শামির বিরুদ্ধে এবার ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৯:৫৫ পিএম, ১৪ মার্চ ২০১৮

একের পর এক মাকড়সার জালে যেন জড়িয়ে যাচ্ছেন ভারতীয় পেসার মোহাম্মদ শামি। তার বিরুদ্ধে স্বয়ং স্ত্রী হাসিন তুলেছেন পরকিয়ার অভিযোগ। কয়েকজন নারীর সঙ্গে নাকি তার সম্পর্ক রয়েছে। নারী ঘটিত সম্পর্কের ময়দান থেকে এবার শামির বিরুদ্ধে উঠলো ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ। ইতিমধ্যেই তার বিরুদ্ধে এই অভিযোগের তদন্ত শুরু করতে চলেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড বিসিসিআই। বুধবার ভারতীয় সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃক নিয়োগকৃত কমিটি অব অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (সিওএ) অ্যান্টি করাপশন ইউনিটকে ভারতীয় দলের ডানহাতি এই পেসারের বিরুদ্ধে ম্যাচ ফিক্সিং অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।

শেষ পর্যন্ত স্ত্রী হাসিন জাহানের অভিযোগের ভিত্তিতে শামির বিরুদ্ধে ম্যাচ ফিক্সিংয়ে তদন্ত শুরু করল বিসিসিআই। সুপ্রিম কোর্ট নিযুক্ত সিওএ অ্যান্টি করাপশন ইউনিটকে শামির বিরুদ্ধে ফিক্সিংয়ের তদন্ত করে এক সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে বলেছে। বিসিসিআইর অ্যান্টি করাপশন অ্যান্ড সিকিউরিটি ইউনিটকে নেতৃত্ব দেবেন দিল্লির সাবেক পুলিশ কমিশনার নীরাজ কুমার।

গত সপ্তাহে শামির স্ত্রী হাসিন কলকাতা পুলিশের সদর দফত লালবাজারে গিয়ে ভারতীয় দলের এই ডানহাতি পেসারের বিরুদ্ধে পরকীয়া ও তাকে শারীরিক নির্যাতনের পাশাপাশি দুবাইয়ে এক পাকিস্তানি নারীর কাছ থেকে টাকা নেওয়া অভিযোগ করেন। আলিসবা নামে ওই পাকিস্তানি নারীর সঙ্গে ,মোহাম্মদ ভাইয়ের সম্পর্ক রয়েছে। যিনি ইংল্যান্ডের একজন ব্যবসায়ী।

শামির সঙ্গে এই নারীর সম্পর্ক কী? সত্যিই শামি এই পাকিস্তানি নারীর কাছ থেকে টাকা নিয়েছিলেন কি না? নিলে, কেন নিয়েছিলেন? এ সব কিছুই খতিয়ে দেখতে চলেছে বিসিসিআইর দুর্নীতিদমন শাখা। এ ব্যাপারে শামি ও তার স্ত্রী হাসিনের টেলিফোনিক কথোপকথন খতিয়ে দেখবে তদন্তকারী অফিসাররা।

সিওএ বোর্ডের অ্যান্টি করাপশন অ্যান্ড সিকিউরিট ইউনিটের প্রধান নীরাজ কুমারকে শামির তিনটি অ্যাকাউন্ট তদন্ত করে দেখতে বলেছে। সিওএ চিঠিতে জানিয়েছে, ‘সিওএ নিশ্চিত হতে চায়, মোহাম্মদ শামি ও মোহাম্মদ ভাইয়ের কোনও কথোপকথন হয়েছিল কি না। মোহাম্মদ ভাই কি আলিসবা নামে পাকিস্তানি নারীর মাধ্যমে টাকা পাঠিয়েছিল?’

সোমবার কলকাতা পুলিশ বিসিসিআইকে চিঠি দিয়ে শামির সফরসূচি জানতে চায়। দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচের পর শামি কবে কোথায় ছিলেন এবং কীভাবে দেশে ফিরেছিলেন- তদন্তের স্বার্থে তা জানতে চেয়ে চিঠি দেয় কলকাতা পুলিশের তদন্তকারী অফিসাররা।

আইএইচএস/আরআইপি