কর্ম ও পারিবারিক জীবনে সামঞ্জস্যতা রেখেই চলতে হয়

আবদুল্লাহ আল মিরাজ
আবদুল্লাহ আল মিরাজ আবদুল্লাহ আল মিরাজ , নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:১৭ পিএম, ০৮ মার্চ ২০২২

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব-৪) ডেপুটি ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন পুলিশ সুপার (এসপি) জয়িতা শিল্পী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ থেকে অনার্স ও মাস্টার্স শেষে করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্স ইন পুলিশ সায়েন্স এবং পরবর্তী সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ক্রিমিনোলোজি অ্যান্ড ক্রিমিনাল জাস্টিসে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন।

কলেজ জীবন থেকেই লেখালেখিতে হাতেখড়ি জয়িতা শিল্পীর। এ বছর একুশে বইমেলায় তার লেখা নবম বই প্রকাশের অপেক্ষায়। শিক্ষাজীবনে খণ্ডকালীন চাকরি, কলেজে শিক্ষকতা, এনজিওসহ বিভিন্ন পেশায় জড়িত ছিলেন। একপর্যায়ে আত্মোপলব্ধি থেকেই স্বপ্ন দেখেন পাবলিক সার্ভিসে যুক্ত হওয়ার। ২৭তম বিসিএসে ২০০৮ সালে তিনি এএসপি হিসেবে সারদায় এক বছরের প্রশিক্ষণ নেন। এরপর এএসপি সার্কেল ও এএসপি সদর পদে মাগুরা জেলায় যোগদানের মধ্য দিয়ে জনসেবামূলক এ প্রশাসনিক সংস্থার সঙ্গে যাত্রা শুরু করেন।

৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে জাগো নিউজের মুখোমুখি হন এ নারী পুলিশ কর্মকর্তা। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন নিজস্ব প্রতিবেদক আবদুল্লাহ আল মিরাজ

জাগো নিউজ: কর্মজীবনে আপনার এ পর্যায়ে আসার পেছনে কোন বিষয়গুলো সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে?

জয়িতা শিল্পী: সবাইকে নারী দিবসের শুভেচ্ছা। আমার এ পর্যায়ে আসা সত্যিই গল্পের মতো। পেছন ফিরে তাকালে উপলব্ধি করি, অনেকটা পথ পাড়ি দিয়ে একটু একটু করেই এ পর্যায়ে আসতে হয়েছে। একজন নারী বা মেয়ের সফলতার পেছনে তার উপলব্ধি সবচেয়ে বেশি দরকার। আমার এ পর্যায়ে আসার পেছনে মা-বাবার বড় ভূমিকা রয়েছে। একইসঙ্গে আমি মনে করি, আমার উপলব্ধিটাও অনেক বেশি ভূমিকা রেখেছে। আমি নিজেই বুঝতে পেরেছি আমি কী করতে চাই। আমার অধ্যবসায়, চেষ্টা, দৃঢ়তা নিয়ে আমি সবসময় চিন্তা করেছি, আমি নিজের জন্য এবং মানুষের জন্য কিছু করবো। ব্যক্তিগত জীবনে রুটিনমাফিক চলতে পছন্দ করি। নিষ্ঠা, ভালোবাসা, দৃঢ়তা নিয়ে কাজ করি। ইচ্ছাশক্তিই আমাকে এ পর্যায়ে এনেছে বলে মনে করি। এটা আমি অন্য মেয়েদেরও বলি- যে কাজের প্রতি ভালোবাসা আছে সে কাজটা যত্ন নিয়ে করো। স্বপ্ন দেখো, তুমি কোথায় যেতে চাও। তাহলেই তুমি পারবে।

jagonews24

জাগো নিউজ: কর্মজীবনে এ সফলতায় পৌঁছাতে কখনো কোনো বিড়ম্বনার সম্মুখীন হয়েছেন কি না?

জয়িতা শিল্পী: বিড়ম্বনা তো থাকবেই, সেগুলো কাটিয়েই এগোতে হয়। তবে মা-বাবার সাপোর্ট থাকায় আমার খুব বেশি বিড়ম্বনা পোহাতে হয়নি। তিন বোনের মধ্যে আমি ছিলাম সবার বড়। সে কারণে স্কুল-কলেজে পড়ার সময়ই বাবা-মাকে আমার বিয়ে দেওয়া নিয়ে এর-ওর কথা শুনতে হতো। অনেকে বলতো আমার নাকি বয়স হয়ে যাচ্ছে। এটা একটা বিড়ম্বনা ছিল। ১৮ বছর বয়সের পর বিয়ের কথা বললেও ১৬-১৭ বছরের মেয়েদের হলফনামা/এফিডেভিট করে অথবা জন্মনিবন্ধন পরিবর্তন করে বিয়ে দেওয়া হচ্ছে। সেদিনও আমার এক আত্মীয় আমাকে প্রশ্ন করেছে, তার মেয়ের বয়স ১৭ বছরের একটু বেশি, বিয়ে দেবে কি না? শিক্ষিত পরিবারেও যখন এ ধরনের প্রশ্ন আসে তখন কম শিক্ষিত কিংবা যারা স্বশিক্ষিত নয় তারা তো আসলে ওভাবে চিন্তাই করতে পারবে না। যেটা আমার ক্ষেত্রেও হয়েছে, প্রায় সব মেয়ের ক্ষেত্রেই হয়।

মেয়েরা যখনই কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া শুরু করে তখনই তাদের বিয়ের উপযুক্ত সময় মনে করে অনেকে। আমি প্রত্যেক নারীকেই এক্ষেত্রে বলতে চাই, আগে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করো তারপর সংসার জীবনে এসো। সিদ্ধান্ত নিজেকেই নিতে হবে। পরিবারের চাপ থাকবেই। মা-বাবাসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা ভালো পরিবারে মেয়ের বিয়ে দিতে চাইবেনই। কিন্তু নিজের মাঝে চেষ্টা থাকতে হবে, প্রতিষ্ঠিত হতে হবে। এরপর বিয়ের সিদ্ধান্ত নিতে হবে। কারণ, একটা মেয়ে সংসারে ঢুকে গেলে তখন পড়াশোনা-চাকরি কঠিন হয়ে পড়ে। আমাদের দেশে দেখা যায় বিয়ের পরপরই মেয়েদের সন্তান জন্মদানে বাধ্য করা হয়। মা হওয়ার পর ওই মেয়েটির সাংসারিক দায়িত্ব অনেক বেড়ে যায়। একজন শিশু (সাংসারিকভাবে অনভিজ্ঞ বিবাহিত ওই নারী) যদি আরেকটা শিশুর দায়িত্ব নিতে যায় তখনই বিষয়টা কষ্টকর হয়ে ওঠে।

জাগো নিউজ: কর্মক্ষেত্রে নারীর বিচরণ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। কর্মস্থলে নারীরা হেনস্থারও শিকার হচ্ছেন। এক্ষেত্রে কর্মক্ষেত্রে নারী কতটা নিরাপদ বলে আপনি মনে করেন?

জয়িতা শিল্পী: আমরা সবসময় নারীদের জন্য উপযুক্ত কর্মক্ষেত্রের কথা বলি এবং এটা খুবই দরকার। নারী যদি সেই পরিবেশ না পায় তবে কর্মস্থলে ভালো করবে কী করে? তবে নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও নারীরা কর্মক্ষেত্রে ভালো করছে। আমাদের শিক্ষা, চিকিৎসা এবং ব্যাংকখাতে নারীরা কাজ করছে। সেবামূলক অন্যান্য খাতেও নারীর অংশগ্রহণ রয়েছে। মাতৃরূপী নারী সেবামূলক খাতেও মায়া-মমতা দিয়ে সেবাদানের চেষ্টা করে। সেজন্যই আমরা উন্নতসেবা পাই। ইদানীং দেখা যায় চ্যালেঞ্জিং পেশা যেমন- পুলিশ প্রশাসন থেকে শুরু করে নারীরা প্লেন চালাচ্ছে, ট্রেন চালাচ্ছে। সব ক্ষেত্রেই নারীর বিচরণ বাড়ছে।

jagonews24

তবে কর্মক্ষেত্রে নারীর প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে আমাদের মাইন্ড সেটআপ পরিবর্তন করতে হবে। যে নারীরা কর্মক্ষেত্রে আসছে তাদের যদি আমরা ভালো কর্মপরিবেশ দিতে পারি এবং তারা যদি ভালো আউটপুট দিতে পারে তাহলে আরও অনেক নারী উদ্বুদ্ধ হবেন। তবে নেতৃত্বের জায়গায় এখনো নারীর সংখ্যা কম। নারী নেতৃত্বের বিকাশ হলে আমাদের নারীসমাজ আরও এগিয়ে যাবে। একজন নারী তো আমাদেরই বোন, স্ত্রী বা মা। তাদের প্রতি সহমর্মী হতে হবে। একসঙ্গে কাজ করার জন্য ভালো পরিবেশ তৈরি করে দিতে হবে। তবেই ২০৪১ সালের মধ্যে আমরা অন্য এক বাংলাদেশ দেখতে পাবো।

জাগো নিউজ: শহুরে নারীদের কিছুটা স্বাধীনভাবে জীবনযাপন করতে দেখা গেলেও গ্রামীণ নারীরা এক্ষেত্রে পারিবারিক-সামাজিক প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়েন। এ অবস্থা থেকে বের হওয়ার জন্য কী পদক্ষেপ নেওয়া উচিত বলে মনে করেন?

জয়িতা শিল্পী: মনমানসিকতার পরিবর্তন ও পরিবারের উদারতার বিষয়গুলোই এক্ষেত্রে সবার আগে উঠে আসবে। গ্রামীণ নারীরা উচ্চশিক্ষায় এখনো কিছুটা পিছিয়ে। এর বড় কারণ, গ্রামের মেয়েদের অল্প বয়সে বিয়ে দিয়ে দেওয়া। ধর্মভীরুতা, পর্দার ভেতরে ঘরকুণো হয়ে থাকাও এর কারণ। উচ্চশিক্ষার জন্য যে আমাদের ঘরের বাইরে আসা উচিত, এর যে বিকল্প নেই তা বুঝতে হবে। এসব নিয়ে অনেক কাজ হচ্ছে। আশা করি একদিন সব বদলে যাবে।

নারীদের আরও সচেতন করে তুলতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সভা-সেমিনার বাড়ানো প্রয়োজন। বাল্যবিয়ে, মাদক, জঙ্গি, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে তাদের উজ্জীবিত করতে হবে। একজন নারী কর্মকর্তা যখন কোনো একটা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে কথা বলেন, তখন ওই প্রতিষ্ঠানের মেয়েরা স্বপ্ন দেখতে শুরু করে। এ ধরনের বিষয়গুলো বাড়াতে হবে। পুলিশ ইউনিটে উঠান বৈঠক হয়। এখানেও আমরা অভিভাবক সমাবেশ করছি। যেখানে অভিভাবক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ অনেকেই থাকছেন। আমরা যখন পোশাক পরা অবস্থায় কথা বলি তখন মানুষের শোনার প্রতি আগ্রহ আরও বেড়ে যায়।

জাগো নিউজ: র‌্যাব হলো পুলিশের এলিট ফোর্স। র‌্যাবে কাজ করা চ্যালেঞ্জিং। আপনি এখানে কেমন উপভোগ করছেন?

জয়িতা শিল্পী: র‌্যাবে যে কদিন কাজ করছি দারুণ উপভোগ্য ছিল। আমি চাকরিজীবনে পুলিশে ১৪ বছর পার করেছি। এর মধ্যে বিভিন্ন বিভাগ ও ইউনিটে কাজ করেছি। শুরু থেকেই আমি জেলায় কাজ করেছি, ঢাকা মেট্রোপলিটনে কাজ করেছি, এক বছরের বেশি সময় মিশনে ছিলাম, সবশেষ ময়মনসিংহ জেলা থেকে প্রমোশন পেয়ে র‌্যাবে পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদান করি। এখানে বিভিন্ন বাহিনীর সঙ্গে কাজ করা সত্যিই বৈচিত্র্যময়। আমি মনে করি এটি কর্মক্ষেত্রে বাড়তি সুযোগ এবং চ্যালেঞ্জিংও বটে। পুলিশের এলিট ফোর্স হিসেবে আমরা গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো বাছাই করে নিই। র‌্যাবে আমার কাজের ব্যাপ্তি অনেকখানি বেড়েছে। আমি যে আত্মবিশ্বাস নিয়ে কাজ করতাম, সেটিও বেড়েছে।

জাগো নিউজ: একদিকে স্বামী-সন্তান-সংসার অন্যদিকে কর্মব্যস্ততা, কীভাবে সমন্বয় করেন?

জয়িতা শিল্পী: আসলে ব্যালেন্স করতে হয়। কর্ম ও পারিবারিক জীবনে সমন্বয়-সামঞ্জস্য বজায় রেখেই চলতে হয়। মেয়েরা কিন্তু গুছিয়ে কাজ করতে পছন্দ করে। একজন মেয়ে যখন রান্নাঘরে কাজ করে তখন গুছিয়ে কাজ করে। এ মেয়েটিই যখন বাসায় কিংবা অফিসে কাজ করে তখনও গুছিয়ে ও পরিকল্পনামাফিক কাজ করতে পছন্দ করে। কষ্ট তো বটেই, কারণ পেশাগত দায়িত্বের পাশাপাশি পরিবারের দায়িত্বগুলো পালন করতে হয়। দায়িত্বশীল জায়গায় যেহেতু আছি, ফলে দায়িত্ব নিয়ে কাজ করতেই এনজয় করি।

jagonews24

আমার স্বামীও পেশাগত ব্যস্ততায় থাকেন। আমার পাঁচ বছর বয়সী একটি ছেলে রয়েছে। তাকে স্কুলে পাঠাবো। এসময়টা সত্যিই আমার জন্য কষ্টের। ছোটবেলা থেকে এ পর্যন্ত একজন মা হিসেবে যতটুকু সময় তাকে দেওয়া প্রয়োজন সেটা আমি দিতে পারিনি। তবে শত ব্যস্ততার মাঝেও আমার সন্তানকে কোয়ালিটি টাইম দেওয়ার চেষ্টা করি।

জাগো নিউজ: কর্মক্ষেত্রে নারীরা প্রাপ্য মর্যাদা পাচ্ছে কি না?

জয়িতা শিল্পী: কোনো কোনো ক্ষেত্রে পাচ্ছে। তবে এজন্য নারীকেই লড়তে হবে। নিজের মর্যাদা আদায় করে নিতে হবে। নিজেকে প্রমাণ করতে হবে। নারীরা সেটা করছেও। আমি চাই, নারীরা এ লড়াইটা অব্যাহত রাখুক এবং লড়াই করেই প্রাপ্য মর্যাদা বুঝে নিক।

জাগো নিউজ: প্রতিবছর তো নারী দিবস উদযাপন হয়, এবছরও হচ্ছে। নারী দিবসে আপনার চাওয়া বা প্রত্যাশা কী?

জয়িতা শিল্পী: প্রতিবছরই নারী দিবসকে প্রতিপাদ্য করে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ভাবা হয়। গত দু’বছর ধরে কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে পুরুষের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে জনস্বাস্থ্যসেবায় কাজ করছে নারী। অর্থনৈতিকভাবেও কীভাবে স্বাবলম্বী হতে হয়, তা তারা দেখিয়ে দিচ্ছে। আমি এসময় এসে বলবো- নারীরা আরও স্বপ্ন দেখুক, তাদের দৃষ্টি যেন আরও প্রসারিত হয়। নারীরা যে পারে, তাদের যে শক্তি-সাহস আছে এ অনুপ্রেরণাকে পুঁজি করেই নারীদের এগিয়ে যেতে হবে। আমাদের প্রধানমন্ত্রীই এ পথের অগ্রপথিক। কর্মক্ষেত্রে তিনি আমাদের সব রকম উপায় খুলে দিয়েছেন। আমাদের উচিত হবে সে সুযোগগুলো কাজে লাগানো।

জাগো নিউজ: নতুন প্রজন্মের তরুণীদের প্রতি আপনার কী পরামর্শ?

জয়িতা শিল্পী: নতুন প্রজন্মের নারীদের প্রতি একটি কথা বলতে চাই, আমরা যেভাবে নিয়মানুবর্তিতা ও অধ্যবসায়ের মধ্য দিয়ে শিক্ষা ও কর্মজীবন পার করছি, তাদেরও সেটা করতে হবে। আমাদের যেন ছাড়িয়ে যায় তারা। যদিও এখনকার মেয়েদের মধ্যে সেরকম তাড়না দেখি না। এখন ছেলে-মেয়েরা খেলাধুলা করে না, বই পড়ে না। পড়াশোনার পাশাপাশি পারিবারিক-সামাজিক কাজে অংশ নেয় না। তারা সোশ্যাল মিডিয়ার দিকে বেশি ঝুঁকে পড়ছে। ইন্টারনেট দুনিয়ার প্রতি তাদের আগ্রহ বেশি। অথচ এসময় তাদের বই পড়ে কাটানো উচিত। কেননা, যোগ্যতম হিসেবে নিজেকে তৈরি করার এটিই সময়। একাডেমিক পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা, নাচ-গান, বিতর্ক-বক্তৃতা, ছবি আঁকা, লেখালেখি অর্থাৎ আনুষঙ্গিক সবরকম কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত হতে হবে। যে যে ক্ষেত্রে পারদর্শী তা নিয়ে চর্চা করে যেতে হবে। সবদিক দিয়ে নিজেকে যোগ্য করে গড়ে তুলতে হবে। সময় গেলে ফিরে আসবে না। আমি তাদের বারবার এটাই বলতে চাই, সময়ের কাজ সময়ে করা উচিত।

জাগো নিউজ: সময় দিয়ে কথা বলার জন্য জাগো নিউজ পরিবারের পক্ষে আপনাকে ধন্যবাদ।

জয়িতা শিল্পী: এই সুন্দর আয়োজনের জন্য জাগো নিউজকেও ধন্যবাদ। নারীদের জাগিয়ে তুলতে জেগে উঠুক জাগো নিউজ- নারী দিবসের এ দিনে এটাই প্রত্যাশা।

এএএম/এমকেআর/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।