গোলাপি বলে টাইগার ব্যাটসম্যানদের কি বিপদ, আগাম ধারণা দিলেন হরভজন

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৫:৪১ পিএম, ২০ নভেম্বর ২০১৯

গোলাপি বলে ফ্লাডলাইটের আলোয় দিবারাত্রির টেস্ট কখনই খেলেননি বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। প্রথম অভিজ্ঞতাটাই হচ্ছে, ভারতের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে।

ইডেন গার্ডেনসে ২২ নভেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে ঐতিহাসিক দিবারাত্রির টেস্টটি। যে টেস্ট ঘিরে ইতিমধ্যেই দর্শক আগ্রহ তুঙ্গে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলি জানালেন, প্রথম চারদিনের সব টিকিট ইতিমধ্যে বিক্রি হয়ে গেছে।

এমন এক টেস্ট, কেমন করবে বাংলাদেশ দল? ইন্দোরে সিরিজের প্রথম টেস্টে তিনদিনের মধ্যেই ইনিংস পরাজয়ের লজ্জায় পড়া টাইগাররা কি পারবে অপরিচিত পরিবেশ, টেস্টের অপরিচিত চেহারার সঙ্গে মানিয়ে নিতে?

ভারতের সাবেক স্পিনার হরভজন সিং আগাম একটা ধারণা দিলেন, কেমন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে টাইগাররা। তার ভাষায়, ‘টেস্টে বাংলাদেশির ব্যাটসম্যানদের প্রথমে পেসারদের খেলতে হবে। ইডেনের পিচে দ্রুতগতির বোলাররা সাহায্য পাবে। তারপর আসবে স্পিনারদের খেলার ব্যাপার।’

ইডেনে সাম্প্রতিককালে স্পিন-সহায়ক থেকে পাল্টে পেসারদের সাহায্য করার মতো পিচ হচ্ছে। ২২ নভেম্বর থেকে ঐতিহাসিক দিবারাত্রির টেস্টের জন্য পিচেও ঘাস রাখা হয়েছে।

ভারতের হয়ে ১০৩ টেস্টে খেলে ৪১৭ উইকেটের মালিক হরভজন বলেন, ‘কলকাতায় সাড়ে তিনটা থেকে চারটার মধ্যে সূর্যাস্ত হয়। এই সময়টায় পেসাররা সব চেয়ে ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে।’

অর্থাৎ হরভজন একটা ধারণা দিয়েই রাখলেন, শামি-উমেশ-ইশান্তরা কোন সময়টায় বেশি ভয়ংকর চেহারায় হাজির হবেন টাইগার ব্যাটসম্যানদের সামনে। গোলাপি বলে খেলার সময় সবচেয়ে কঠিন বলের গতি বোঝা, সেটাও মনে করিয়ে দিয়েছেন সাবেক এই অফস্পিনার।

‘এসজি’ গোলাপি বলে পালিশ বেশি থাকে, যাতে রাতের আলোয় বলের রং এক থাকে এবং দেখতে অসুবিধায় না পড়েন ব্যাটসম্যানেরা। হরভজনের বক্তব্য, ‘পালিশ বেশি থাকলে বল খুব ভালো করে ধরতে হবে (গ্রিপ)। বিশেষ করে আঙুলের সাহায্যে যারা স্পিন করায়, তাদের অনেক বেশি সতর্ক থাকতে হবে। এই বল হাত থেকে পিছলেও যায়।’

ইডেনে গোলাপি বলের টেস্টে সবচেয়ে বেশি আলোচনা শিশির নিয়ে। শিশিরের কথা মাথায় রেখে টেস্টের সময়ও এক ঘন্টা এগিয়ে আনা হয়েছে। এই শিশির কাদের কেমন সমস্যা করতে পারে, সেটারও ধারণা দিলেন হরভজন।

তিনি বলেন, ‘সবাই হয়তো ভাবে পিচ্ছিল সাবানের মতো আচরণ করবে বল। যেমনটা সাদা বলে দিনরাতের ম্যাচে হয়। সাদা বল পিচ্ছিল হয়ে যাওয়ার কারণ ভিজে গেলে তার পালিশ নষ্ট হয়ে যায়। কিন্তু গোলাপি বলে পালিশ বেশি থাকে। চামড়া বেশি ভেজে না। কিন্তু সেলাইটা খুবই ভিজে থাকে। এখানে আঙুলের সাহায্যে যারা স্পিন করায়, তাদেরই সমস্যা বেশি হয়।’

এমএমআর/এমএস