বাবরকে সহ-অধিনায়ক করার ঝামেলা নিয়ে মুখ খুললেন সরফরাজ

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৪:৫৯ পিএম, ১০ অক্টোবর ২০১৯

এমন ফল কখনও দেখেনি পাকিস্তান। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ঘরের মাঠে টি-টোয়েন্টি সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ, এই ফরমেটের এক নাম্বার দলের এমন পরাজয় কিছুতেই মানতে পারছেন না পাকিস্তানি সমর্থকরা। কেন এমন বিপর্যয়?

এই সিরিজে বাজে ফলের কোনো অজুহাতই দাঁড় করাতে পারবে না পাকিস্তান। খেলা ছিল ঘরের মাঠে। শ্রীলঙ্কাও বলতে গেলে দ্বিতীয় সারির এক দল নিয়ে এই সফরে খেলতে গিয়েছিল। তবু পাকিস্তান এক ম্যাচেও লড়াই করতে পারেনি, রীতিমত নাকানি চুবানি খেয়েছে লঙ্কানদের কাছে।

সিরিজ শেষ। ব্যর্থতার ময়নাতদন্ত শুরু হয়েছে। বরাবরের মতো কাঠগড়ায় পাকিস্তানের দুর্বল ফিল্ডিং। আর একটি বড় সমস্যা ছিল বাবর আজমের অফফর্ম। দলের কোচ মিসবাহ উল হকও সিরিজের মাঝপথেই স্বীকার করে নেন, বাবরের ওপর অতি নির্ভরতাই ডুবিয়েছে পাকিস্তানকে।

বাবর এই সিরিজে একদমই ভালো করতে পারেননি। তিন ম্যাচে তার ব্যাট থেকে আসে-১৩, ৩ আর ২৭ রান। ফলে পাকিস্তানও ব্যাটিং ব্যর্থতায় পড়েছে বারবার।

এবার তো অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ জানালেন, আরেকটি বিস্ফোরক তথ্য। বাবর আজম নাকি সহ-অধিনায়ক হওয়ার পর থেকে বদলে গেছেন। এখন অল্পতেই রেগে যাচ্ছেন।

পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক ও কিংবদন্তি পেসার ওয়াসিম আকরামের সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় সরফরাজ জানিয়েছেন এমন তথ্য। সরফরাজের ভাষায়, ‘বাবর সম্প্রতি সহ-অধিনায়ক হয়েছে। এমনিতে আমি যখন কিছুটা রেগে যেতাম, বাবর আমার সঙ্গে স্লিপে দাঁড়িয়ে মাথা ঠান্ডা রাখতে বলতো। কিন্তু যখন থেকে সে সহ-অধিনায়ক হলো, আমাকে জানিয়েছে-এখন তার অনেক রাগ হয়।’

সর্বশেষ ওয়ানডে বিশ্বকাপে পাকিস্তান দলের ব্যর্থতার পর অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদের স্থুলতা নিয়েও অনেক সমালোচনা হয়েছে। পাকিস্তান দলপতি জানালেন, এখন বলতে গেলে খাওয়া-দাওয়াই ছেড়ে দিয়েছেন তিনি।

সরফরাজ বলেন, ‘মনে হচ্ছে, আমি বলতে গেলে খাওয়াই ছেড়ে দিয়েছি। কঠিন প্রোটিন ডায়েটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। তার সঙ্গে কিছু শাক-সবজি খাচ্ছি।’

এই সিরিজে নতুনদের বেশ ভালোভাবেই পরখ করে নিয়েছে শ্রীলঙ্কা। কিন্তু ঘরের মাঠে খেলেও তরুণ খেলোয়াড়দের সেভাবে সুযোগ দিতে পারেনি পাকিস্তান। এই বিষয়ে সরফরাজ বলেন, ‘আমরা আসলে তাদের (শ্রীলঙ্কাকে) হালকাভাবে নিতে চাইনি। তবে সামর্থ্যবান খেলোয়াড়দের তো আমরা সুযোগ দেয়ার চেষ্টা করেছি।’

টি-টোয়েন্টি সিরিজে পাকিস্তান দলে ফিরিয়েছিল বিতর্কিত দুই ক্রিকেটার-উমর আকমল আর আহমেদ শেহজাদকে। কিন্তু সুযোগ পেয়ে কিছুই করতে পারেননি তারা। বরং ব্যাট হাতে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়ে দলকেও বিপদে ফেলেন।

এমএমআর/এমকেএইচ