সুপার ফোরে যাওয়ার আশা মুমিনুলের

মুনওয়ার আলম নির্ঝর
মুনওয়ার আলম নির্ঝর , স্পোর্টস রিপোর্টার চট্টগ্রাম থেকে
প্রকাশিত: ১০:২৯ এএম, ২৬ নভেম্বর ২০১৭
সুপার ফোরে যাওয়ার আশা মুমিনুলের

গতবারের রানার্সআপ। এবারের আসরে এখনও পর্যন্ত ৮ ম্যাচ খেলে ৫ পরাজয়ের বিপরীতে জয় পেয়েছে মাত্র ৩টিতে। ৬ পয়েন্ট নিয়ে বিপিএলের টেবিলে ছয় নম্বরে অবস্থান করছে রাজশাহী কিংস। হাতে আছে আর মাত্র চারটি ম্যাচ। শেষ চার নিশ্চিত করতে হলে এই চার ম্যাচেই ভালো করতে হবে। রাজশাহীর ওপেনার মুমিনুল হক আশাবাদী, চারটি ম্যাচে ভালো করেই তারা নাম লেখাবেন শেষ চারে।

বিপিএলে চট্টগ্রাম পর্বে আজ কোনো খেলা নেই। তবে এমএ আজিজ স্টেডিয়ামে অনুশীলন সেরে নেন রাজশাহী কিংসের ক্রিকেটাররা। অনুশীলন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘গত আসরেও কিন্তু এমনই পরিস্থিতিতে ছিলাম আমরা। পরে চট্টগ্রামে এসে ঘুরে দাঁড়িয়েছিলাম। আশা করি, এবারও চট্টগ্রামের দুই ম্যাচ জিতে কামব্যাক করতে পারবো। আমার কাছে মনে হয়, আমরা সুপার ফোরে উঠতে পারবো। এটাই আমার প্রত্যাশা।’

নিজেকে প্রমাণ করার আর কিছু নেই বলে মনে করেন জাতীয় দলের এই ক্রিকেটার। তার মতে, ‘আমি যেটা অনুভব করি, আমার প্রমাণ করারও কিছু নাই। চ্যালেঞ্জ নেয়ারও কিছু নাই। গত কয়েক মাস ধরে খুব মনযোগ দিয়ে চেষ্টা করেছি নিজেকে আরও ভালো পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার। আমি আমার ব্যাটিংটা ইম্প্রুভ করার চেষ্টা করছি। সেটা ওয়ানডে হোক, টি-টোয়েন্টি হোক কিংবা টেস্ট। সব ফরম্যাটেই চেষ্টা করছি ব্যাটিংয়ের উন্নতি করার।’

আগামীকাল (সোমবার) বিকেলের ম্যাচে জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টেবিলের শীর্ষে থাকা খুলনা টাইটান্সের মুখোমুখি হবে রাজশাজী কিংস। মুমিনুল মনে করেন, ওই ম্যাচে তাদের চেয়ে খুলনাই বেশি চাপে থাকবে। এ ম্যাচ নিয়ে তিনি বলেন, ‘চ্যালেঞ্জ তো অবশ্যই একটু থাকে। আর আমাদের চেয়ে ওদেরই (খুলনা টাইটান্স) মনে হয় চাপ একটু বেশি। ওরা যদি হেরে যায় তাহলে ওরাও বিপদে পড়ে যাবে। আমরা যেহেতু অলমোস্ট তিনটা ম্যাচ জিতে গেছি। আমরা ভাল ক্রিকেট খেললে আর প্ল্যান মত খেললে জিতে যাবো ইনশাল্লাহ।’

টেস্টের জন্য যে প্রস্তুতিটা নিচ্ছিলেন মুমিনুল সেটাই বিপিএলে কাজে লেগেছে বলে মনে করেন তিনি। এ নিয়ে মুমিনুল বলেন, ‘দেখেন আমি বিপিএলে যে কয়টা ম্যাচ খেলছি, আমার কাছে মনে হয় না উল্টা-পাল্টা ব্যাটিং করেছি। স্বাভাবিক ক্রিকেট খেলার চেষ্টা করছি, বেসিক ক্রিকাটটাই খেলেছি। বেসিক ক্রিকেট খেলে যতটা উন্নতি করা যায় তাই চেষ্টা করছি। আর টেস্টের টেকনিক আসলেই কাজে লাগে।’

এমএএন/আইএইচএস/এমএস