গতির কারণেই সুযোগ পেলেন তাসকিন

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৭:৫৬ পিএম, ২৩ জানুয়ারি ২০১৯

জাতীয় দলের হয়ে সর্বশেষ খেলেছিলেন ২০১৭ সালের অক্টোবরে। দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে টেস্ট এবং ওয়ানডে দলে ছিলেন তিনি। এরপর যেন হারিয়ে গেলেন গতি তারকা তাসকিন আহমেদ। উইকেট পাওয়ার পর দুই হাত প্রসারিত করে দৌড় দেয়া কিংবা মাশরাফি বিন মর্তুজার সঙ্গে চেস্ট বাম্প করার দৃশ্যও আর চোখে পড়ছিল না।

অফ ফর্ম আর দীর্ঘ ইনজুরির কারণে প্রায় ১৫ মাস দলের বাইরে তাসকিন আহমেদ। মাঝে ‘এ’ দলের হয়ে আয়ারল্যান্ড সফরে গিয়েছিলেন। কিন্তু অফ ফর্ম আর ইনজুরি থেকে ফিরতে পারেননি। অবশেষে তাসকিন আহমেদ ফিরলেন বিপিএলে সিলেট সিক্সার্সের জার্সিতে।

সিলেট সিক্সার্স টুর্নামেন্ট মাতাতে পারুক আর না পারুক তাসকিন মাতিয়েছেন। এখনও পর্যন্ত বিপিএলে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারির তালিকায় সাকিব আল হাসানের পরেই রয়েছে তাসকিনের নাম। তিনিই একমাত্র বোলার, যিনি দুইবার ৪টি করে উইকেট নিয়েছেন। ৮ ম্যাচে সাকিব নিয়েছেন ১৭ উইকেট। সমান ম্যাচে তাসকিনের উইকেট সংখ্যা ১৪টি। যদিও খুলনার বিপক্ষে তাসকিনের ৮ নম্বর ম্যাচটি চলমান।

শুধুই কি বিপিএলের এই পারফরম্যান্স তাসকিনকে দলে ফিরিয়েছে? তাহলে শফিউল ইসলাম কি দোষ করলো। তাসকিনের মতো তো শফিউলও ভালো পারফরম্যান্স করেছে বিপিএলে। ৮ ম্যাচে নিয়েছে ১৩ উইকেট।

বিপিএল শুরুর আগে সাম্প্রতিক সময়ে তাসকিনের কোনো পারফরম্যান্স ছিল না, শফিরউলেরও না; কিন্তু বিপিএলে দু’জনই পারফরম্যান্স দিয়ে নজর কেড়েছেন। বরং ডেড ওভারে তাসকিনের চেয়ে শফিউলের পারফরম্যান্সই ভালো। এ কারণেই আজ দল ঘোষণার সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন উঠলো তাসকিনকে কেন দলে নেয়া হলো, শফিউল নয় কেন?

এ সময় তাসকিনকে দলে নেয়ার বিষয়ে প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু ব্যাখ্যা দেন, ‘দলে একজন সত্যিকারের এক্সপ্রেস ফাস্ট বোলের দরকার। সে ফাস্ট বোলিং অ্যাবিলিটি আছে শুধুই তাসকিনের। বলতে পারেন, তার বাড়তি গতির কারণেই শফিউলকে না নিয়ে তাসকিনকে নিয়েছি এবং নিউজিল্যান্ডের ফাস্ট উইকেটে তাসকিনের বাড়তি গতি অধিক কার্যকর হবে বলে আমাদের ধারণা।’

এআরবি/আইএইচএস/জেআইএম