অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হওয়া সম্ভব : সুজন

ক্রীড়া প্রতিবেদক ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:৫০ পিএম, ২১ মার্চ ২০১৯

চলতি ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ ক্রিকেটে এখনো পর্যন্ত অপরাজিত থাকা একমাত্র দল বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আবাহনী লিমিটেড। চতুর্থ রাউন্ড শেষে বাকি ১১ দলের সবাই অন্তত একটি করে ম্যাচ হারলেও, খালেদ মাহমুদ সুজনের দলকে হারাতে পারেনি কেউ।

নবাগত বিকেএসপির বিপক্ষে ৬০ রানের জয় দিয়ে শুরু, পরের ম্যাচে আরেক নবাগত দল উত্তরা স্পোর্টিংকে ১৮৯ রানে উড়িয়ে দেয় আবাহনী। তৃতীয় রাউন্ডে ব্রাদার্স ইউনিয়নকে ১৪ রানে হারানোর পর সবশেষ ম্যাচে শাইনপুকুর ক্রিকেট ক্লাবকে ৫ উইকেটে হারায় তারা।

আসরের শুরুটা এমন দুর্দান্ত করায় আবাহনীর ভক্ত-সমর্থকদের অনেকের মনেই ইচ্ছা জাগতেই পারে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হওয়ার। তাদের জন্য রয়েছে আশার বাণী। আবাহনীর কোচ খালেদ মাহমুদ সুজনও মানছেন তার দলের সামনে রয়েছে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুযোগ।

আজ দুপুরে সংবাদ মাধ্যমে সুজন বলেন, ‘অবশ্যই (অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হওয়ার) অনেক সুযোগ রয়েছে। আমাদের টিম তো ভালো। তবে ক্রিকেট ফানি গেইম। যেকোনো একটা খারাপ দিন যখন তখন হতে পারে। তবে তারপরও আমাদের যেই দল, আমি মনে করি আমাদের সব ম্যাচ যেটা উচিত। আমাদের দল সবচেয়ে শক্তিশালী, ঢাকা প্রিমিয়ার লীগে এমন শক্তিশালী দলের সাথে কাজ করেছি বলে মনে হয় না।’

এখনো পর্যন্ত আবাহনীর যাত্রাটা বেশ সহজ হলেও, পঞ্চম রাউন্ডের ম্যাচটা সহজ হতে যাচ্ছে না তাদের। শুক্রবার ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলি স্টেডিয়ামে আরেক শক্তিশালী দল প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবের মুখোমুখি হবে আবাহনী। নিজেদের ৪ ম্যাচ থেকে ৩টিতেই জিতে পয়েন্ট টেবিলের দুই নম্বরে অবস্থান করছে প্রাইম ব্যাংক।

অধিনায়ক এনামুল হক বিজয়ের টানা সেঞ্চুরি এবং দলের অন্যান্যদের যোগ্য অবদানে টুর্নামেন্টের শুরুটা ভাল হয়েছে প্রাইম ব্যাংকেরও। এমন শক্ত প্রতিপক্ষের বিপক্ষে আবাহনী কোচের চিন্তার জায়গা দলের টপঅর্ডার ব্যাটিং।

তিনি বলেন, ‘উপরের দিকে রান হচ্ছে, কিন্তু আশানুরূপ হয়নি। যেই রকম প্লেয়ার আছে- সৌম্য, জাফর, অমি, শান্ত, এরা সবাই বড় রান করার প্লেয়ার। একটা একশ ছাড়া ওইরকম কোনো রান হয়নি। আশা করছি টপ অর্ডার থেকে বড় রান হবে, এটাই আশা করছি।’

সুজন আরও বলেন, ‘বড় রান হচ্ছে না। টপ অর্ডার থেকে লম্বা রান হচ্ছে না। লাস্ট ম্যাচে ওয়াসিমের ৭৪, অমি এক ম্যাচে একশ করল। টপ অর্ডারে একশটা খুব প্রয়োজন। উপরে কেউ যদি বড় ইনিংস খেলে তাহলে সহজ হয়ে যায় আমাদের মিডেল অর্ডারের জন্য। কারণ আমাদের মিডেল অর্ডার অনেক স্ট্রং, মোসাদ্দেক, মিঠুন ও সাব্বির আছে। তিনজনই দারুণ প্লেয়ার। তো টপ অর্ডার থেকে যদি রান হয় তাহলে সবার জন্য ইজি হয়ে যাবে।’

এসএএস/এমকেএইচ