৩২ নয়, ২২ বছরেই যে শিক্ষাটা চেয়েছিলেন ফিঞ্চ

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০২:২৭ এএম, ১৭ জুন ২০১৯

গত বিশ্বকাপের পর থেকে অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট দলের সময়টা ভালো যাচ্ছিলো না। বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা যেনো হারিয়ে খুঁজছিল নিজেদের। মরার ওপর খাড়ার ঘাঁ হয়ে আসে বল টেম্পারিং ইস্যূতে দলের অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথ ও সহ-অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নারের এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ হওয়া।

স্মিথের নিষিদ্ধ হওয়ার পর অসিদের নেতৃত্বের ভার ওঠে অ্যারন ফিঞ্চের কাঁধে। দায়িত্ব নিয়ে শুরুর ধাক্কা সামলে ঠিকই বিশ্বকাপের আগে আবার অস্ট্রেলিয়াকে তিনি ফিরিয়ে আনেন আগের রুপে। দলের ওপর থাকা সমালোচনা কমে আসলেও কমেনি ফিঞ্চের ব্যাটিং নিয়ে প্রশ্ন।

ব্যাটসম্যান ফিঞ্চকে নিয়ে যে প্রশ্ন ছিলো তার কড়া জবাব তিনি দিলেন বিশ্বকাপে শনিবার শ্রীলংকার বিপক্ষে সেঞ্চুরি করে। অসি অধিনায়ক জানান দিলেন তার বদলে যাওয়া ব্যাটিংয়ের রহস্য। ট্যাকনিক্যাল পরিবর্তনের সঙ্গে বড় ধরণের মানসিক পরিবর্তনও এনেছেন সাফল্য পেতে।

তিনি বলেন, ‘আমি আমার খেলায় কিছুটা পরিবর্তন এনেছি। বেশ কিছু ট্যাকনিক্যাল দিক নিয়ে আমি কাজ করেছি। কিছু কিছু সময় আপনি পরিবর্তন আনলেই সাথে সাথে আপনার কাজের সফলতা পাবেন না। আমি যেই কাজ করেছি এখন সেটার ফল পাওয়ায় ভালো লাগছে। আমি সবচেয়ে বেশি পরিবর্তন এনেছি আমার মানসিকতায়।’

ফিঞ্চের এমন বদলে যাওয়ার পিছনে তাকে নিয়ে করা সমালোচনাও কাজ করেছে। এ ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘আমি গত গ্রীষ্ম থেকেই নিজের খেলার ব্যাপারে সন্দিহান ছিলাম। অনেকটা সময় ধরে আমি মানসিক অথবা ট্যাকনিক্যাল সব সিদ্ধান্তের জন্যই প্রশ্নের সম্মুখীন হচ্ছিলাম। কিন্তু আমার সে প্রশ্নগুলোর উত্তর জানা ছিলো না।। আমি তখন সব প্রশ্নের উত্তর খোঁজা শুরু করি।’

সমালোচনার জবাব খুঁজতে গিয়ে যে শিক্ষা পেয়েছেন অসি অধিনায়ক তা আরো আগেই পাওয়া উচিত ছিলো বলে মনে করেন তিনি। ৩২ বছর বয়সে নয় ২২ বছর বয়সেই এমন শিক্ষা প্রয়োজন ছিলো বলে মনে করেন অস্ট্রেলিয়ান ওপেনার।

তিনি বলেন, ‘এটা সত্যিই আমার জন্য দারুণ শিক্ষা ছিলো। যদি আমি এটা ৩২ বছরে এসে না পেয়ে ২২ বছরে পেতাম তাহলে সেটা আরো ভালো হতো। আমি বুঝতে পেরেছি খেলাটাকে আপনি যতই নিজের মতো করে নেন না কেনো, এতে খেলার বেসিক নিয়ম বদলে যাবে না। আপনাকে ভালো বলগুলোকে সমীহ করেই রান করতে হবে।’

এমএইচবি/এসএএস