখবে, সেটা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পুরো মাত্রায় করতে সক্ষম হয়েছে বলে আমি মনে করি।

DU-3.jpg

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তি ও গণতন্ত্র তোরণ

জাগো নিউজ: ২০২১ সালে শতবর্ষে এসেও বিশ্ব র‌্যাকিংয়ে শীর্ষ পাঁচশত বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে নেই ঢাবি। শতবর্ষে এসে বিশ্ববিদ্যালয়টি কোন অবস্থায় থাকা দরকার ছিল বলে আপনি মনে করেন?

ড. আখতারুজ্জামান: র‌্যাংকিংয়ের বিষয়টি কতিপয় কারণে আমাদের কাছে বড় বিবেচ্য বিষয় নয়। যেসব মানদণ্ডে গ্লোবালি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর র‌্যাংকিং করা হয় তার অনেকগুলো আমাদের সংশ্লেষণ করতে হবে। কিছু মানদণ্ড আছে যেগুলো আমরা এখনো পুরো মাত্রায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য উপযুক্ত করে গড়ে তুলতে পারিনি। সেগুলো আমাদের প্রয়োজন। তবে আমাদের অ্যাটেনশন (মনোযোগ) সেদিকে নয়। আমাদের অ্যাটেনশন হলো- আন্তর্জাতিকভাবে প্রসিদ্ধ, খ্যাতিমান যেসব বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে, তাদের ক্যাম্পাস জীবন, সেখানকার শিক্ষার্থীদের জীবনমান, তাদের শিক্ষণ পদ্ধতি, শিক্ষার ধরন, শিক্ষার গুণগত মান, সেগুলো নিশ্চিত করা।

তাদের যে অর্জন সে অর্জনের পেছনে কী কী উপাদান সহায়ক, কী কী বিষয় অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে সেগুলো আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে সংশ্লেষণ ঘটানো। এখানে সেগুলো সংযোজন করতে পারলে আমরা ওই মানদণ্ডের কথা বলতে পারবো। আবার অনেক মানদণ্ড রয়েছে, যেটা আমাদের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য। আন্তর্জাতিকভাবে সেসব মানদণ্ডে বিশ্ববিদ্যালয়কে মূল্যায়ন করা হয় না।

জাগো নিউজ: ৪৬ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য মাত্র দুই হাজার শিক্ষক। শিক্ষার্থী-শিক্ষকের এ অনুপাত কি বিশ্বমানের?

ড. আখতারুজ্জামান: শিক্ষার্থী-শিক্ষক অনুপাতেরও একটি স্ট্যান্ডার্ড আছে। ওই মানদণ্ডে আমরা খুব বেশি পিছিয়ে নেই। আমরা তার কাছাকাছি জায়গায় রয়েছি। এছাড়া শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রেও আমরা বেশি পিছিয়ে নেই। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক, উচ্চতর ডিগ্রিধারী শিক্ষক সেই নিরীক্ষায়ও আমরা ধীরে ধীরে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি।

DU-3.jpg

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হল

জাগো নিউজ: অনেক সময় শিক্ষক নিয়োগে দলীয়করণের অভিযোগ ওঠে। গবেষণা বা শিক্ষার মান না বাড়ার কারণ কি এর পেছনে দায়ী? এ ব্যাপারে আপনি কী বলবেন?

ড. আখতারুজ্জামান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে এখন এগুলো বলার সুযোগ নেই। এখানে মেধার যোগ্যতা বিবেচনায় নিয়ে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়। আগে এসব বিষয় নিয়ে গুজব বা জনশ্রুতি থাকলেও এখন বিশ্ববিদ্যালয়ে এসব নেই।

জাগো নিউজ: উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব নিয়েই আপনি ছাত্র সংসদ নির্বাচন দেওয়ার চেষ্টা করবেন বলে জানিয়েছিলেন এবং ২৮ বছর পর ডাকসু নির্বাচন করলেন, যা ভিসি হিসেবে আপনার বড় সফলতাও। শতবর্ষে এসে ডাকসুকে কীভাবে দেখছেন?

ড. আখতারুজ্জামান: জাতির সামগ্রিক উন্নয়ন ও কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে নতুন নেতৃত্ব তৈরি করা, ভালো গ্র্যাজুয়েট বানিয়ে দেশ-জাতি-রাষ্ট্র পরিচালনায় নেতৃত্ব দেওয়ার প্রারম্ভিক ভিত তৈরির জায়গা হলো ডাকসু ও হল সংসদের নির্বাচন। এটা এসব গুণাবলী অর্জন ও অন্য শিক্ষার্থীকে সম্পৃক্ত করে নেতৃত্বের গুণাবলীসমৃদ্ধ হিসেবে গড়ে উঠতে সহায়তা করে। সেটি অনুভব করেই আমরা সবার সহযোগিতা নিয়ে দীর্ঘ প্রায় তিন দশক পর ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের আয়োজন করেছিলাম। সেটা যেন ভবিষ্যতেও চলমান থাকে সেটিই সবার প্রত্যাশা, আমাদেরও প্রত্যাশা।

কিন্তু কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ ও হল সংসদ নির্বাচন একটি বিশাল কর্মযজ্ঞ। এটি সম্পাদনে সমাজ, রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন স্টেকহোল্ডার—শিক্ষক, শিক্ষার্থী, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা, নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট সবার সমন্বিত ও সদয় সহযোগিতা প্রয়োজন। এজন্য একটি অনুকূল পরিবেশও খুবই অত্যাবশ্যক।

জাগো নিউজ: আগামীতে ডাকসু নির্বাচন হবে কি?

ড. আখতারুজ্জামান: এগুলো আলোচনায় নিয়ে আসতে হবে। কোথাও একজন বললেই এটা করতে পারবে না। এটা হ্যামিলিয়নের বাঁশিওয়ালার মতো নয়। এজন্য সবার সম্মিলিত প্রয়াস জরুরি।

DU-3.jpg

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান

জাগো নিউজ: শিক্ষার্থীদের আবাসন সমস্যা একটি বড় সমস্যা। এ সমস্যা সমাধানে আপনার কোনো পরিকল্পনা আছে কি না?

ড. আখতারুজ্জামান: বিশ্ববিদ্যালয়ের চাহিদার অনুপাতে আবাসন সংকট বিদ্যমান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে আবাসন বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আমাদের ছেলেমেয়েরা নানা সীমাবদ্ধতা-প্রতিকূলতা নিয়ে এখানে পড়তে আসে। এজন্য ছেলেমেয়েদের যে মেধার বহিঃপ্রকাশ বা প্রস্ফূটিত হওয়ার সুযোগ তা বাধার সম্মুখীন হয়। ফলে এ সমস্যার সমাধান করা খুবই জরুরি। আমাদের আবাসন সুবিধাদি সংযোজনের বিষয়টি চলমান। এটি একটি উন্নয়ন প্রক্রিয়া, যেটা ধারাবাহিকভাবে চলে আসছে। আমাদের সে ধরনের কিছু পরিকল্পনা অবশ্যই আছে। মাস্টারপ্ল্যানের মধ্যেই তো সে বিষয়গুলো আছে।

জাগো নিউজ: বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে বড় সংকট কী বলে মনে করেন?

ড. আখতারুজ্জামান: সমাজের প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠানেই সংকট থাকে। সংকট নিরসন করা, সংকট কাটিয়ে উঠে সামনে এগিয়ে যাওয়াই সভ্য সমাজের বৈশিষ্ট্য। মানুষের সংকট, প্রতিকূলতা, প্রতিবন্ধকতার বিষয়গুলো দূর করে কীভাবে একটি সুন্দর পরিশীলিত সমাজ বা প্রতিষ্ঠান এগিয়ে নেওয়া যায় সেটাই মূলত মানবীয় বড় দায়িত্ব। আমাদের সংকটগুলোর মধ্যে বড় সংকট হলো শিক্ষার্থীদের জীবনমানের উন্নয়ন ঘটানো।

জাগো নিউজ: বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টারপ্ল্যানেই কি সব সমস্যার সমাধান রয়েছে?

ড. আখতারুজ্জামান: মাস্টারপ্ল্যান তো একটা দর্শন। অনেকেই এর অর্থ বোঝে না। অনেকে মাস্টারপ্ল্যান বলতে বোঝে ভৌত অবকাঠামো নির্মাণ। মূলত মাস্টারপ্ল্যান হলো কতগুলো পরামর্শ ও বিজ্ঞানসম্মত বিষয় বিশ্লেষণ করে যৌক্তিক সমাধানের পথ খোঁজা। সেজন্য মাস্টারপ্ল্যানে অনেক বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকে। এটি শিক্ষার উৎকর্ষ আনয়নের লক্ষ্যে গড়ে তোলা হয়। শিক্ষাক্ষেত্রে মাস্টারপ্ল্যানের প্রাণকেন্দ্রে থাকবে শিক্ষার গুণগত মান, শিক্ষা কাঠামো ও শিক্ষা পরিকল্পনা।

জাগো নিউজ: বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে শতবর্ষের সাক্ষী হয়ে কেমন লাগছে?

ড. আখতারুজ্জামান: শুধু আমার নিজের নয়, এই মুহূর্তে শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সবার জন্য এটি আশীর্বাদ। আমরা মুজিববর্ষ পেলাম, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করতে পারলাম। আমাদের প্রিয় বিশ্ববিদ্যালয় যেটি জাতির বাতিঘর তার শতবর্ষ উদযাপন করতে পারছি এটি নিঃসন্দেহে বিরল মুহূর্ত। আমাদের সবার জন্যই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আবেগের জায়গা ও অস্তিত্বের মর্যাদার প্রতীক। সবকিছু মিলিয়ে যারা এ বিশ্ববিদ্যালয়ের সান্নিধ্যে এসেছেন এটি নিঃসন্দেহে তাদের জন্য গর্বের ও মর্যাদার।

আরএসএম/এআরএ/এসএইচএস/এইচএ/এমএস

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য হলো- এটি জাতি-রাষ্ট্র সৃষ্টিতে অনবদ্য অবদান রেখেছে। একটি জাতির যা কিছু মহৎ অর্জন, সবকিছুই আবর্তিত হয়েছে এই বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে। এই বিশ্ববিদ্যালয় মূলত জাতির বাতিঘর

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে এখন এগুলো বলার সুযোগ নেই। এখানে মেধার যোগ্যতা বিবেচনায় নিয়ে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়। আগে এসব বিষয় নিয়ে গুজব বা জনশ্রুতি থাকলেও এখন বিশ্ববিদ্যালয়ে এসব নেই

বিশ্ববিদ্যালয়ের চাহিদার অনুপাতে আবাসন সংকট বিদ্যমান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে আবাসন বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আমাদের ছেলেমেয়েরা নানা সীমাবদ্ধতা-প্রতিকূলতা নিয়ে এখানে পড়তে আসে। এজন্য ছেলেমেয়েদের যে মেধার বহিঃপ্রকাশ বা প্রস্ফূটিত হওয়ার সুযোগ তা বাধার সম্মুখীন হয়। ফলে এ সমস্যার সমাধান করা খুবই জরুরি

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]