পাকিস্তানের বিপক্ষেই ফিরবেন স্মিথ-ওয়ার্নার

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০:১৯ পিএম, ১৯ নভেম্বর ২০১৮

ভারতের বিপক্ষে সিরিজ শুরু হওয়ার আগেই কথা উঠে গেছে অস্ট্রেলিয়ার দুই নিষিদ্ধ ক্রিকেটার স্টিভেন স্মিথ আর ডেভিড ওয়ার্নারের ফেরা নিয়ে। অনেকেই বলতে শুরু করে দিয়েছে, ভারতের বিপক্ষেই কি তবে ফিরছেন দুই নিষিদ্ধ ক্রিকেটার? যদিও, বিভিন্ন মাধ্যমে খবর জানা যাচ্ছে, আগামী বিশ্বকাপের আগেই ফিরছেন তারা। পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজেই চোখ রাখা হয়েছে স্মিথ এবং ওয়ার্নারের ফেরার জন্য।

বল টেম্পারিং কেলেঙ্কারির কারণে স্মিথ-ওয়ার্নারসহ তিন ক্রিকেটারকে পাঠানো হয়েছে নিষেধাজ্ঞার কবলে। বাকিজন ক্যামেরন বেনক্রফট। যদিও নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার আগেই নানা মহল থেকে চাপ আসছে, শাস্তি তুলে নেয়ার জন্য। এমনকি চাপের মুখে সরে দাঁড়িয়েছেন অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট বোর্ডের অনেক কর্মকর্তা।

যার ফলে তিন ক্রিকেটারের নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে এই সপ্তাহের শুরুতেই বৈঠকে বসছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ)। সেখানেই সম্ভবত ঠিক হয়ে যাবে ভারতের বিরুদ্ধে স্মিথরা খেলতে পারবেন কি না। এমনিতেই আগামী মার্চ মাসের শুরুতেই নিষেধাজ্ঞা মুক্ত হয়ে যাবেন তারা তিনজন। এরপরই বিশ্বকাপের ঠিক আগ মুহূর্তে (এপ্রিলে) অস্ট্রেলিয়ার রয়েছে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ। সেই সিরিজেই হয়তো ফিরতে যাচ্ছেন স্মিথ এবং ওয়ার্নার অ্যান্ড কোং।

তবে বেনক্রফটের শাস্তি উঠে যাচ্ছে ২৯ ডিসেম্বর। ফলে ভারতের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে পরের দিকে খেলার সুযোগ থাকছে তার। শাস্তি উঠে গেলে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ফিরে নিজেকে তৈরি করার সুযোগ পাবেন তিনি। এমনও হতে পারে, স্মিথ-ওয়ার্নার আপাতত শুধু শেফিল্ড শিল্ডে খেলারই সুযোগ পেলেন।

যদিও অস্ট্রেলিয়ার সবাই আবার এই শাস্তির বিপক্ষে নয়। যেমন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ফাস্ট বোলার মিচেল জনসন। তিনি টুইট করেছেন, ‘তিনজন ক্রিকেটারকে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে বোর্ড। ওরা সেই শাস্তি মেনেও নিয়েছে। তাই আমার মতে, শাস্তি বহাল থাকুক।’

অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট বোর্ডের ওপর সবচেয়ে বেশি চাপ সৃষ্টি করেছে ক্রিকেটারদের সংস্থা (এসিএ)। লিখিতভাবে তারা তাদের দাবিও পেশ করেছে। একটি নিরপেক্ষ রিভিউ জানিয়েছে, বল বিকৃতিকাণ্ডে শুধু অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেটারদের দায়ী করলেই চলবে না। এর জন্য দায়ী অস্ট্রেলিয়া বোর্ডের কর্মকর্তারাও।

কারণ, তারাই এমন একটি পরিবেশ তৈরি করেছিলেন, যেখানে ক্রিকেটারেরা বাধ্য হয়েছেন এই রকম অনৈতিক রাস্তায় হাঁটতে। যে কোনোমূল্যে জিততেই হবে, এই রকম একটা মানসিকতা ক্রিকেটারদের মধ্যে তৈরি হওয়ার জন্য বোর্ডকর্তারাই দায়ী বলে ওই রিভিউ রিপোর্টে বলা হয়েছে।

আইএইচএস/আরআইপি

আপনার মতামত লিখুন :