যেখানে চাইতেন অটোগ্রাফ, সেখানেই কোহলি পেলেন নিজ নামের স্ট্যান্ড

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১:৫৩ এএম, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯

বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে বদলে ফেলা হয়েছে ভারতের দিল্লির ঐতিহাসিক ফিরোজ শাহ কোটলার স্টেডিয়ামের নাম। নতুন করে এ মাঠের নাম রাখা হয়েছে অরুণ জেটলি স্টেডিয়াম। মূলত দিল্লি এন্ড ডিস্ট্রিক্ট ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের (ডিডিসিএ) সাবেক সভাপতি, ভারতের সাবেক অর্থমন্ত্রী প্রয়াত অরুণ জেটলির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই নেয়া হয়েছে এ সিদ্ধান্ত।

একইদিন দিন সাবেক ফিরোজ শাহ কোটলা এবং বর্তমান অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামের নবনির্মিত প্যাভিলিয়ন স্ট্যান্ডের নামকরণ করা হয়েছে বিরাট কোহলি স্ট্যান্ড। ভারতীয় ক্রিকেট দলের বর্তমান অধিনায়ক বিরাট কোহলির অবদানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশেই এমনটা করা হয়েছে।

অথচ পেশাদার ক্রিকেট ক্যারিয়ার শুরুর আগে এই ফিরোজ শাহ কোটলা স্টেডিয়ামেই খেলোয়াড়দের অটোগ্রাফ নেয়ার জন্য দাঁড়িয়ে থাকতেন কোহলি। অপেক্ষা করতেন ভিরেন্দর শেবাগ, যুবরাজ সিং বা জাভাগাল শ্রিনাথদের কাছ থেকে অটোগ্রাফ নেয়ার। সেই একই মাঠে নিজের নামের স্ট্যান্ড হতে দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন কোহলি। জানান নিজের অতীত অভিজ্ঞতার কথা।

কোহলি বলেন, ‘২০০০-২০০১ সালের দিকে ফিরোজ শাহ কোটলায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একটি টেস্ট ম্যাচ ছিলো। টিকিট কেটে আমরা প্যাভিলিয়ন স্ট্যান্ডের কাছাকাছি বসে ছিলাম। বাউন্ডারির কাছেই তখন শেবাগ, যুবি পাজি, শ্রিনাথরা বসেছিলেন। আমি তাদের কাছে অটোগ্রাফ চেয়েছিলাম। কখনও ভাবিনি সেই একই স্টেডিয়ামে আমি এই সম্মানটা পাবো।’

এসময় ডিডিসিএ সভাপতি রজত শর্মা, সাবেক অধিনায়ক কপিল দেব, দিল্লির সকল সাবেক খেলোয়াড়, দলের সতীর্থ খেলোয়াড় এবং নিজের পুরো পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন কোহলি। তিনি বলেন, ‘এত বেশি গুরুত্বপূর্ণ মানুষদের সামনে আমি খানিক নার্ভাস হয়ে পড়েছি। আমাকে সম্মানিত করার জন্য এত বড় আয়োজন করা হবে আশা করিনি।’

এ অনুষ্ঠানে ভারতের বর্তমান দলের সকল সদস্য উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিজেপি সভাপতি এবং ভারতের বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, রেলমন্ত্রী পীযূষ গোয়াল, কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী কিরেণ রিজিজুর এবং বিসিসিআইয়ের কর্তাব্যক্তিরা।

এ সময় বয়সভিত্তিক ক্রিকেট থেকে শুরু করে ভারতের সফলতম অধিনায়ক হওয়া পর্যন্ত, কোহলির ক্রিকেটের যাত্রা একটি ছোট ভিডিও দেখানো হয় বড় পর্দায়।

এসএএস/এমএস