ফাইনাল ম্যাচে খেলতে পারবেন রশিদ খান?

ক্রীড়া প্রতিবেদক ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১২:২০ পিএম, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯

‘আশা করছি আমি দ্রুতই ইনজুরি কাটিয়ে উঠতে পারব’ - ম্যাচ শেষে পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে এভাবেই নিজের হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির ব্যাপারে বলছিলেন আফগানিস্তানের অধিনায়ক রশিদ খান। শনিবারের ম্যাচের পর বাংলাদেশের জয়ের পাশাপাশি আলোচনার অন্যতম বিষয়বস্তু ছিলো রশিদ খানের ইনজুরি।

বাংলাদেশের ইনিংসে অষ্টম ওভারে ফিল্ডিং করার সময় রান বাঁচানোর প্রয়াসে হ্যামস্ট্রিংয়ে টান লাগে রশিদের। তৎক্ষণাৎ মাঠ ছেড়ে যেতে বাধ্য হন তিনি। যে কারণে ১৪তম ওভারের আগে আসতে পারেননি বোলিংয়ে। ইনজুরি নিয়েই নিজের প্রথম দুই ওভারে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও সাব্বির রহমানের উইকেট নেন রশিদ।

তবে শেষতক নিজ দলকে জেতাতে পারেননি রশিদ। তার করা ১৮তম ওভারে দুই চার ও এক ছয় হাঁকিয়ে ১৮ রান তুলে নেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ও সাকিব আল হাসান। সে ওভারেই ম্যাচ চলে যায় বাংলাদেশের পকেটে। এতে অবশ্য টুর্নামেন্টের চালচিত্র পরিবর্তন হয়নি একটুও।

আগামী মঙ্গলবার মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের বিপক্ষে ফাইনালে খেলতে নামবে আফগানিস্তানই। তবে এখন সবকিছু ছাপিয়ে বড় প্রশ্ন, ফাইনাল ম্যাচে রশিদ খান খেলতে পারবেন তো? নাকি তাকে ছাড়াই শিরোপার লড়াইয়ে নামতে হবে আফগানদের?

ম্যাচ শেষে পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে রশিদ নিজে বলেন, ‘আশা করছি আমি দ্রুতই ইনজুরি কাটিয়ে উঠতে পারব। এটা এখন খানিক জটিল মনে হচ্ছে। তবে ফাইনালের আগে ঠিক হয়ে যাওয়া উচিৎ। আমি চাচ্ছিলাম যে মাঠে গিয়ে বোলিং করে দেখি, কেমন হয়। আমার মনে হয় এখন ৫০-৬০ ভাগ ঠিক আছে।’

রশিদের এমন উত্তরে সন্তুষ্ট হওয়ার সুযোগ নেই। তাই পরবর্তীতে সংবাদ সম্মেলনে নেয়া হলো আফগানিস্তানের টিমে ম্যানেজার নাজিম জার আব্দুর রহিম জাইয়ের সাহায্য। তাকে জিজ্ঞেস করা হলো রশিদ খানের ইনজুরি আপডেটের বিষয়ে। তবে হতাশ করেন আফগান ম্যানেজার। জোর দিয়ে কিছু বলতে পারেননি তিনিও।

উপস্থিত সাংবাদিকদের আফগান ম্যানেজার বলেন, ‘আমি এখনই বলতে পারছি না রশিদ খান ফাইনাল খেলতে পারবে কি-না। সে ভালো করছে এবং আমরা অপেক্ষায় আছি সামনে কী হয় দেখার জন্য। আমাদের হাতে ২-৩ দিন সময় আছে। আমি আশা করছি ইনজুরিটা গুরুতর কিছু নয়। সে আমাদের অধিনায়ক এবং দলের অতি গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়। যেকোনো সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে আমরা ভালোভাবে তার ইনজুরি অবস্থা পর্যবেক্ষণ করব।’

এসএএস/পিআর