র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষে স্মিথ-কামিন্সের জয়জয়কার

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৮:৩৫ পিএম, ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৯

গত সপ্তাহেই ভারতের বিরাট কোহলিকে পেছনে ফেলে আবারও টেস্ট র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষে উঠে এসেছিলেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথ। এবার সেই শীর্ষস্থানটাকে আরও নিরঙ্কুশ করলেন তিনি।

ম্যানচেস্টারের ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে প্রথম ইনিংসে ডাবল সেঞ্চুরি (২১১) এবং দ্বিতীয় ইনিংসে ৮০ প্লাস (৮২) রান করে অস্ট্রেলিয়ার ১৮৫ রানের ব্যবধানে দারুণ জয়ে ভূমিকা রাখেন স্মিথ। সে কারণে টেস্টে ব্যাটসম্যানদের র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন তিনি। রেটিং পয়েন্ট ৯৩৭। তার নিজের সেরা রেটিং পয়েন্টের চেয়ে মাত্র ১০ পয়েন্ট পিছিয়ে স্মিথ। দ্বিতীয় স্থানে থাকা কোহলির রেটিং পয়েন্ট ৯০৩।

টেস্টে বোলারদের র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষস্থানেও কোনো ওলট-পালট হলো না। অস্ট্রেলিয়ান পেসার প্যাট কামিন্সই রইলেন শীর্ষে। বরং, ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ পয়েন্টে অবস্থান করছেন তিনি। ম্যানচেস্টারে ১০৩ রান দিয়ে ৭ উইকেট নিয়েছেন তিনি। কামিন্সের রেটিং পয়েন্ট হচ্ছে ৯১৪। যা এখনও পর্যন্ত তার জন্য সেরা পয়েন্ট।

কামিন্সের চেয়ে অনেক পিছিয়ে দ্বিতীয় স্থানে থাকা দক্ষিণ আফ্রিকান পেসার কাগিসো রাবাদা। ৬৩ পয়েন্ট পিছিয়ে থাকা রাবাদার মোট পয়েন্ট এখন ৮৫১। ভারতের জসপ্রিত বুমরাহ রয়েছেন তৃতীয় স্থানে। এছাড়া অসি পেসার জস হেজলউড এই প্রথমবারেরমত প্রবেশ করলেন সেরা দশে। ১২ ধাপ এগিয়ে এখন তিনি রয়েছেন ৮ নম্বর স্থানে।

বাংলাদেশের বিপক্ষে ২২৪ রানের বিশাল জয়ের পর র‌্যাংকিংয়ে আফগানিস্তান ক্রিকেটাররাও দারুণ লাফ দিয়েছেন। সাবেক অধিনায়ক আসগর আফগান প্রথম ইনিংসে ৯২ এবং দ্বিতীয় ইনিংসে করেন ৫০ রান। যে কারণে ১১০তম স্থান থেকে তিনি একলাফে চলে আসলেন ৬৩তম স্থানে। সেঞ্চুরি করা রহমত শাহ’র অবস্থান ৯৩ থেকে এখন ৬৫তম স্থান।

ম্যান অব দ্য ম্যাচ হওয়া অধিনায়ক রশিদ খান, যিনি ১০৪ রান দিয়ে ১১ উইকেট নিয়েছেন তিনি বোলারদের র‌্যাংকিংয়ে ৬৯তম স্থান থেকে এক লাফে চলে আসলেন ৩৭তম স্থানে। এছাড়া এই টেস্ট খেলেই অবসরে চলে যাওয়া মোহাম্মদ নবি ২১ ধাপ এগিয়ে এখন রয়েছেন ৮৫তম স্থানে।

বাংলাদেশ হেরে গেলেও বোলারদের র‌্যাংকিংয়ে ১ ধাপ করে উন্নতি ঘটেছে সাকিব আল হাসান এবং তাইজুল ইসলামের। দু’জন যথাক্রমে ২১ এবং ২২তম স্থানে রয়েছেন। এছাড়া তরুণ অফ স্পিনার নাঈম হাসান ২১ ধাপ এগিয়ে রয়েছেন ৬৬তম স্থানে।

আইএইচএস/এমএস