তার মধ্যে কি আছে যা অন্যদের মধ্যে নেই? খেপেছেন সালমান বাট

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৪:৩৪ পিএম, ২৪ আগস্ট ২০১৯

স্পট ফিক্সিং তাদের জীবনটা এলোমেলো করে দিয়েছে। ২০১০ সালে ইংল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট খেলতে নেমে ফিক্সিংয়ে নাম জড়িয়েছিলেন পাকিস্তানের তিন ক্রিকেটার-সালমান বাট, মোহাম্মদ আমির এবং মোহাম্মদ আসিফ। নিষিদ্ধ হন তিনজনই।

নিষেধাজ্ঞার খাড়া কাটিয়ে তাদের মধ্যে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরেন কেবল মোহাম্মদ আমির। কিন্তু বাকি দুইজনের প্রতি কোনো আগ্রহই দেখায়নি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। এর মধ্যে মোহাম্মদ আসিফ সম্ভবত ফেরার আশা ছেড়েই দিয়েছেন।

আশা ছাড়েননি সালমান বাট। ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিত পারফর্ম করছেন, রানের বন্যা বইয়ে দিচ্ছেন। কিন্তু সব কিছুরই তো একটা লক্ষ্য থাকে, পাকিস্তানি ওপেনারের সেই লক্ষ্য হলো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরা। নির্বাচকরা যেন দেখেও না দেখার মতো করে আছেন। এমনটা কেন? যদি নিষিদ্ধ খেলোয়াড় দলে নেয়া না-ই হয়, তবে আমিরকেই বা নেয়া হলো কেন? সালমান বাটের এখন এমন প্রশ্ন।

কেন তাকে দলে নেয়ার চেষ্টাও করা হয়নি? পিসিবির সাবেক চেয়ারম্যান শাহরিয়ার খান এবং নাজাম শেঠির উদ্দেশ্যে এমন প্রশ্ন তুলেছেন বাট। আমিরকে তাড়াহুড়ো করে দলে ফেরানো হলেও বাকিদের প্রতি কেন এই অবিচার, জানতে চেয়েছেন ক্ষুব্ধ এই বাঁহাতি ওপেনার।

BUTT.jpg

‘ক্রিকেট পাকিস্তান’কে দেয়া এক সাক্ষাতকারে বাট বলেন, ‘পিসিবির সাবেক চেয়ারম্যান শাহরিয়ার খান অথবা নাজাম শেঠিই কেবল এর ব্যাখ্যা দিতে পারবেন। কেন একজন খেলোয়াড় খেলবে, অন্যরা পারবে না? একজনের মধ্যে স্পেশাল এমন কি আছে, যা অন্যদের মাঝে নেই? সে (আমির) তো একটি পুরো মৌসুমও খেলেনি। অথচ আমি সব মৌসুম পুরোপুরি খেলেছি।’

২০১৯ বিশ্বকাপে স্কোয়াডে মাত্র দুজন ওপেনার- ইমাম উল হক আর ফাখর জামানকে নিয়ে খেলতে যায় পাকিস্তান। এই বিষয়টি নিয়েও নির্বাচকদের ধুয়ে দিয়েছেন সালমান বাট। তার মতে, বাড়তি ওপেনার না নিয়ে ওই দুজনকে সুযোগ করে দেয়া হয়েছে।

সাংবাদিককে উদ্দেশ্য করে ৩৪ বছর বয়সী এই ওপেনার বলেন, ‘আপনি তো অনেক দিন ধরে ক্রিকেট নিয়ে কাজ করছেন। আপনিই আমাকে বলুন, আমি এই খেলোয়াড়দের সঙ্গে সুযোগ পাওয়ার যোগ্য কি না। আমার মনে হয় না, এসব কোনো ব্যাপার। বিশ্বকাপের মতো আসরে আপনি কেবল দুজন ওপেনার নিয়ে যেতে পারেন না। দল একের পর এক টেস্ট হেরে যাচ্ছে, তারপরও কোনো পরিবর্তন আনা হচ্ছে না। আর এই খেলোয়াড়রা তো খুব ভাগ্যবান, তাদের ৭৫ শতাংশ খেলা হচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাতে।’

এমএমআর/এমএস