ইনিংস ব্যবধানেই শ্রীলঙ্কাকে হারাল ভারত

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৯:৫৬ এএম, ২৭ নভেম্বর ২০১৭

ইনিংস ব্যবধানে পরাজয়টা নিশ্চিতই ছিল। তবে ব্যবধানটা কত বড় হয় সেটাই ছিল দেখার বিষয়। নাগপুর টেস্টের চতুর্থ দিনের লাঞ্চের পরই পরাজয়টা নিশ্চিত হয়ে গেলো লঙ্কানদের। ভারতের ৬১০ রানের পাহাড়ে চাপা পড়ার কারণে প্রথম ইনিংসেই ৪০৫ রানে পিছিয়ে পড়ে শ্রীলঙ্কা।

দ্বিতীয় ইনিংসে ভারতীয় স্পিনারদের সামনে টিকতেই পারলো না শ্রীলঙ্কান ব্যাটসম্যানরা। অলআউট হয়ে গেলো মাত্র ১৬৬ রানে। ফলে এক ইনিংস এবং ২৩৯ রানের বিশাল ব্যবধানে পরাজয় বরণ করলো সফরকারী শ্রীলঙ্কা। ইডেন গার্ডেনে যেভাবে লড়াই করে টেস্ট ড্র করেছিল, নাগপুরে পুরো ভিন্ন এক শ্রীলঙ্কাকে দেখা গেলো।

তৃতীয় দিন শেষ বিকেলে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামার পরই ওপেনার সামারাভিক্রমার উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা। তখনই বোঝা গিয়েছিল, ইনিংস পরাজয় এড়ানোর সম্ভবত সাধ্য হবে না সফরকারীদের। যদি না কোনো মিরাকল ঘটে। চতুর্থদিন সকালে ব্যাট করতে নামার পর রবিচন্দ্র অশ্বিন, রবীন্দ্র জাদেজা আর উমেষ যাদবের তোপের মুখে পড়ে লঙ্কানরা।

একমাত্র লঙ্কান অধিনায়ক দিনেশ চান্ডিমালই যা কিছুটা প্রতিরোধ গড়তে পেরেছিলেন অশ্বিনদের সামনে। ৮২ বল মোকাবেলা করে একাই তিনি খেলেন ৬১ রানের ইনিংস। এছাড়া শেষ দিকে সুরঙ্গা লামকাল ৪২ বলে অপরাজিত ৩১ রানের ইনিংসটি না খেললে হয়তো লঙ্কানদের আরও বড় ব্যবধানেই হার মানতে হতো।

লাহিরু থিরিমান্নে ২৩, করুনারত্নে ১৮, দাসুন শানাকা করেন ১৭ রান। ভারতের হয়ে রবিচন্দ্র অশ্বিন একাই নেন ৪ উইকেট। ২টি করে উইকেট নেন ইশান্ত শর্মা, রবীন্দ্র জাদেজা এবং উমেষ যাদব। তিন টেস্টের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ভারত।

নাগপুর টেস্টে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল শ্রীলঙ্কা। ব্যাট করতে নেমে ভারতীয় বোলারদের সাঁড়াসি আক্রমণের মুখে ২০৫ রানে অলআউট হয়ে যায় সফরকারীরা। জবাবে ব্যাট করতে নেমে চারটি সেঞ্চুরি উপহার দেন ভারতীয় ব্যাটসম্যানরা।

এর মধ্যে আবার ডাবল সেঞ্চুরি করেন বিরাট কোহলি। তিনি আউট হন ২১৩ রানে। কোহলি ছাড়া সেঞ্চুরির খাতায় নাম লেখান চেতেশ্বর পুজারা, মুরালি বিজয় এবং রোহিত শর্মা। ৬ উইকেট হারিয়ে ৬১০ রান করে ইনিংস ঘোষণা করে ভারত।

এ নিয়ে ২০১৭ সালে মোট ৩২টি ম্যাচে জয় পেলো ভারত। নিজেদের ক্রিকেট ইতিহাসে এক পঞ্জিকাবর্ষে এতগুলো জয় এর আগে আর কখনও পায়নি তারা। এর আগে গত বছরই, ২০১৬ সালে সর্বোচ্চ ৩১টি জয় ছিল তাদের।

আইএইচএস/আইআই

আপনার মতামত লিখুন :