খুলনায় মুশফিকের হতাশা, মিরাজের আশা

ক্রীড়া প্রতিবেদক ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:৩৪ পিএম, ১৭ অক্টোবর ২০১৯

ভারত সফরে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে খেলতে নামার আগে চলতি জাতীয় ক্রিকেট লিগটা বেশ গুরুত্বের সঙ্গেই নিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা। কিন্তু সে অর্থে কেউই যেনো নিজেদের সেরা ছন্দ খুঁজে পাচ্ছেন না। আশা জাগিয়েও হতাশ করেছেন জাতীয় দলের উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহীম।

খুলনায় চলমান জাতীয় ক্রিকেট লিগের দ্বিতীয় রাউন্ডে সবচেয়ে জমজমাট ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে রাজশাহী বিভাগ ও খুলনা বিভাগ। যেখানে প্রথম দিন শেষে নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে খুলনা বিভাগ। দিন শেষে রাজশাহী অলআউট হয়েছে ২৬১ রানে। ভালো বোলিং করেছেন খুলনার মোস্তাফিজুর রহমান, মেহেদি হাসান মিরাজ ও রুবেল হোসেন।

অবশ্য খুলনার বোলারদের দাপটের আগে ভালো শুরু করেছিলেন রাজশাহীর মুশফিকুর রহীম, নাজমুল হোসেন শান্ত, জুনায়েদ সিদ্দিকীরা। তবে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় ওভারেই সাজঘরে ফিরেছিলেন দলের ওপেনার মিজানুর রহমান। তাকে সরাসরি বোল্ড করে দেন চলতি লিগে প্রথম ম্যাচ খেলতে নামা মোস্তাফিজ।

এরপর দ্বিতীয় উইকেটে অধিনায়ক ফরহাদ হোসেন ও আরেক ওপেনার জুনায়েদ সিদ্দিকী গড়েন ৮১ রানের জুটি। ফরহাদ ৪৫ করে আউট হয়ে গেলেও জুনায়েদ তুলে নেন ফিফটি। তবে ইনিংস বড় করতে না পারার মাশুল দিয়ে মিরাজের বলে সরাসরি বোল্ড হয়ে তিনি আউট হন ৫১ রানে।

ফরহাদ-জুনায়েদের পর মুশফিক-নাজমুল শান্ত মিলে শুরুটা ভালোই করেছিলেন। কিন্তু দুজনই পুড়েছেন ইনিংস বড় করতে না পারার হতাশায়। ২৪ রান করা শান্তকে সরাসরি বোল্ড করেছেন রুবেল, ২৩ রানে ব্যাটিং করতে থাকা মুশফিককে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেছেন আল-আমিন হোসেন।

শুরুর ব্যাটসম্যানদের হতাশাজনক ব্যাটিংয়ের পর ফরহাদ রেজা ৪১, সানজামুল ইসলাম ২৩ ও তাইজুল ইসলাম ২৯ রান করলে আড়াইশ পেরোয় রাজশাহীর ইনিংস। শেষপর্যন্ত তারা অলআউট হয় ২৬১ রানে।

সীমিত ওভারের ক্রিকেটে জাতীয় দলে জায়গা হারানো মেহেদি মিরাজ ৩৮ রান খরচায় নেন ৪টি উইকেট। এছাড়া রুবেল ও মোস্তাফিজ ২টি করে এবং আল-আমিন ও আব্দুর রাজ্জাক নেন ১টি করে উইকেট।

এসএএস/জেআইএম