বিশ্বকাপ বাছাইয়ের প্রথম ম্যাচেই সিঙ্গাপুরের চমক

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৯:৩২ এএম, ১৯ অক্টোবর ২০১৯

আগামী বছর অস্ট্রেলিয়াতে হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে জায়গা করে নেয়ার জন্য বাছাইপর্বে অংশ নিয়েছে ১৪টি দল। শুক্রবার দুবাইয়ের আইসিসি একাডেমিতে শুরু হয়েছে এ বাছাইপর্ব। যেখানে প্রথমদিনই সবাইকে চমকে দিয়েছে সিঙ্গাপুর।

গত মাসে জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো কোনো টেস্ট খেলুড়ে দেশের বিপক্ষে জয় তুলে নিয়েছিল সিঙ্গাপুর। সেটি যে কোনো অপ্রত্যাশিত ঘটনা ছিলো না, এই প্রমাণই যেন তারা দিল বিশ্বকাপ বাছাইয়ের প্রথম ম্যাচে স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে।

টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে বেশ শক্তিশালী দল স্কটিশরা। বাছাইপর্ব থেকে বিশ্বকাপের মূলপর্বের টিকিটের বড় দাবিদারও তারা। কিন্তু প্রথম ম্যাচেই হেরে গেছে তুলনামূলক দুর্বল সিঙ্গাপুরের কাছে, তাও মাত্র ২ রানের জন্য।

আইসিসি একাডেমিতে ম্যাচটি জেতার জন্য শেষ ওভারে ৮ রান প্রয়োজন ছিলো স্কটল্যান্ডের। সিঙ্গাপুরের অধিনায়ক আমজাদ মাহবুবের করা সেই ওভারে তারা উইকেট হারায় ৩টি এবং রান করতে পারে মাত্র ৫টি। ফলে ২ রানের দুর্দান্ত এক জয় পায় সিঙ্গাপুর।

ম্যাচে টস হেরে আগে ব্যাট করে সিঙ্গাপুর। সুরেন্দন চন্দ্রমোহনের ৫১ রানের ইনিংসে ভর করতে নির্দিষ্ট ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে দাঁড় করায় ১৬৮ রানের সংগ্রহ।

ওপেনার চন্দ্রমোহনের ফিফটি ছাড়াও অরিত্র দত্ত ১৫ বলে ৩২, মানপ্রিত সিং ২৬ বলে ২৬ ও জনক প্রকাশ ১১ বলে করেন ২০ রান। স্কটিশদের পক্ষে ২টি করে উইকেট নেন জশ ড্যাভি ও সাফিয়ান শরিফ।

পরে ১৬৯ রান তাড়া করতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে দুর্দান্ত সূচনা পায় স্কটল্যান্ড। মাত্র ৭.৪ ওভারেই ৭০ রান করে ফেলেন অধিনায়ক কাইল কোয়েৎজার ও জর্জ মুনসি। কোয়েৎজার ৩৬ বলে ৩৮ ও মুনসি খেলেন ২৫ বলে ৪৬ রানের ইনিংস।

কিন্তু এরপর ক্রমেই রানের চাকা টেনে ধরেন সিঙ্গাপুরের বোলাররা। ক্যালাম ম্যাকলয়েড ৩১ বলে ৪৪ রান করলেও বাকিরা কেউই তাকে সঙ্গ দিতে পারেনি। যার ফলে স্কটিশদের ইনিংস থামে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৬৬ রানে।

সিঙ্গাপুরের পক্ষে ৪ ওভারে মাত্র ১৬ রান খরচায় ৩ উইকেট নেন সেলাদোর বিজয়কুমার। ম্যাচসেরার পুরষ্কারও জেতেন তিনি। এছাড়া আমজাদ মাহবুব ও সিদ্ধান্ত সিং নেন ২টি করে উইকেট।

এছাড়া প্রথম দিনের অন্যান্য ম্যাচে হংকংকে ৮ উইকেটে আয়ারল্যান্ড, কেনিয়াকে ৩০ রানে নেদারল্যান্ডস এবং আরব আমিরাতকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে ওমান।

এসএএস/এমএস