টেস্টে স্মিথকে শূন্যতে আউট করতে পেরেছেন যে ৪ বোলার

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৯:১১ পিএম, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯

তাকে বলা হয় এ যুগের ‘ব্র্যাডম্যান’। ২২ গজে বিশেষ করে টেস্ট ফরমেটে স্টিভেন স্মিথকে আউট করাই যেন দুঃসাধ্য। সর্বশেষ অ্যাশেজ দিয়ে তো নিজেকে সর্বকালের সেরাদের কাতারেই তুলে এনেছেন অস্ট্রেলিয়ান এই ব্যাটসম্যান।

অ্যাশেজের এই সিরিজটি ছিল স্মিথের প্রত্যাবর্তন সিরিজ। বল টেম্পারিং কাণ্ডে এক বছর মাঠের বাইরে ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক। সেটা কি একটুও বোঝা গেল? মনে হলো যেন নিয়মিতই খেলে যাচ্ছিলেন।

অ্যাশেজ সিরিজে ৭ ইনিংস ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়ে দুটি সেঞ্চুরি আর একটি ডাবল সেঞ্চুরিসহ ৭৭৪ রান করেছেন স্মিথ। গড় ১১০.৫৭! সিরিজের সর্বশেষ ইনিংসে আউট হয়েছেন ২৩ রানে, যেটি কিনা তার সর্বনিম্ন!

বোঝাই যাচ্ছে, স্মিথকে আউট করা কোনো সাধারণ কাজ নয়। আর সেটা যদি হয় শূন্য রানে? কাজটা তো আরও কষ্টের। টেস্টে মাত্র চারজন বোলার স্মিথকে শূন্যতে আউট করার ‘কীর্তি’ দেখাতে পেরেছেন। আসুন দেখে নেয়া যাক, তারা কারা?

maharaz

কেশভ মহারাজ (দক্ষিণ আফ্রিকা)
স্মিথকে সর্বশেষ শূন্যতে আউট করেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার বাঁহাতি স্পিনার কেশভ মহারাজ। ২০১৬ সালে তিন ম্যাচের সিরিজের প্রথম টেস্টে পার্থের উইকেটে চার বল খেলে শূন্য রানে সাজঘরের পথ ধরেন স্মিথ।

babar

জুলফিকার বাবর (পাকিস্তান)
২০১৪ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে রান পেতে বেশ সংগ্রাম করতে হয় স্মিথকে। এশিয়ার স্পিন সহায়ক উইকেটে ভীষণ চাপে পড়ে অস্ট্রেলিয়া। সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে পাকিস্তানের ৫৭০ রানের জবাবে ৯৭ রানে ৪ উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু ওই মুহূর্তে শূন্য করে দলকে আরও বিপদে ফেলে দেন স্মিথ।

steyn

ডেল স্টেইন (দক্ষিণ আফ্রিকা)
২০১৪ সালে ইংল্যান্ডকে ৫-০তে হারিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা খেলতে গিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। প্রথম টেস্টে তারা জিতেও যায়। কিন্তু পরের ম্যাচেই ডেল স্টেইনের রিভার্স সুইংয়ের সামনে অসহায় হয়ে পড়েন অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটসম্যানরা। মাইকেল ক্লার্ক আউট হওয়ার পরের বলেই গোল্ডেন ডাকে ফেরেন স্মিথ।

tremlet

ক্রিস ট্রেমলেট (ইংল্যান্ড)
টেস্ট ক্রিকেটে স্মিথকে প্রথম শূন্যর স্বাদ দিয়েছিলেন ইংলিশ পেসার ক্রিস ট্রেমলেট। ২০১৩ সালের অ্যাশেজে প্রথম টেস্টে বড় লিড পাওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে দ্রুত রান তোলার চেষ্টা করে অস্ট্রেলিয়া। সেই চেষ্টাতেই শূন্যতে সাজঘরের পথ ধরেন স্মিথও।

এমএমআর/জেআইএম